উক্ত আচরণে প্রত্যয় বড়ুয়া ইহলোক ও পরলোকে সুখ ভোগ করবে।
মানবজীবনে বন্দনার প্রভাব অপরিসীম। বন্দনার সুফল অনেক। বন্দনার মাধ্যমে হৃদয় পবিত্র হয়। পুণ্য লাভ হয়। মন শুদ্ধ হয়। অশান্ত হৃদয় শান্ত ও সংযত হয়। লোভ, দ্বেষ এবং মোহ দূর হয়। অকুশল ও অন্যায় কাজ করার বাসনা জাগে না, মিথ্যা কথা বলা থেকে নিবৃত্ত হয় এবং সত্য কথা বলতে সাহসী হয়। মনে সৎ চিন্তা আসে। ভালো কাজে উৎসাহ জাগে। ধৈর্য ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে। অপরের কল্যাণ করার ইচ্ছা জাগ্রত হয়। ভালো চরিত্রের অধিকারী হওয়া যায়। ইহলোকে এবং পরলোকে শান্তি লাভ হয়। বন্দনায় হৃদয়ে মৈত্রীভাব জাগে। তাই সুন্দর জীবন গঠনের জন্য প্রত্যহ বন্দনা করা উচিত।
Related Question
View Allজ্ঞানীগুণী ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা, সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের গুণরাশির স্তুতি করাই হচ্ছে বন্দনা।
বুদ্ধের দন্তধাতুর বন্দনাটির বাংলা অনুবাদ নিচে দেওয়া হলো-
বুদ্ধের একটি দন্ত ত্রিদশালয়ে, একটি নাগলোকে, একটি গান্ধার রাজ্যে, একটি সিংহল দ্বীপে রয়েছে। নির্বাণ রস প্রদানকারী এ চারটি মহাদন্ত নর ও দেবগণের দ্বারা পূজিত। আমিও সেই চার দন্তধাতুকে ভক্তিসহকারে বন্দনা করছি।
পিতামাতা, ভাইবোন এবং আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে বন্দনা করাকে সমবেত বন্দনা বলে।
বন্দনা শব্দের বিভিন্ন 'রকম অর্থ রয়েছে। যেমন- প্রণাম, নমস্কার, অভিবাদন, শ্রদ্ধা, ভক্তি, সম্মান প্রভৃতি। মূলত গুণী ও জ্ঞানী ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা, সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাঁদের গুণরাশি স্মরণ ও অনুকরণ করে স্তুতি করাই হচ্ছে বন্দনা। বন্দনা বৌধধর্মে নিত্যপালনীয় কর্ম।
বুদ্ধ শব্দের অর্থ মহাজ্ঞানী। তিনি ছিলেন মানব-পুত্র। তাঁকে মহামানব বলা হয়। তাছাড়া তিনি অসীম গুণরাশির অধিকারী ছিলেন। ভাই তাঁর অসীম গুণের স্তুতি বা প্রশংসা করে, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে সুন্দর জীবন গঠনের জন্য আমরা বুদ্ধদেবকে বন্দনা করে থাকি।
মানবজীবনে বন্দনার প্রভাব অপরিসীম। বন্দনার মাধ্যমে মন পবিত্র হয়। পুণ্য লাভ হয়। চিত্ত শুদ্ধ হয়। অশান্ত মন শান্ত ও সংযত হয়। লোড, দ্বেষ এবং মোহ দূরীভূত হয়। সৎচিন্তা আসে ও ধৈর্যশক্তি বৃদ্ধি পায়। সর্বোপরি, ইহলোকে ও পরলোকে সুখ লাভ হয়। তাই আমরা নিয়মিত বন্দনা করি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
