ইতিহাসের শিক্ষক আমজাদ হোসেন শিক্ষার্থীদের মধ্যযুগের মুসলমানদের ধর্মীয় রীতি-নীতি ও আচার অনুষ্ঠান কীরূপ ছিল তা রেখাচিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করতে বললেন। সুমি নামে একজন ছাত্রী রেখাচিত্রের মাধ্যমে তা উপস্থাপন করে। রেখাচিত্রটি নিম্নরূপ-

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অক্ষরজ্ঞান ও পরে ব্যাকরণ শিক্ষা দেওয়া হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বর্তমান সময়ের মতো মধ্যযুগেও মুসলমানগণ কতগুলো উৎসব পালন করত। যেমন- 'আকিকা প্রদান'। এটি মুসলমান নবজাতক শিশুর নামকরণকে কেন্দ্র করে পালন করা হতো। 'খতনা' মুসলিম সমাজের একটি পরিচিত সামাজিক প্রথা ছিল। বিবাহ মুসলমান সমাজের একটি বিশেষ উৎসব মুখর অনুষ্ঠান। নবদম্পতির জন্য বাসর শয্যার ব্যবস্থা করা হতো। বাংলার মুসলমান সমাজে বাল্যবিবাহ ও বিধবা বিবাহেরও প্রচলন ছিল। মৃতের সৎকারের জন্য কিছু ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি-নীতি পালন করা হতো এবং আত্মার শান্তির জন্য কুরআন পাঠ ও মিলাদ পড়া হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সুমির উত্তরের সাথে মধ্যযুগের ধর্মীয় রীতি-নীতি ও আচার- অনুষ্ঠানের মিল লক্ষ করা যায়।

মধ্যযুগের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও রীতি-নীতির দিকে তাকালে আমরা দেখি যে, ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আজহা মুসলমান সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালিত হতো। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজান মাসে রোজাব্রত পালন করতেন। এদিক থেকে বিচার করলে দেখা যায়, সুমি যে সকল ধর্মীয় রীতি-নীতি ও আচার-অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করেছে তা মধ্যযুগের মুসলমানদের ধর্মীয় রীতি-নীতি ও আচার-অনুষ্ঠানের সাথে সংগতিপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগের মুসলমানদের উৎসবাদির সাথে মিল থাকলেও বিজয়ের উত্তরের মধ্যে মধ্যযুগের মুসলমানদের সকল ধর্মীয় রীতি-নীতি ও আচার- অনুষ্ঠান ফুটে ওঠেনি। উদ্দীপকে ঈদ-উল-ফিতর, ঈদ-উল-আজহা ও রোজার কথা উল্লেখ করা হলেও মুসলমানদের অনেক রীতি-নীতি ও আচার অনুষ্ঠানের উল্লেখ করা হয়নি।

মধ্যযুগের মুসলমানেরা শব-ই-বরাতের রাত্রে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে রাত্রি কাটাতেন। বিশেষ আড়ম্বরের সাথে মুসলমানেরা নবির (স) জন্মদিন পালন করতেন। বর্তমান সময়ের ন্যায় মধ্যযুগেও মহররম উৎসব পালিত হতো। এ উদ্দেশ্যে শিয়ারা তাজিয়া তৈরি করত। মহররমের চন্দ্র উদয়কে মুসলমানেরা আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে বরণ করত।

পরিশেষে বলা যায়, সুমির প্রদত্ত তালিকায় এ উৎসবগুলোর উল্লেখ না থাকায় তা পরিপূর্ণ হয়নি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
120

সেন বংশের পতন এবং ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির বঙ্গ বিজয়ের মাধ্যমে বাংলার রাজক্ষমতা মুসলমানদের অধিকারে আসে । ফলে বাংলায় মধ্যযুগের সূচনা ঘটে। মুসলমানদের আগমনের পূর্বে বাংলায় বাস করত হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষ । এগারো শতক থেকে বাংলায় ইসলাম ধর্ম প্রচার করার জন্য সুফি সাধকগণ আসতে থাকেন । বাংলার সাধারণ হিন্দু ও বৌদ্ধদের অনেকে এ সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে । এভাবে ধীরে ধীরে বাংলায় একটি মুসলমান সমাজ কাঠামো গড়ে উঠতে থাকে । এ যুগে বাংলায় হিন্দু আর মুসলমান পাশাপাশি বাস করছিল । ফলে একে অন্যের চিন্তা-ভাবনা ও আচার-আচরণের মিশ্রণ ঘটতে থাকে । এভাবে বাংলায় যে সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল, তাকেই বলা হয় বাঙালি সংস্কৃতি ।

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  •  মধ্যযুগে বাংলার আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনে সুলতান ও মুঘল শাসকগণের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলার ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার এবং স্থাপত্য ও চিত্রকলার বিকাশে সুলতান ও মুঘল শাসকগণের অবদান মূল্যায়ন করতে পারব;
  • মধ্যযুগে সুলতানি ও মুঘল শাসনামলে বাংলার ধর্মীয় অবস্থা বর্ণনা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশে সুলতান ও মুঘল শাসকগণের অবদান চিহ্নিত করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলায় মুসলমানদের আগমনের ফলে বাঙালি জীবনপ্রণালি ও চিন্তাধারার ইতিবাচক পরিবর্তনসমূহ উপলব্ধিতে সক্ষম হব;
  • সুলতানি ও মুঘল আমলের অবদান ও স্থাপত্য নিদর্শনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে পরিদর্শনে আগ্রহী হব।
     

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলার মাটিতে কৃষিজাত দ্রব্যের প্রাচুর্য ছিল। বাংলার কৃষিভূমি অস্বাভাবিক উর্বর হওয়ায় এখানে ধান, গম, পাট, আদা, পিঁয়াজ, তেল, সরিষা, পান, সুপারি, রেশম, ডাল, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হতো। ফলে উদ্বৃত্ত বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হতো। এর ফলে বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটেছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
907
উত্তরঃ

রেজা সাহেবের বাড়ির খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে বাংলার সুলতানি আমলের মিল রয়েছে।

সুলতানি আমলে বাংলার অভিজাতরা ভোজনবিলাসী ছিলেন। তাদের খাদ্য তালিকায় ছিল মাছ, মাংস, শাক, সবজি, দুধ, দধি, ঘৃত, ক্ষীর ইত্যাদি। এছাড়াও তাদের খাদ্য তালিকায় আচারের নামও পাওয়া যায়। এসব খাবারের পাশাপাশি কাবাব, রেজালা, কোর্মা আর ঘিয়ে রান্না করা যাবতীয় মুখরোচক খাবার জায়গা করে নেয়। খাদ্য হিসেবে রুটির কথাও পাওয়া যায়। খিচুড়ি ছিল তখনকার সমাজের প্রধান খাদ্য।

উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে, রেজা সাহেব গত সপ্তাহে তার মেয়ের জন্মদিনে পোলাও, কাবাব, রেজালা ও মিষ্টির আয়োজন করেন। এ খাবারগুলোর সাথে বাংলার সুলতানি আমলের খাওয়া-দাওয়ার মিল বিদ্যমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
523
উত্তরঃ

রেজা সাহেবের অর্থনৈতিক অবস্থা সুলতানি আমলের চেয়ে সমৃদ্ধ ছিল না বলে আমি মনে করি।

সুলতানি আমলে বাংলায় অনেক কৃষিপণ্য উৎপন্ন হতো। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ধান, গম, পাট, রেশম, হলুদ, শশা, পিঁয়াজ, তুলা, আদা, জোয়ার, তিল, পান, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। ফলে উদ্বৃত্ত দ্রব্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হতো। এছাড়াও বস্ত্রশিল্পে বাংলার অগ্রগতি ছিল সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এখানকার নির্মিত বস্ত্রগুলো গুণ ও মানের বিচারে যথেষ্ট উন্নত ছিল বিধায় বিদেশে এগুলোর প্রচুর চাহিদা ছিল। এদেশের মসলিন কাপড়ের প্রচুর চাহিদা ছিল ইউরোপের বাজারে।

এছাড়া সুলতানি আমলে বাংলার রপ্তানি পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, সুতি কাপড়, রেশমি বস্ত্র, চিনি, গুড়, আদা, লঙ্কা, লবণ, নানা প্রকার মসলা, আফিম, ঔষধ ইত্যাদি। বাংলায় আমদানি করা হতো স্বর্ণ, রৌপ্য ও মূল্যবান পাথর। ফলে রপ্তানি বেশি হওয়ার কারণে বাংলার অর্থনৈতিক প্রাচুর্য বজায় ছিল সুলতানি আমলে।

উদ্দীপকের রেজা সাহেবের আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের পরিমাণ খুবই স্বল্প। তাই একথা বলা যায় যে, রেজা সাহেবের অর্থনৈতিক অবস্থার চেয়ে সুলতানি আমলের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও সমৃদ্ধ ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
417
উত্তরঃ

বাংলার বহু স্থানে আজও মুঘল শাসকদের শিল্প প্রীতির নিদর্শন রয়েছে। তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় বহু সংখ্যক মসজিদ, সমাধি ভবন, স্মৃতিসৌধ, মাজার, দুর্গ, স্তম্ভ ও তোরণ নির্মিত হয়েছিল। ফলে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য মধ্য যুগকে মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews