বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে আরও যেসব পরিবর্তন এসেছে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
দেশের উন্নতি সাধনের জন্য যুগোপযোগী শিক্ষা পদ্ধতি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সরকার যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানবতার বিকাশ এবং জনমুখী উন্নয়নের প্রগতিতে নেতৃত্বদানের উপযোগী মননশীল, যুক্তিবাদী, নীতিবান, নিজের ও অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরম সহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক এবং কর্মকুশল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। এ লক্ষে ২০১৫ সালের মধ্যে দেশে সর্বজনীন শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকার অনেকগুলো কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর আলোকে উপবৃত্তি প্রকল্প, তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। অসংখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তন হয়েছে অর্থাৎ, সৃজনশীল পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে দূরশিক্ষণ কার্যক্রম প্রচারের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদেরকে ঘরে বসেই বাংলাদেশের ভালো ভালো শিক্ষকের পাঠদান দেয়া সম্ভব হচ্ছে।
সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বহুবিদ গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
Related Question
View Allধাতু যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য নগরসভ্যতার উদ্ভব।
স্বামী-স্ত্রী উভয়ই যখন তাদের নিজস্ব বিশ্বাস, চিন্তা, রুচি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অটল থাকেন তখন পরিবারে এক ধরনের অশান্তি বিরাজ করে এবং তা থেকেই জন্ম নেয় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। অর্থাৎ যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্য কোনো বিষয়ে বৈপরীত্য দেখা দেয় তখন ব্যক্তিত্বের সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে। আর এই ধরনের মনোভাব স্বামী-স্ত্রীর মধ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়।
গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে উদ্দীপকের আঃ সালামের অবস্থান ধনী কৃষক শ্রেণিতে।
গ্রামীণ সমাজে সামাজিক স্তরবিন্যাসের মূল ভিত্তি হলো ভূমি মালিকানা, যার ভিত্তিতে গ্রামীণ শ্রেণি বিভাজন নিশ্চিত হয়। গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় যারা অনেক ভূ-সম্পত্তির মালিক এবং ভূমির ওপর নির্ভর করে যথেষ্ট সচ্ছলভাবে দিনযাপন করতে পারে তাদেরকে ধনী কৃষক বলে। সম্পত্তির মালিকানার জোরে তারা গ্রামীণ সমাজে প্রভাব প্রতিপত্তি খাটায়। এদের অনেকে নিজেদের পুরো জমি চাষাবাদ না করে শস্য ভাগাভাগির ভিত্তিতে বর্গাদারদের কাছে জমি বর্গা দিয়ে থাকে। আর্থিক ক্ষমতার কারণে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোতে এদের প্রভাবই সর্বাধিক।
উদ্দীপকে হাসাইল গ্রামের আঃ সালাম প্রায় ৫০ একর জমির মালিক। তিনি নিজে কৃষিকাজ না করে বর্গাদারদের মাধ্যমে জমি চাষ করান। গ্রামের সব বিচার-সালিশে তার মতামতই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য।
উপরের আলোচনা এবং আঃ সালামের গ্রামে তার যে অবস্থান তা পর্যালোচনা করলে বলা যায়, তিনি গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে ধনী কৃষক শ্রেণিভুক্ত।
উদ্দীপকের আঃ সালামের জীবনের পরিবর্তনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়টি অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান মানবজীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে সার্বিক সমাজ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে এদেশের ভূপ্রকৃতিগত অবস্থান। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেই এখানে প্রতিবছর নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, অতিবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং এর সাথে খাপখাওয়ানোর জন্য নতুন পথ, কৌশল অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যেমন- নদী ভাঙনের ফলে যে সব মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে তারা অনেক সময় বিভিন্ন শহরে উদ্বাস্তুর মত জীবনযাপন করে থাকে। এর ফলে সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস ও সামাজিক গতিশীলতায় পরিবর্তন আসে।
উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, পদ্মা নদীতে ভাঙন শুরু হলে গ্রামের ধনী কৃষক আঃ সালাম রাতারাতি নিঃস্ব হয়ে পড়েন। ফলে বাধ্য হয়ে জীবনধারণের জন্য তিনি শহরে চলে আসেন। এখানে কেউ তাকে চেনে না, কোনো মূল্যও দেয় না। আঃ সালামের জীবনের এ ধরনের পরিবর্তনে প্রাকৃতিক পরিবেশ মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে।
ভাষা আন্দোলনে সর্বপ্রথম বাঙালি নারীরা রাজপথে নেমেছিল।
জন্ম ও মৃত্যুহার জনসংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। কোনো দেশে জন্মহার যদি মৃত্যুহারকে ছাড়িয়ে যায় তবে এর অবশ্যম্ভাবী ফল হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি। যেমন- বর্তমানে বাংলাদেশে সামাজিক সচেতনতা, মিডিয়ার প্রচার, শিক্ষা বিস্তার প্রভৃতির ফলে মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। ফলে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!