ইদানীংকালে পত্রপত্রিকায় ছিনতাইয়ের এবং নানা অপরাধমূলক কার্যকলাপের যে বর্ণনা দেওয়া হয় তাতে লক্ষ করা যায় বেশিরভাগ অপরাধীর বয়স ১৪-১৬ বছর। এরা সহজে মানুষের বাসাবাড়িতে বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি কিংবা গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার জন্য প্রবেশ করে নানা অপরাধ সংঘটিত করে। এছাড়াও এরা মাদকদ্রব্য সেবনসহ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিনতাই করে থাকে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সীদের কাজে নিয়োগ করা যাবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যদি কোনো নারী বা শিশুকে অবৈধভাবে সংগ্রহ, অপহরণ কিংবা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে প্রতারণা, বলপ্রয়োগ অথবা অন্যকোনো কৌশলের মাধ্যমে দেশের ভিতরে বা বাইরে স্থানান্তর করা হয় তবে তাকে মানব পাচার বলে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র আর্থিক মুনাফার লোভে এ হীন কাজ করে থাকে। পাচারকৃত নারী ও শিশুকে পতিতাবৃত্তি এবং অন্যান্য ধরনের কাজে যৌন শোষণ, বলপূর্বক শ্রম, সেবা, দাসত্ব, শারীরিক অঙ্গহানিসহ নানাভাবে অমানবিক নির্যাতন ও শোষণের শিকার হতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে ধারণার প্রতিচ্ছবি প্রকাশিত হয়েছে পাঠ্যপুস্তকের আলোকে তাকে আমরা কিশোর অপরাধ বলতে পারি।

বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তার কম বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ প্রায় ৬০ মিলিয়ন। বিভিন্ন গবেষণা, পত্রপত্রিকার খবর এবং বাস্তব চিত্র অনুযায়ী দেখা যায়, এ শিশুদের মধ্যে বিশেষ করে যারা শহরে বসবাস করে তাদের বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে। কিশোর অপরাধ প্রতিটি সমাজের জন্য একটি উদ্বেগজনক সমস্যা। সামাজিক পরিবেশ, মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত হয়ে খারাপ সঙ্গ এবং পাচারকারী ও বিভিন্ন ধরনের অপব্যবহারকারীদের সঙ্গী হয়ে শিশু-কিশোর অপরাধী হয়ে ওঠে। বঞ্চিত এবং অবহেলিত শিশু এবং কিশোররা সহজেই এ ধরনের অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ে। কাউকে পরোয়া না করা, বিচক্ষণতার অভাব, উদ্যম, শারীরিক শক্তি এবং টিকে থাকার ক্ষমতা ও দুঃসাহসিক প্রকৃতির কারণে কিশোররা অপরাধ এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে যুক্ত হয়। পারিবারিক অভাব- অনটন, দরিদ্রতা, শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত এবং বাবা-মার দায়িত্বহীন আচরণ ও নিয়ন্ত্রণের অভাবে শহরের বস্তিতে বসবাসকারী কিশোররা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে বেশি জড়িয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কিশোর অপরাধ দমনে আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতিফলন ঘটেছে। কিশোর অপরাধের বিচার ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদেরকে সাজা দেওয়া নয় বরং তারা যেন তাদের ভুলগুলো উপলব্ধি করে এবং সংশোধন হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশ শিশু আইন ১৯৭৪ কিশোর অপরাধ বিচারের মূল আইন হিসেবে ধরা হয়। এ আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী কিশোর অপরাধের বিচারে কিশোর আদালত গঠন, কিশোরদের জন্য আলাদা হাজত বা আটক স্থান এবং কিশোর সংশোধনের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। এছাড়া এ আইন অনুযায়ী বলা হয়, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য।। কর্মকর্তাদের নিয়েই শিশু আদালত গঠিত হবে। এ আদালত প্রতিমাসে ২ থেকে ৩ বার কিংবা তার অধিক বসবে। আইনে বলা হয়, কিশোর হাজত সাধারণ হাজত থেকে ভিন্নতর হবে। কিছু কিছু অপরাধ খতিয়ে দেখতে বিচারের শুনানি এবং নিষ্পত্তির জন্য কিশোরদের প্রায়শই আটকে রাখার প্রয়োজন হয়। এসময় তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আটক শিশুকে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং শিশুর চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে অপরাধ সংঘটনের কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন। তদন্ত কর্মকর্তারা বিচার-বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে এবং অভিভাবকদের তথ্য অনুযায়ী আদালতে রিপোের্ট পেশ করবেন। কিশোর হাজতে আটক অবস্থায় তাদেরকে বিভিন্নভাবে সংশোধনমূলক কর্মকাণ্ডে এবং খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এছাড়া আইন অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তাকে কিশোর অপরাধীর সদাচরণ এবং পিতামাতা বা অন্য অভিভাবকদের নিরাপত্তায় ও যত্নে থাকবে, এ অনুযায়ী জামিনের জন্য আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
87

Related Question

View All
উত্তরঃ

এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, যার পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency Virus) ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
275
উত্তরঃ

এইডস হচ্ছে এমন একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাধি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এইডস রোগটি ছড়ানোর বিভিন্ন উপায় থাকলেও এর অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে যৌন মিলন। অর্থাৎ এইচআইভি সংক্রমিত পুরুষ বা মহিলার সাথে যৌন মিলনে এ রোগ ছড়াতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
267
উত্তরঃ

ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হলেন যে, রিমির মা এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস। এ ভাইরাসের পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency virus) সংক্ষেপে এইচ আইভি (HIV)। এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের নিজস্ব, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এ ভাইরাস অনেকদিন পর্যন্ত শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। সাধারণত এর সুপ্তিকাল ৬-৭ মাস। উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পিতার ছয় মাস পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে এইডস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করেন। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। যদি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারও দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায় তবেই তাকে এইচআইভি পজিটিভ বলা হয়। এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। যা ব্যক্তির অনিবার্য পরিণতি অকাল মৃত্যু। তাই বলা যায়, রিমির মায়ের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি এইডস রোগে আক্রান্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
250
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পরিবারের সমস্যা মোকাবিলায় 'নির্মল হাসি' সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়, মানবিক ও সময়োপযোগী।

এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা অনুচিত। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে 'নির্মল হাসি' উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম প্রশংসনীয়। রিমির বাবা সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতাবোধ করলে দেশে ফিরে আসেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর ছয় মাস পর তার মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্মল হাসি নামক উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার তাকে এইডস রোগে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করলে পরিবারটি বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত হয়। এ সমস্যা প্রতিরোধে নির্মল হাসি সংস্থা পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ায় এবং- নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন- সামাজিক ও মানসিক সমর্থনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রোগীর প্রতি সমাজের অন্যান্যদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থন আদায়ে প্রচেষ্টা চালায়। রোগীর সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে রোগীর মনকে প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করে। রোগীকে সবার কাছ থেকে আলাদা না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপদেশ দেয় এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখে।

তাই বলা যায়, এইডস রোগীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো মোকাবিলায় নির্মল হাসি সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রশংসার দাবিদার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
265
উত্তরঃ

বাংলাদেশে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। গাড়ি চালানোর জন্য যেসব আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না। এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব চালকদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের, যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
634
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews