ইশান, আবিদ ও দিয়াত তিন বন্ধু। তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করছিল। আরিফ বলল, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সমঝোতার কোনো উদ্যোগ নেই। এক দলের সাথে আরেক দলের সম্পর্ক ধ্বংসাত্মক এবং তাদের মাঝে বিরাজ করে দলাদলি, হানাহানির মানসিকতা। দিয়াত বলল, শুধু যে অন্য দলের সাথে তা নয় বরং দলগুলোর অভ্যন্তরে দলীয় কোন্দল বিরাজমান। ইশান বলল, এ পরিস্থিতিতে প্রধান প্রধান দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন এবং মদিনা সনদের মতো একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যার মাধ্যমে দেশের ঐক্য, সংহতি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হবে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইসলামি রাষ্ট্রের অমুসলিম নাগরিকরা জিজিয়া প্রদান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কুরআন-সুন্নাহর মূলনীতির আলোকে মজলিশে শুরার সদস্যরা রাষ্ট্রে উদ্ভাবিত নতুন সমস্যার সমাধান প্রদান করে থাকেন। তাই তাদেরকে আইন উদ্ভাবনকারী বলা হয়। কুরআন-সুন্নাহে সব সমস্যা সমাধানের মূলনীতি দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট করে সব সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়নি। শুরা সদস্যরা যেসব সমস্যার সমাধান নেই কুরআন-সুন্নাহর আলোকে তার সমাধান বের করবেন। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে কুরআন সুন্নাহর ভিত্তিতে নতুন আইন উদ্ভাবন করেন। শুরার সব সদস্য এবং দেশের মুস্তাহিদদের উদ্ভাবিত আইনের ওপর ইজমা সম্পাদন করবেন। সর্বশেষে তারা সে আইন বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপ্রধানকে পরামর্শ দেবেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রাসুল (স)-এর মদিনায় হিজরতের পূর্বাবস্থার সাথে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থার সাদৃশ্য রয়েছে। আমাদের দেশের বর্তমান সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনে সুশৃঙ্খলার বড়ই অভাব। একদলের সাথে অন্য দলের বৈরী সম্পর্ক বিরাজমান। সুযোগ পেলেই একে অন্যের প্রতি কাদা ছোড়াছুড়ি করে। রাসুল (স) এর হিজরতের সময় মদিনায়ও এ রকম পরিস্থিতি বিদ্যমান ছিল। তৎকালীন সময়ে আউস ও খাযরাজ নামে দুটি গোত্র পরস্পর কলহ বিবাদে লিপ্ত ছিল। বাংলাদেশেও রয়েছে দলীয় ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। তখন এক গোত্র আরেক গোত্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটাত পেশিশক্তি, তীর, ধনুক, বল্লম ইত্যাদি দিয়ে। আজ বিজ্ঞানের যুগে তীর, ধনুক, বল্লম ব্যবহৃত না হলেও একই হিংসাত্মকমূলক কর্মকাণ্ডে, গুলি, বোমা ও বিভিন্ন আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। এতে প্রতীয়মান হয় যে রাসুল (স)-এর মদিনা আগমনপূর্ব অবস্থা এবং বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মদিনা সনদ রাষ্ট্রের ঐক্য, সংহতি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় পৌঁছানোর পর রাসুল (স) দ্বিধাবিভক্ত মদিনাবাসীকে ঐক্যসূত্রে আবদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তিনি সকলের মধ্যে সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণয়ন করেন ঐতিহাসিক মদিনা সনদ, যা বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে পরিগণিত। 

এ সনদে তিনি আল্লাহর আইনের ভিত্তিতে মদিনা রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করেন। এ সনদের ফলে মদিনা রাষ্ট্রে স্বৈরতন্ত্রের পরিবর্তে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। মদিনা সনদের অসামান্য মাহাত্ম্য ও অপূর্ব মননশীলতা শুধু তৎকালীন যুগেই নয়, সর্বযুগে ও সর্বকালের শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক। এ সনদে সাক্ষরকারী গোত্রগুলো অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী ঐকমত্যে পৌঁছে। এ সনদের পথ ধরেই মদিনা রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি সাধন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। এ সনদের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যথাযথরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়। সকল নাগরিক একে অন্যের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে জানতে পারে, পাশাপাশি স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয় এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই যে কোনো রাষ্ট্র সুশৃঙ্খল এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ গঠন করতে চাইলে নির্দ্বিধায় মদিনা সনদের অনুকরণ করা উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
229
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুঃখ-কষ্ট ও বিপদে-আপদে বিচলিত না হয়ে আল্লাহর ওপর ভ ভরসা রেখে দৃঢ়তার সাথে তা সহ্য করাকে সবর বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
262
উত্তরঃ

যারা রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, রাষ্ট্রপ্রদত্ত সুযোগ- সুবিধা ভোগ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তারাই নাগরিক। উৎপত্তিগত অর্থে নগরের অধিবাসীদেরই নাগরিক বলা হয়। কিন্তু আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে নাগরিক হতে হলে রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন ও কর্তব্য পালন করাও অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

রিয়াজ সাহেবের মধ্যে তাওয়াক্কুলের অভাব লক্ষণীয়। তাওয়াক্কুল শব্দের অর্থ ভরসা বা নির্ভর করা। কোনোকিছু অর্জনের জন্য চেষ্টা বা সাধনা করার পর সফলতার জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা বা নির্ভর করাকে তাওয়াক্কুল বলে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, বান্দা আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট। কিন্তু রিয়াজ সাহেবের ক্ষেত্রে তাওয়াক্কুলের অভাব লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের রিয়াজ সাহেবের ছেলে অসুস্থ হলে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে তার আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে ধৈর্যধারণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি তা না করে বলেন, ডাক্তার ছাড়া তার আর কোনো উপায় নেই। রিয়াজ সাহেবের ছেলেকে ভালো করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। যা ডাক্তার সাহেবের কথায় প্রমাণিত হয়েছে। খাঁটি মুমিন হতে হলে জীবনের সবক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতে হবে। যারা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। তাওয়াক্কুল করলে আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট' (সুরা আত-তালাক: ৩)। রোগ হলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং ওষুধ খেতে হবে। আর আল্লাহর কাছে ভালো হওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে হবে, ধৈর্যধারণ করতে হবে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে। কিন্তু রিয়াজ সাহেব তা করেননি। তাই বলা যায়, তার মধ্যে তাওয়াক্কুলের অভাব রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
311
উত্তরঃ

ডাক্তার সাহেবের উক্তিতে ইসলামি রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের অধিকারের বিষয়টি যথাযথভাবে ফুটে উঠেছে। ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিকরা যেকোনো বিষয়ে একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করবে এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাইবে। উদ্দীপকে রিয়াজ সাহেব তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বিচলিত হয়ে পড়লে ডাক্তার সাহেব তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা করুন। আমরা উসিলা মাত্র। আর একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তিরই সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের অধিকার আছে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। এখানে ডাক্তার সাহেব একজন মুমিন ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণিত হন। তিনি তার বক্তব্যে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করা এবং রিয়াজ সাহেবকে বিচলিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। ইসলামি রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের সুন্দর ও সুস্থভাবে জীবনযাপনের অধিকার আছে। আর এই সুন্দর সুস্থ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে তিনি তার দায়িত্ব পালন করছেন। কেননা ডাক্তার হিসেবে তার দায়িত্ব রোগীকে সঠিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করা। সুস্থ করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। এক্ষেত্রে তার মধ্যে কর্তব্যপরায়ণতার দিকটিও ফুটে ওঠে। তিনি নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। আর এ অধিকার পূরণে রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। ডাক্তার সাহেবের বক্তব্যে এ বিষয়টির প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
265
উত্তরঃ

অমুসলিম নাগরিকদের অধিকার বলতে ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়। ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের জান-মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা থাকবে। রাষ্ট্র তাদের স্বাধীনভাবে ধর্মকর্ম পালনের সুযোগ-সুবিধা দেবে। ধর্মের ব্যাপারে কোনো জোর-জবরদস্তি করা যাবে না। অমুসলিম নাগরিক যাতে তাদের মৌলিক প্রয়োজন যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এগুলো নিশ্চিত করতে পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়া ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
314
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews