প্রিয় [ছোট ভাইের নাম],
আমি আশা করি তুমি ভালো আছো। এই চিঠিতে আমি তোমার সঙ্গে যুদ্ধের ফলে মূল্যস্ফীতির বিষয়ে কথা বলব। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে এই দুটি দেশে অনেক মানুষের পারিবারিক জীবন ব্যক্তিগত ও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বৈপত্তিক অবস্থায় আর্থিক সংকটে আমরা পরিবারের সবার জন্য প্রাথমিকতা দিয়ে থাকতে হবে। কিন্তু এই সমস্যার মাঝেও আমাদের পরিবারের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং প্রতিস্থাপন করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
প্রথমেই, আমরা পরিবারের সদস্যদের সমর্থন ও সহায়তা করতে পারি। একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবার হলে একে অপরের প্রতি সমবেদনশীলতা এবং প্রেম প্রদর্শন করতে হবে। সমস্যাগুলির সামনে আমাদের সমস্তকে একত্র হতে হবে এবং সমাধানের জন্য সাথে থাকতে হবে। এছাড়াও, আমাদের পরিবারিক সময়কে আপনার সাথে ভাগ করতে হবে। সমস্যাগুলি সমাধান করতে আমাদের সবার মধ্যে আলাদা করতে হবে না।
দ্বিতীয়ত, এই সমস্যার সমাধানে আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত করার চেষ্টা করতে হবে। আমরা খরচের পরিসংখ্যান করতে পারি এবং আর্থিক সম্পদ ব্যবহারে সতর্ক হতে পারি। প্রয়োজনে, আমাদের সম্পদ পরিবর্তন করার প্রস্তুতি করতে হবে যাতে পরিবার আর্থিক স্বাধীনতার স্বাদ পায়। সঠিক বাজেট প্ল্যানিং এবং অর্থ পরিচালনার জন্য আমাদের সবার মধ্যে চুক্তি স্থাপন করতে হবে।
তৃতীয়ত, আমরা আপনার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষামূলক সম্পদ এবং সম্প্রসারিত জ্ঞানের উপর ভরসা করতে পারি। পরিবারের সদস্যদের শিক্ষামূলক সম্পদের প্রতি গৌরব করতে হবে। যদি প্রয়োজন হয়, তুমি সহায়তা করতে পারে অথবা তোমার সম্পদের মাধ্যমে সম্প্রসারিত জ্ঞান অধিকার করতে পারে।
এই দুঃখজনক সময়টিতে বিশ্বাস রাখো যে, পরিবারের এই মুক্তি প্রক্রিয়া অবশ্যই শেষ হবে। সকলের মধ্যে একতা ও প্রেমের মাধ্যমে আমরা আপনাকে ওয়ার্ল্ডকে দেখাব যে পরিবার এই মূল্যস্ফীতির সামনে সবসময় বেঁচে থাকতে পারে।
তোমার ভাই,
[আপনার নাম]
Related Question
View All১৫.০২.২০২৩
ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর
স্নেহের শাওন,
আমার সালাম গ্রহণ করো। বাবা-মাকে আমার সালাম জানিও। ফারজানা ও ছোট ভাই রিয়ালের প্রতি রইলো অশেষ স্নেহ। পত্র মারফত জানতে পারলাম সাম্প্রতিক সময়ে তুমি ফেসবুক ব্যবহার করা আরম্ভ করেছো। এজন্য তোমাকে এ বিষয়ে কিছু জানানো প্রয়োজন মনে করছি। বর্তমান সময়ে বিশ্বের তুমুল জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুকের উত্তর হয়েছে। বর্তমান সময়ে বিশ্বের বিপুল সংখ্যক জনগন ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুক ব্যবহার কারীদের মধ্যে দেশের রাজনীতিক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, নাট্যকারসহ বিভিন্ন পেশা ও স্তরের মানুষ রয়েছে। ফেসবুকের বদৌলতে সহজেই বন্ধুত্ব হচ্ছে, প্রেম হচ্ছে এমনকি বিবাহও হচ্ছে। ফেসবুকের কল্যানে আমরা বিভিন্ন রকমের সাহায্য পেতে পারি। বিভিন্ন সময়ে রক্তের অনুসন্ধান, পুলিশি সহায়তা ইত্যাদি বিষয়ে আমরা ফেসবুকের সাহায্য পেয়ে থাকি।
ফেসবুক বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বকে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দেওয়ার কারনে এর কতিপয় কুফলও রয়েছে। বর্তমানে ফেসবুক আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করছে। বিভিন্ন রকমের অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ জিনিস ফেসবুকের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করছে। অনেকে এর মাধ্যমে মিথ্যা ব্যবসা করে সাধারণ মানুষকে যৌন হয়রানি করছে। এ ছাড়াও এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মীয় অবমাননা করও রাষ্ট্রবিরোধী কথাবার্তা প্রচার করা হয়ে থাকে।
ফেসবুক ব্যবহারে তোমাকে অবশ্যই কৌশলী হতে হবে এবং এর কুফল হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। আজ আর বিশেষ কিছু লিখবো না। নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিও।
ইতি
সোহাগ
তারিখঃ ১৭.০৮.২০১৮
সম্পাদক
দৈনিক জনকণ্ঠ
৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা ১২১৫।
বিষয়ঃ সংযুক্ত পত্রটি প্রকাশের জন্য আবেদন।
জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত, দৈনিক জনকণ্ঠ' পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে নিম্নলিখিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে বাধিত করবেন।
বিনীত
মোঃ ফাইদ ইসলাম
জাহাঙ্গীরনগর হাউজিং সোসাইটি, সাভার, ঢাকা।
ট্রাফিক আইন মেনে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ।
সড়ক দুর্ঘটনা বাংলাদেশের একটি নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। প্রতিদিন খবরের কাগজের পৃষ্ঠা উল্টালেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। এই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য গাড়ির চালক, পথচারী এবং গাড়ির মালিকদের পাশাপাশি জনসাধারণ যদি নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো মেনে চলে তাহলে এই দুর্ঘটনার হার অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
- ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না।
- রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস, রোড পার্মিট ও ইন্সুরেন্স সাথে নিয়ে বের হবেন।
- মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়ে মাথায় হেলমেট পরিধান করবেন।
- ডানে বামে দিক পরিবর্তনে সংকেত দিবেন।
- যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করবেন না।
- নেশা বা মদ্য পান অবস্থায় গাড়ি চালাবেন না।
- ধৈর্য্য ও মনোযোগের সাথে গাড়ি চালাবেন।
- হাইড্রোলিক হর্ণ বর্জন করুন।
- গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইলে কথা বলা হতে বিরত থাকুন।
- অতিরিক্ত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাবেন না। টার্নিং-এ ওভারটেকিং করবেন না।
- সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।
- চোখে ঘুম নিয়ে অথবা অসুস্থ, ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালাবেন না।
- একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাবেন না।
- যদি যাত্রী হউন অন্যমনস্ক হয়ে বা মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তায় হাঁটা বা রাস্তা অতিক্রম করবেন না।
- রাস্তা পারাপার কিংবা গাড়িতে উঠা অবস্থায় অথবা নামাজের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
- অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই গাড়িতে কিংবা গাড়ির ছাদে ভ্রমণ করবেন না।
যদি মালিক হউন
- ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া চালক নিয়োগ দিবেন না।
- এক চালক দিয়ে একটানা ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাবেন না ।
- যাত্রীবাহী গাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখুন।
- রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস, রোড পার্মিট ও ইন্সুরেন্স বিহীন গাড়ি রাস্তায় নামাবেন না।
বিনীত
মোঃ ফাইদ ইসলাম
জাহাঙ্গীরনগর হাউজিং সোসাইটি, সাভার, ঢাকা ।
১৫.০১. ২০১৯
সদর রোড, বরিশাল
প্রিয় সানজিদা
আমার সালাম নিও। আশা করি ভালো আছো। আমিও ভালো আছি। গতকাল তোমার চিঠি পেয়েছি। তুমি আমার কক্সবাজার ভ্রমণ সম্পর্কে জানতে চেয়েছো। আমিও তোমাকে আমার ভ্রমণ সম্পর্কে জানাতে খুবই আগ্রহী।
কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি পর্যটন শহর। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। কক্সবাজার চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫২ কি. মি. দক্ষিণে অবস্থিত এবং ঢাকা থেকে এর দূরত্ব ৪১৪ কি. মি.। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি. মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। তুমি জেনে খুশি হবে যে, বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। বিধাতা যেন বাংলার সব রূপ ঢেলে দিয়েছেন বালুর আঁচলে। সমুদ্র সৈকতে প্রবেশ করতেই কানে ভেসে আসে সাগরের উত্তাল গর্জন। সাগরের বুকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের যে মোহনীয় আবেশ তা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দুর্বার বেগে আকর্ষন করে। বালুচরে অনেক সময় দেখা যায় লাল রঙের রাজ কাকড়া। গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে জেলেদের ফিরে আসার দৃশ্য সত্যিই জ্যাক অপরূপ। পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে হোটেল, মোটেল, কটেজ ইত্যাদি। পর্যটকদের জন্য রয়েছে ঝিনুক মার্কেট, বার্মিজ মার্কেট ইত্যাদি। এখানে আরো রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অনেকগুলো পয়েন্ট রয়েছে, সেগুলো হলো লাবনী পয়েন্ট, সী ইন পয়েন্ট, কলাবতী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, বালিকা মাদ্রাসা পয়েন্ট এবং Solt ডায়বেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট। এখানে বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, সারি সারি ঝাউবন ও সাগরের আছড়ে পড়া বিশাল ঢেউ দেখা যায় ৷ এখানকার প্যাগোডা গুলো খুবই দর্শনীয়। এখানে একটি আবহাওয়া অফিস, একটি বাতিঘর এবং রাখাইন, মারমা সহ অনেক উপজাতির বসবাস রয়েছে। বিশ্বের দীর্ঘতম এ সমুদ্র সৈকত চিত্ত বিনোদনের অন্যতম প্রাণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এখানে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য রয়েছে স্পিড বোট, বিচ বাইক, ওয়াটার স্কুটার, আকাশে উড়ে বেড়ানোর জন্য প্যারাসুট ইত্যাদি। এছাড়াও বিশেষ দিনগুলোতে কনসার্ট ও খেলাধুলার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে । তুমি আমাদের দেশে আসলে অবশ্যই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণের জন্য নিমন্ত্রণ রইলো ।
ছোটদের আমার স্নেহ দিও আর বড়দের প্রতি রইলো সালাম। তোমার অবস্থা জানিও। বিশেষ আরকি?
ইতি
তোমার বন্ধু
শাওন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!