ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসাগরের তলদেশের প্লেট সীমানা বরাবর একটি বিশেষ আকৃতির ভূমিরূপ রয়েছে।
উক্ত ভূমিরূপটি নিরক্ষরেখা বরাবর রোমনসে খাদ দ্বারা বিভক্ত।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

তটদেশীয় অঞ্চলের পর হতে মহীসোপানের প্রান্ত পর্যন্ত অঞ্চলকে ঝিনুক অঞ্চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পানি ছাড়া জীবজগতের অস্তিত্ব সম্ভব নয়, তাই জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীবজগতের ওপর পানিচক্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পানিচক্রের প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় সূর্যের তাপশক্তি দ্বারা। বাষ্পীভবন ও বর্ষণ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীজগতের ওপর প্রভাব রাখে। তাই বলা যায়, জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিশেষ আকৃতির ভূমিরূপটি হলো মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা। আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশের এ ভূমিরূপটির গঠন বৈচিত্র্যপূর্ণ।
আটলান্টিক মহাসাগরের বৈচিত্র্যপূর্ণ ভূমিরূপ হলো মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা। এ শৈলশিরা ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লেট সীমানা। ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যবর্তী আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশের প্লেট সীমানা বরাবর এ বিশেষ শ্রেণির ভূমিরূপ গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ প্লেট সীমানা বরাবর ইউরোপ ও আফ্রিকা প্লেট দুটি থেকে উত্তর দক্ষিণ আমেরিকা প্লেট বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এক সময় এ সীমানা বরাবর আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝামাঝি দিয়ে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃতি সুদীর্ঘ ফাটল দিক এবং এ ফাটল ছিল ভূঅভ্যন্তরীণ পদার্থসমূহ উপরে উঠে এবং সঞ্চিত হয়ে মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরার সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ভূমিরূপটি হলো মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা। নিচে এ শৈলশিরার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো-
এ শৈলশিরা নিরক্ষরেখা বরাবর রোমানস খাতে বিভক্ত। এ শৈলশিরা আটলান্টিকের মধ্যভাগে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত। নিরক্ষরেখার উত্তরে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত শৈলশিরা হলো ডলফিন শৈলশিরা এবং নিরক্ষরেখার দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত শৈলশিরাকে চ্যালেঞ্জার শৈলশিরা বলে। ডলফিন শৈলশিরার

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
81

Related Question

View All
উত্তরঃ

মহাদেশসমূহের বাইরে সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশের দিকে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশই মহীসোপান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
197
উত্তরঃ

সমুদ্রের গভীরে গর্তসদৃশ বিষয়টি গভীর সমুদ্রখাত নামে পরিচিত। গভীর সমুদ্রের সমভূমি অঞ্চলের l

পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক পাতের সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রখাতের উদ্ভব হয় বিধায় প্রতিটি গভীর সমুদ্রখাত পাত সীমানায় অবস্থিত। এ পাত সীমানায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি অধিক হয় বলেই এসব খাত সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
108
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত যার ভূমিরূপ বৈচিত্র্যপূর্ণ।
বঙ্গোপসাগরের মহীঢাল এলাকায় খাড়া ঢাল বিশিষ্ট অবস্থানজনিত একটি গভীর নিমগ্ন খাত রয়েছে। এটি প্রায় ১২ কিমি. চওড়া এবং প্রায় ১২৭০ মিটার গভীর। এছাড়া প্রচন্ড ঢেউয়ের প্রভাবে পলল মহীসোপান জমা হয়ে চরাভূমি গঠন করে।

বঙ্গোপসাগরে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামে একটি গভীর গিরিখাত; ৯০ ডিগ্রি পূর্ব শৈলশিরা, মায়ানমার ও চ্যাগোস পূর্ব উপকূলীয় সমুদ্রখাত ও কতিপয় নিমজ্জিত চরাভূমি। বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের গভীরতা সর্বত্র ২০০ মিটারের কম। দক্ষিণ-পূর্বাংশের মহীসোপান খুবই চওড়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
126
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। নিচে বঙ্গোপসাগরের তলদেশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো-

বঙ্গোপসাগরের তলদেশ নানা ধরনের সম্পদে সমৃদ্ধ। এ সাগরের তলদেশ খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধশালী। সম্প্রতি বাংলাদেশের উপকূলীয় মহীসোপান অঞ্চলে প্রাকৃতিক গ্যাস ও প্রচুর খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
সাগরের অনেক স্থানে আবার মূল্যবান লোহা, সিসা, তামা ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। মৎস্য সম্পদেও এ এলাকা সমৃদ্ধশালী। এখানকার মৎস্য সম্পদের মধ্যে লাক্ষা, রূপচান্দা, চান্দা, চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, হাঙ্গর, কোরাল, বোয়াল, ইলিশ প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও প্রচুর পরিমাণে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
160
উত্তরঃ

তটদেশীয় অঞ্চলের পর হতে মহীসোপানের প্রান্ত পর্যন্ত অঞ্চলকে ঝিনুক অঞ্চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
216
উত্তরঃ

পানি ছাড়া জীবজগতের অস্তিত্ব সম্ভব নয়, তাই জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীবজগতের ওপর পানিচক্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পানিচক্রের প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় সূর্যের তাপশক্তি দ্বারা। বাষ্পীভবন ও বর্ষণ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীজগতের ওপর প্রভাব রাখে। তাই বলা যায়, জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
127
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews