উর্ধ্বমুখী বক্ররেখা আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করে।
প্রাধান্য হলো সুন্দর ও আকর্ষণীয় ডিজাইন সৃষ্টিতে শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি।
পোশাকের যে অংশে দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় তাই হচ্ছে প্রাধান্যের কেন্দ্রবিন্দু। শরীরের কাঠামোর সাথে প্রাধান্যের বিন্দু সম্পর্কযুক্ত। কেননা দেখা গেছে দেহের যে অংশ বেশি আকর্ষণীয় সে অংশেই সাধারণত প্রাধান্য আনা হয়। প্রাধান্য সৃষ্টির জন্য গাঢ় বা বিপরীত রঙের বেল্ট, বোতাম, লেস ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
রিদিতা তার ঈদের পোশাকে শিল্পের প্রাধান্য নীতিটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পেরে অনেক খুশি হয়েছে।
পোশাকের যে অংশে দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় তাই হচ্ছে প্রাধান্যের কেন্দ্রবিন্দু। শরীরের কাঠামোর সাথে প্রাধান্যের বিন্দু সম্পর্কযুক্ত। দেহের যে অংশ বেশি আকর্ষণীয় সে অংশেই প্রধান্য আনা হয়।
ঈদ উপলক্ষে রিদিতার ক্রয়কৃত পোশাকে বেল্ট, বোতাম, লেস সবই আছে। এগুলো পোশাকে প্রাধান্য সৃষ্টি করে। পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে। সাধারণত পোশাকের রং নির্বাচন করার সময় দেহের সুন্দর অংশকে প্রাধান্য দিতে হয়। এক্ষেত্রে পোশাকে উজ্জ্বল বা গাঢ় রং ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ, গাঢ় বা উজ্জ্বল রং পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে। হালকা রঙের সাথে গাঢ় রঙের ডিজাইন সৃষ্টি করেও প্রাধান্য আনা যায়। বিপরীত রং ব্যবহারে পোশাকে আকর্ষণ বাড়ে। এভাবে নানা দিক থেকে পোশাকে প্রধান্য তৈরি করলে পোশাকটি আকর্ষণীয় হয় এবং সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। একারণেই, রিদিতা তার ঈদের পোশাকে খুশি হয়েছে।
পোশাক সঠিক শিল্পনীতির প্রয়োগ ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়। রিদিতার এই ধারণাটি সঠিক।
শিল্প উপাদানগুলোর সঠিক উপায়ে ব্যবহার করার জন্য যে নীতিমালা অনুসরণ করা হয় তাদের শিল্পনীতি বলে। পোশাক তৈরিতে শিল্পের ভারসাম্য, অনুপাত, প্রাধান্য, ছন্দ ও মিল এ নীতিগুলো গুরুত্বপূর্ণ। পোশাকের নকশা নির্বাচন, আনুষঙ্গিক উপকরণ নির্বাচন, ইত্যাদি শিল্পনীতি ছাড়া কল্পনা করা যায় না।
পোশাকে শিল্পনীতির যথাযথ ব্যবহার করতে পারলে ব্যক্তিকে দেখতে যেমন সুন্দর লাগে তেমনি তার আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পায়। আকর্ষণীয় ও সুন্দর পোশাক তৈরিতে শিল্পের সবগুলো নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক দিকে বড় এবং অন্য দিকে ছোট ডিজাইন, একই উচ্চতায় একই ডিজাইনের দুটি পকেট, দূরত্ব কমানোর জন্য উজ্জ্বল রং ব্যবহার এগুলো পোশাকে ভারসাম্য রক্ষা করে। বোতামের আকারে ও রং বাছাই, দুটি বোতামের মধ্যবর্তী দূরত্ব, লেসের চওড়া ইত্যাদি অনুপাত পোশাকে মেনে চলা আবশ্যক। রং, রেখা, বিন্দু, আকার, জমিন ইত্যাদি শিল্প উপাদান পুনঃ পুনঃ ব্যবহার করে পোশাকে ছন্দ সৃষ্টি করা যেতে পারে। পোশাক তৈরির সময় আকর্ষণীয় অংশে প্রাধান্য সৃষ্টি করা যেতে পারে। এভাবে পোশাক তৈরির জন্য শিল্প উপাদানগুলো ব্যবহারের মৌলিক নীতিমালার জ্ঞান থাকা আবশ্যক। যখন ব্যক্তি নিজের জন্য সঠিক পোশাক নির্বাচন করতে পারে তখন তাকে আকর্ষণীয় মনে হয় এবং এতে তার আত্মবিশ্বাস বহুলাংশে বেড়ে যায়।
Related Question
View Allযেকোনো শিল্পের ভিত্তি হলো শিল্পনীতি।
পোশাকের কেন্দ্র স্থির রেখে যখন দুই দিকে সমদূরত্বে সমওজনের বস্তুসামগ্রী রাখা হয় তখন তাকে পোশাকের ভারসাম্য বলে।
ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উপাদান এমনভাবে বিন্যস্ত করা হয় যাতে কোনো একটি অংশ অন্যটির চেয়ে অধিক ভারি বা ক্ষমতাসম্পন্ন না হয়।
বন্যার সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা না কেনার কারণ তার দৈহিক গঠন।
গোলাকার চেহারার বন্যা উচ্চতায় কম হওয়ার কারণে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা কেনেনি। কারণ সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা লম্বা ও রোগা মানুষের জন্য উপযোগী। এতে তাদের দেহের কৃষভাব কিছুটা কম মনে হয়। এই রেখা আপাতদৃষ্টিতে কোনো কিছুর দৈর্ঘ্যকে হ্রাস এবং প্রশস্ততা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া যাদের গ্রীবা খাটো তাদের জন্য ছোট গলা বা উঁচু কলার উপযুক্ত নয়। তাদের জন্য 'ভি' বা 'ইউ' আকৃতির গলার নকশা মানানসই।
বন্যা কম উচ্চতার ও গোলাকার চেহারার অধিকারী। এ কারণে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত ও উঁচু কলার দেওয়া গলার বড় ছাপাযুক্ত জামা তার জন্য উপযোগী নয়। উপরিউক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে বন্যা সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা কেনেনি।
বন্যার পোশাক নির্বাচন সঠিক হয়েছে বলে আমি মনে করি।
দেহের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে পোশাকের প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য রুচিসম্মত পোশাক পরা উচিত।
বন্যা গোলাকার চেহারার খর্বকায় প্রকৃতির মেয়ে। সে মার্কেটে পোশাক কিনতে গিয়ে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত ও উঁচু কলার দেওয়া গলার বড় ছাপাযুক্ত দুটি জামা পছন্দ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঐ দুটি না কিনে 'ইউ' আকৃতির গলাযুক্ত খাড়া রেখার নকশাসমৃদ্ধ অন্য একটি জামা কেনে। এর কারণ হলো পোশাকে রেখা ও আকৃতির প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমান্তরাল রেখা লম্বা ও রোগা মানুষের জন্য উপযোগী। খাটো ও মোটা ব্যক্তির জন্য খাড়া রেখার নকশা উপযুক্ত। এতে তাদের খাটোভাব কিছুটা দূর হয়ে লম্বা মনে হবে এবং মোটা ব্যক্তিদের কিছুটা কম মোটা লাগবে। অপরদিকে খাটো ও মোটা মেয়েরা বড় বড় ছাপার শাড়ি বা জামা পরলে তাদের উচ্চতা আরো কম মনে হয় এবং মোটা লাগে। এদের জন্য ছোট ছোট ছাপার পোশাক উপযোগী। বন্যার মতো যাদের গ্রীবা খাটো তাদের জন্য 'ভি' বা 'ইউ' আকৃতির গলার নকশা মানানসই কিন্তু উঁচু কলার উপযুক্ত নয়।
এসকল দিক বিবেচনা করে বলা যায় যে, বন্যার 'ইউ' আকৃতির গলাযুক্ত খাড়া রেখার নকশাসমৃদ্ধ অন্য একটি জামা নির্বাচন সঠিক হয়েছে।
রং মূলত তিন প্রকার। যথা- মৌলিক, গৌণ ও প্রান্তিক রং।
পোশাকের রং নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
প্রত্যেক রঙেরই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব, দেহত্বকে উজ্জ্বলতা, দেহাকৃতির পরিবর্তন, প্রাধান্য সৃষ্টি ইত্যাদি ক্ষেত্রে রং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। তাছাড়া পোশাকে সমন্বয় রক্ষার জন্যও রং নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!