ইমরান স্যার শ্রেণিতে পড়ানোর সময় ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা নিশ্চয় লক্ষ করে থাকবে, বড় একটি হাঁড়িতে পায়েস যেভাবে ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে উপরের স্তরটি কঠিন আবরণ ধারণ করে পৃথিবীও এভাবে ক্রমান্বয়ে শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করেছে, যার নিচের অংশ এখনও উত্তপ্ত।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বরেন্দ্রভূমির আয়তন ৯,২৮৮ বর্গকিমি.।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ভঙ্গিল পর্বতমালা থেকে সৃষ্টি হওয়ার কারণে এটি ভাঁজগ্রস্ত হয়েছে।
টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় উক্ত ভাঁজ আকৃতির ভূমিরূপ দেখা যায়। আমরা জানি, হিমালয় পর্বত ভাঁজের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে। এ পর্বতের নিচের দিকে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের দিকে এসে ভাঁজের সৃষ্টি করেছে। এ কারণে বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ ভাঁজগ্রস্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়ের সাথে পৃথিবীর ভূত্বক অংশের ব্যাপক মিল রয়েছে।

পৃথিবীর উপরের পৃষ্ঠের নাম হলো ভূত্বক। পৃথিবী শুরুতে ছিল একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড এবং কোটি কোটি বছর ধরে বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন। পৃথিবীর উৎপত্তির সময় বাইরের দিকে হালকা গ্যাস তারপর লবণ জাতীয় পদার্থের গ্যাস এবং একেবারে ভেতরের দিকে ভারী লৌহ জাতীয় পদার্থের গ্যাস ছিল। এরপর উত্তপ্ত বায়বীয় পৃথিবী ক্রমশ তাপ বিকিরণ করে শীতল হতে থাকে। তাপ বিকিরণের ফলে একটির পর একটি খনিজ পদার্থ দানা বেঁধে তরল পদার্থ হতে পৃথক হতে থাকে। দানাগুলোর ঘনত্ব অধিক বলে এরা উৎপত্তির সঙ্গে সঙ্গে নিমজ্জিত হতে থাকে ও অভ্যন্তরীণ উত্তাপের দরুন পুনরায় সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক দ্রবীভূত হয়। এ প্রকারে অভ্যন্তরীণ তাপ কিছুটা কমে যায়। এরূপে একটির পর একটি পদার্থ বা স্তর উপরিভাগে সৃষ্টি হয়ে নিচে চলে যায় ও সেখানকার তাপ হ্রাস পায়। এভাবে উক্ত প্রক্রিয়া বহুবার চলার ফলে উপরের দিকে শীতল ও কঠিন আবরণের সৃষ্টি হয় যা ভূত্বক নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পৃথিবীর অভ্যন্তরের উত্তপ্ত অবস্থার কথা বলা হয়েছে।
পৃথিবী প্রথম অবস্থায় জ্বলন্ত আগুনের মতো ছিল। প্রায় ৫০০ কোটি বছর ধরে তাপ বিকিরণ করে তা ঠান্ডা হলেও এর অভ্যন্তর ভাগ এখনও উত্তপ্ত রয়েছে। ভূত্বকের শিলা আবরণ তাপের উপযুক্ত বাহক নয় বলে ভূঅভ্যন্তর ভাগ শীতল হতে পারেনি। পৃথিবীর উপরিস্থিত বস্তুর প্রচন্ড চাপের দরুনও ভূঅভ্যন্তরে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হতে পারে। তেজস্ক্রিয় পদার্থের তেজস্ক্রিয়তার ফলেও তাপের সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর সৃষ্টি হতে এ পর্যন্ত তেজস্ক্রিয় পদার্থের দ্বারা প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়েছে। তাই ভূঅভ্যন্তরে প্রচুর তাপ থাকাই স্বাভাবিক। পৃথিবীর বিভিন্ন গভীরতায় উত্তাপের প্রকৃত পরিমাণ মাপা সম্ভব নয়। কারণ অভ্যন্তরে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। তবে খনির গভীরতায় প্রাপ্ত তাপ হতে কিছুটা নির্ণয় করা সম্ভব। খনির অভ্যন্তরে প্রতি ৩০ মিটার গভীরতায় ১০ সেন্ট্রিগ্রেড উত্তাপ বৃদ্ধি পায়। পৃথিবীর অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্তরে উত্তাপ সম্বন্ধে বিভিন্ন বিজ্ঞানী বিভিন্ন সময়ে যে তত্ত্ব ও তথ্য পেশ করেছেন তা প্রায় একই ধরনের। তাঁরা সকলে একমত যে, ভূপৃষ্ঠ হতে কেন্দ্রের দিকে তাপ ক্রমশ বেশি। তাই স্থানভেদে তাপমাত্রার ব্যবধান প্রতীয়মান হয়।

সুতরাং বলা যায়, পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগে বিভিন্ন প্রকার খনিজ পদার্থ, তেজস্ক্রিয় মৌল এবং অন্যান্য পদার্থের ভিন্নতা ও চাপ প্রভৃতির কারণে - এর অভ্যন্তরভাগের উষ্ণতার ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
31

Related Question

View All
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
198
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ভূপ্রকৃতিটি হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।

রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পাহাড়ী এলাকাগুলো নিয়ে টারশিয়ারি অঞ্চল গঠিত। সম্ভবত টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় মিয়ানমারের দিক হতে আগত গিরিজনি আলোড়নের ধাক্কায় ভাঁজগ্রস্ত হয়ে এসব পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে। তাই এদের টারশিয়ারি পাহাড় বলা হয়। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মায়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ী অঞ্চলের আয়তন ১০,৩২৪ বর্গ কি.মি.। এ পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। পাহাড়গুলোর গায়ে
ক্ষুদ্র-বৃহৎ বৃক্ষরাজির বন এবং অসংখ্য ঝোপজঙ্গল রয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বিচ্ছিন্ন ছোট-বড় পাহাড় নিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল অবস্থিত। যা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর এ অঞ্চলটি দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
152
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক', 'খ' ও 'গ' ভূপ্রকৃতি হলো যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল। এদের মধ্যে সাম্পতিক কালের প্লাবন সমভূমির ভূপ্রকৃতি সর্বাধিক।টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত। সমুদ্র সমতল থেকে বাকি অঞ্চলগুলো যেমন- দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার এবং নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার। এই অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে আছে। এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওর বলে। এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওরসমূহ বর্ষার পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে হ্রদের আকার ধারণ করে। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভুমি খুবই উর্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
151
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে সুউচ্চ শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
132
উত্তরঃ

ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের স্থানচ্যুতি ঘটে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কখনো নিম্নগামী হয়।
চ্যুতি বরাবর ঊর্ধ্বগামী শিলাস্তূপকে স্তূপ পর্বত বলে। এ ধরনের পর্বতের অন্তত একপাশে উঁচু কোণবিশিষ্ট স্বাভাবিক চ্যুতি থাকে। ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, ভোজ, নীলগিরি ও আন্ন্যামালি এ পর্বতের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
184
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews