ইসলামি অর্থব্যবস্থায় জাকাতের গুরুত্ব বিষয়ক পাঠদানের পর শ্রেণিশিক্ষক শিক্ষার্থীদের ৪টি দলে ভাগ করে জাকাতের ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করতে বললেন। শিক্ষার্থীরা ৪টি দলে বিভক্ত হয়ে নিম্নলিখিত বিষয়ে আলোচনা করে প্রত্যেক দল থেকে অর্জিত বিষয়ে একটি করে অনুচ্ছেদ লিখল।

দল-১

ধর্মীয় 

গুরুত্ব

দল-২

আধ্যাত্মি 

ক গুরুত্ব

দল-৩

সামাজিক 

গুরুত্ব

দল- ৪

অর্থনৈতি 

ক গুরুত্ব

১. ফরজ ইবাদত

২. ইসলামের বুনিয়াদ

৩. আখিরাতে সাফল্য

১. সম্পদ পবিত্রকরণ

২. আত্মশুদ্ধি

৩. তাকওয়া অর্জন

১. ভ্রাতৃত্ববোধে র উন্মেষ

২. সহানুভূতি সৃষ্টি

৩. সমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা

১. মৌলিক অধিকার পূরণ।

২. অর্থনৈতি ক বৈষম্য নির্মূল।

৩. কর্মসংস্থা নসৃষ্টি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

শত্রু কর্তৃক পরিত্যক্ত সম্পত্তি যা বিনাযুদ্ধে মুসলমানদের হস্তগত হয় তাই ফাই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হারাম উপার্জন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ইসলামি অর্থব্যবস্থা মানুষের ইবাদত কবুল হতে সাহায্য করে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা মানুষকে হারাম জীবিকা গ্রহণ থেকে রক্ষা করে। তার জীবনে হালাল জীবিকা বিপুল কল্যাণ নিয়ে আসে। এ অর্থব্যবস্থা অনুসরণে মানুষের ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুলযোগ্য হয়ে ওঠে। কেননা এর ফলে মানুষ হারাম গ্রহণের অভিশাপ থেকে মুক্ত থাকতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ২নং দল জাকাতে সম্পদ পবিত্রকরণ, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন ইত্যাদি আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামি অর্থব্যবস্থার অন্যতম মৌলিক বিষয় হলো জাকাত। জাকাত ছাড়া ইসলামি অর্থব্যবস্থা কল্পনাও করা যায় না। নিসাব পরিমাণ সম্পদ যদি কোনো ব্যক্তির মালিকানায় পূর্ণ এক বছর থাকে তাহলে শরিয়তের নির্ধারণ অনুযায়ী সে সম্পদ হতে ২.৫% হারে দান করাকে জাকাত বলে। উদ্দীপকের ২নং দলটি জাকাতের আধ্যাত্মিক দিক আলোচনা করেছে।

জাকাত মানুষের সম্পদ পবিত্র করে। কেননা ধনী ব্যক্তির সম্পদে জাকাত দরিদ্রের অধিকার। যতক্ষণ না এ অধিকার আদায় করা হয় ততক্ষণ সম্পদ অপবিত্র থাকে। মহানবি (স) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি তার সম্পদের জাকাত প্রদান করে সে তার সম্পদের দোষ দূর করে দেয়।' তাছাড়া জাকাত আত্মশুদ্ধি লাভেরও একটি মাধ্যম। জাকাত প্রদান করার ফলে ধনীদের অন্তর থেকে সম্পদের লোভ দূর হয়। এতে করে তাদের অন্তর পরিশুদ্ধ হয়। সর্বোপরি জাকাত মানুষের মধ্যে আল্লাহভীতি জাগিয়ে তুলে পাপকাজ থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকে উল্লেখিত সামাজিক গুরুত্ব ছাড়াও জাকাতের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান ও সার্বজনীন কল্যাণ সাধনের গুরুত্ব রয়েছে। ইসলাম নির্দিষ্ট কিছু মানুষের কাছে সম্পদের পাহাড় রচিত হোক সেটা কখনো পছন্দ করে না। ইসলাম ভারসাম্যপূর্ণ অর্থব্যবস্থার প্রতি গুরুত্বারোপ করে। জাকাত হলো অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার অন্যতম একটি মাধ্যম। সম্পদের ওপর নির্দিষ্ট পরিমাণে জাকাত আবশ্যক হয়। জাকাত আদায় করে গরিবদের যেমন আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করা সম্ভব তেমনি সামাজিক উন্নয়নও সম্ভব। আর উদ্দীপকের ৩য় দলটি জাকাতের সামাজিক গুরুত্ব নিয়েই আলোচনা করেছে। তাদের আলোচিত বিষয়গুলো ছাড়াও জাকাতের আরো অনেক গুরুত্ব বিদ্যমান। অর্থাভাবে বাধ্য হয়ে মানুষ অন্যায় করে, চুরি, ডাকাতি বা ছিনতাইয়ে লিপ্ত হয়। হারাম উপার্জনে আত্মনিয়োগ করে। ফলে সমাজে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়। জাকাত মানুষের কর্মসংস্থান করে, অভাব দূর করে সমাজকে নিরাপত্তা দেয়। জাকাত জাতি, ধর্ম, বর্ণ, অঞ্চল নির্বিশেষে সব মানুষের কল্যাণ সাধন করে। ধনীদের জাকাতলব্ধ অর্থ গরিবদের আর্থিক প্রয়োজন পূরণের পর যদি উদ্বৃত্ত হয় তাহলে সে অর্থে সমাজের বিভিন্ন কল্যাণমূলক ও জনহিতকর কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। কেননা জাকাত বণ্টনের অন্যতম খাত হচ্ছে 'ফি সাবিলিল্লাহ' বা আল্লাহর পথে। আর মানবকল্যাণ নিশ্চিতকারী যেকোনো কাজে অর্থ ব্যয় নিঃসন্দেহে ফি সাবিলিল্লাহ অর্থ ব্যয়। সমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠায় অর্থনৈতিক ভারসাম্য খুবই প্রয়োজন। জাকাত অর্থনৈতিক ভারসাম্য সৃষ্টি করে। তাছাড়া জাকাত ধনী-গরিবদের মধ্যেকার দূরত্ব কমিয়ে সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করে। তাই জাকাতের সামাজিক গুরুত্ব সর্বস্তরে সর্বজনীনভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
159
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
361
উত্তরঃ

দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় সুলাহা। 

তাকওয়ার দ্বিতীয় সোপান হলো এমন হালাল কথা, কাজ, বিষয় ও বস্তু বর্জনের স্তর, যে হালালের হালাল হওয়া সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। কেননা, সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন না করলে সন্দেহাতীতভাবে হারাম থেকে মুক্ত থাকা যায় না। রাসুলুল্লাহ (স) যা সন্দেহযুক্ত তা বর্জন করতে এবং যা সন্দেহযুক্ত নয় তা গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
285
উত্তরঃ

অর্থনীতিবিদ রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ইসলামি অর্থব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। এটি একটি মানবকল্যাণময় ও প্রগতিশীল অর্থব্যবস্থা। জাকাত, হালাল উপার্জন ও ইসলামি শরিয়তের অনুসরণ এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের রফিকুল ইসলাম এমন একটি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যেখানে হালাল উপার্জন এবং জাকাতের বিষয়টি বাধ্যতামূলক। তার আলোচিত অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে তা ব্যবহার করেন। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যা খুশি এব উৎপাদন করা যায় না, যেভাবে খুশি উপার্জনও করা যায় না। এ অর্থব্যবস্থায় হালাল পন্থায় উপার্জন বাধ্যতামূলক। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টননীতি অনুসরণ করা হয়। এ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো- হালাল-হারাম নির্ধারণ। সম্পদ উপার্জন, ব্যয় ও ভোগের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের নির্ধারিত সীমা- পরিসীমা মেনে চলা অত্যাবশ্যক। এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- জাকাতভিত্তিক ও সুদমুক্ত। এ অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
227
উত্তরঃ

ইবাদত কবুলের জন্য আমাদের হালাল উপার্জন করতে হবে এবং হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকতে হবে- মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের আলোকে যথার্থ। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক। তাই মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
218
উত্তরঃ

স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে বিশেষ করে অভাবগ্রস্ত ও নিঃস্ব লোকদের কিছু দান করাকে সাদাকাত বলে। সাদাকাত অর্থ হলো দান। এটি দুই প্রকার। যথা- ১. নফল বা ঐচ্ছিক সাদাকাত এবং ২. ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক সাদাকাত। অর্থাৎ বাধ্যবাধকতা ছাড়া অথবা বিশেষ শর্তসাপেক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে যে দান করা হয় তাই ওয়াজিব সাদাকাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
326
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews