ইতিহাসের এক বীর চরিত্র মহীশূরের টিপু সুলতান। ইংরেজদের বিরুদ্ধে টিপু যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছেন। চতুর ইংরেজ টিপুর দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতিকে হাত করেছিল। এই সেনাপতি গোপনে টিপুর সব খবর ইংরেজদের কাছে পৌঁছে দিত। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা দুর্গে প্রবেশ করে। নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় টিপু প্রাণ হারান।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

লুৎফুন্নেসা বেগম


সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম ছিল লুৎফুন্নেসা বেগম। তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলার অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সহমর্মী সহধর্মিণী ছিলেন। সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর এবং তার মৃত্যুর পরেও লুৎফুন্নেসা বেগম তাঁর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন এবং অনেক কষ্ট সহ্য করে গেছেন। মীরজাফরের শাসনামলে তাঁকে তাঁর কন্যা উম্মে জোহরাকে নিয়ে মুর্শিদাবাদের কারাবন্দী রাখা হয়। পরবর্তীকালে মীরজাফরের পুত্র মীরণ তাঁদের ঢাকা নিয়ে এসে জিঞ্জিরার প্রাসাদে বন্দী করে রাখেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সিরাজউদ্দৌলার স্মৃতি আগলে রেখেছিলেন এবং অন্যান্য বিবাহ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বাংলার ইতিহাসে তাঁর নাম নবাবের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আনুগত্যের প্রতীক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

“শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়” – এই উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, কোনো ভালো বা কল্যাণকর কাজ শুরু করতে কিংবা সম্পন্ন করতে অহেতুক দেরি করা বিচক্ষণতার পরিচয় নয়। উপযুক্ত সময়ে কাজটি না করলে অনেক সময় সুফল থেকে বঞ্চিত হতে হয় অথবা সুযোগটি চিরতরে হারিয়ে যায়।

কারণ, সময় ও সুযোগ জীবনে বার বার আসে না। একটি ভালো কাজ করার যখন উপযুক্ত ক্ষণ থাকে, তখন তা না করলে পরবর্তীতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে কিংবা কাজটি করার আগ্রহ ও অনুকূল পরিবেশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই, বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা সময়মতো তাঁদের শুভ কর্মগুলো সম্পন্ন করেন এবং কোনো ভালো কাজ ফেলে রাখেন না, কারণ সময়ের মূল্য অপরিসীম এবং প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সেনাপতির সঙ্গে আমাদের পঠিত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা'র মীরজাফরের চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে। উভয় চরিত্রই উচ্চাভিলাষী এবং ক্ষমতালোভী হয়ে নিজ দেশের শাসকের বিরুদ্ধে বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

উদ্দীপকে মহীশূরের টিপু সুলতানের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতি ইংরেজদের প্রলোভনে পড়ে নিজ দেশের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে। সে গোপনে টিপু সুলতানের সব গুরুত্বপূর্ণ খবর ইংরেজদের কাছে পাচার করত। যুদ্ধের এক সংকটময় মুহূর্তে সে দুর্গের দরজা খুলে দিয়ে ইংরেজদের দুর্গে প্রবেশ করতে সাহায্য করে, যার ফলে টিপু সুলতানকে নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় প্রাণ দিতে হয়।

নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা'য় মীরজাফর চরিত্রটি একই ধরনের লোভ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার বশবর্তী হয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ইংরেজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। তিনিও ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়েছিলেন। পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফর নিজ সেনাদের নিষ্ক্রিয় রেখে নবাবের পতন নিশ্চিত করেন, যা উদ্দীপকের সেনাপতির দুর্গের দরজা খুলে দেওয়ার মতোই নিজ শাসকের বিরুদ্ধে এক জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত। উভয় চরিত্রই ক্ষমতা ও অর্থলিপ্সার কারণে দেশ ও জাতির চরম সর্বনাশ ডেকে এনেছে এবং তাদের বিশ্বাসঘাতকতার পথ একই সূত্রে গাঁথা।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

টিপু সুলতান এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবনের নির্মম পরিণতি একই সূত্রে গাঁথা—মন্তব্যটি যথার্থ। ইংরেজ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে স্বাধীনতা রক্ষা করতে গিয়ে তাঁদের দুজনেরই পরাজয় ও জীবনহানি ঘটেছিল নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।

উদ্দীপকে মহীশূরের বীর টিপু সুলতানের চূড়ান্ত পরাজয়ের কারণ হিসেবে তাঁরই দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতির বিশ্বাসঘাতকতাকে দেখানো হয়েছে। এই সেনাপতি গোপনে ইংরেজদের সব খবর পৌঁছে দিত এবং যুদ্ধের একপর্যায়ে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা প্রবেশ করে টিপু সুলতানের প্রাণ কেড়ে নেয়। এটি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, টিপু সুলতানের পতন তাঁরই নিজ লোকের বিশ্বাসভঙ্গের পরিণতি ছিল।

অন্যদিকে, বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার ভাগ্যও একই সূত্রে বাঁধা ছিল। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে তাঁর প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খান ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। মীরজাফরের উচ্চাভিলাষ এবং ক্ষমতার লোভের কারণে যুদ্ধের ময়দানে নবাবের বিশাল সৈন্যবাহিনী নিষ্ক্রিয় থাকে, যার ফলস্বরূপ নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও পরবর্তীতে নির্মম মৃত্যু ঘটে। উভয় ক্ষেত্রেই, দেশীয় উচ্চাভিলাষী ও স্বার্থান্বেষী সেনাপতিদের চক্রান্তের কারণে ইংরেজরা তাদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল এবং এই দুই দেশপ্রেমিক শাসককে প্রাণ হারাতে হয়েছিল।

অতএব, টিপু সুলতান এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবনের নির্মম পরিণতি যে একই সূত্রে, অর্থাৎ নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ঘটেছে, এই মন্তব্যটি সম্পূর্ণ যথার্থ ও ঐতিহাসিক সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
355

Related Question

View All
উত্তরঃ আমিনা বেগম

সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম ছিল আমিনা বেগম। তিনি ছিলেন নবাব আলীবর্দি খানের কনিষ্ঠ কন্যা এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার মাতা। মির্জা মুহাম্মদ আলী (যিনি আলীবর্দি খান নামে পরিচিত) এবং শরফুন্নিসা বেগমের পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। নবাব আলীবর্দি খান তাঁর বড় ভাই ও প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলীর সাথে ষড়যন্ত্র করে এবং ইংরেজদের সহায়তায় সিংহাসন দখল করেন। আমিনা বেগম ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় সন্তান।

আমিনা বেগম এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা পলাশীর যুদ্ধের পর মীর জাফরের হাতে কারারুদ্ধ হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তাদেরকে মুর্শিদাবাদ থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় এক নৌকাডুবির ঘটনায় আমিনা বেগম ও তাঁর বোন ঘসেটি বেগম নিহত হন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
566
উত্তরঃ

“আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে” – সৈয়দ শামসুল হকের কালজয়ী কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’-এর একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উক্তি। এটি মূলত আত্মানুসন্ধান, আত্মোপলব্ধি এবং গভীর অনুশোচনার বহিঃপ্রকাশ। এই উক্তিটির মধ্য দিয়ে ব্যক্তি বা সমষ্টিগতভাবে নিজেদের ব্যর্থতা, নিষ্ক্রিয়তা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ না করার দায় স্বীকার করা হয়েছে।

এর তাৎপর্য হলো, যখন কোনো ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে কোনো অন্যায়, শোষণ বা অবিচারের শিকার হয়, তখন এক পর্যায়ে তারা বুঝতে পারে যে তাদের এই বঞ্চনার জন্য শুধুমাত্র অত্যাচারী শাসক নয়, বরং তাদের নিজেদের নীরবতা, অনৈক্য এবং প্রতিবাদহীনতাও দায়ী। এই উক্তির মাধ্যমে সেই আত্ম-আবিষ্কারের যন্ত্রণা এবং দায়বদ্ধতার উপলব্ধি প্রকাশ পায়। এটি নিজের ভেতরের দুর্বলতা, ভীরুতা বা বিভেদকে চিহ্নিত করার একটি সাহসী পদক্ষেপ।

‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কাব্যনাট্যে এই উক্তিটি মূলত পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা ও আত্মবিস্মৃতির প্রতি ইঙ্গিত করে। এটি শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা ক্ষোভ, লজ্জা এবং সেই সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় সংকল্পকে তুলে ধরে। যখন নালিশ বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে না হয়ে নিজের বিরুদ্ধে হয়, তখন তা এক বিপ্লবী চেতনার জন্ম দেয়। কারণ, নিজের ভুল স্বীকার করার মাধ্যমেই পরিবর্তনের সূচনা হয় এবং আত্মশক্তির প্রকৃত জাগরণ ঘটে। তাই এই উক্তিটি আত্মশুদ্ধি ও ভবিষ্যতের পথচলার জন্য এক নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে, যা সমষ্টিগত মুক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষাকে জাগিয়ে তোলে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
522
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। উদ্দীপকে বর্ণিত ইতিহাসের কুটিল বাঁক, বারুদের জয়ধ্বনি, বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রজাপুঞ্জের আর্তনাদ—এ সবই সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মূল পটভূমিকে প্রতিফলিত করে।

"ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে" এবং "বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে" পঙ্‌ক্তিগুলো অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলার সেই রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ঔপনিবেশিক শক্তির (ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি) আগ্রাসী মনোভাবের প্রতি ইঙ্গিত করে, যা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের প্রধান উপজীব্য। নবাব সিরাজউদ্দৌলার সময়কালে বাংলা অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদেশি বণিকদের ঔদ্ধত্যের কারণে এক ভয়াবহ সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছিল, যেখানে বারুদের গন্ধ আর যুদ্ধের হুমকি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

এছাড়াও, "আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ" সাধারণ মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে, যা নাটকেও প্রতিফলিত হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য হলো "বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়" বাক্যটি, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মীরজাফর, ঘসেটি বেগম ও ইংরেজদের ষড়যন্ত্র এবং মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পরাজয় ও ক্ষমতাচ্যুতির ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্পষ্ট করে তোলে। উদ্দীপকের শেষ বাক্য "যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর" যেন সিরাজের করুণ পরিণতি এবং বিশ্বাসঘাতকদের চূড়ান্ত বিচারে প্রকৃতির প্রতিশোধের ইঙ্গিত বহন করে, যা নাটকের ট্র্যাজিক পরিণতিতে পরিস্ফুট হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
435
উত্তরঃ

মীর জাফরের পুত্র মীর মীরনের নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
2k
উত্তরঃ

সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করে শওকত জঙ্গকে নবাব বানানোর ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করত, তিনি দুর্বলচিত্ত ও বিলাসী হওয়ায় তাঁকে সহজেই হাতের পুতুল করে রাখা যাবে। এর ফলে তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারবে এবং নবাবের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে।

মীরজাফর, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ প্রমুখ সিরাজবিরোধী শক্তি শওকত জঙ্গকে নবাব পদে বসিয়ে নিজেদের ক্ষমতা ও বিত্তের লোভ পূরণের সুযোগ দেখেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে শওকত জঙ্গের মাধ্যমে তারা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে দেশীয় রাজনীতি ও অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারবে, যা তাদের সকল গোপন উদ্দেশ্য পূরণের মূল চাবিকাঠি ছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews