উক্ত চাষিদের এ অবস্থা হতে উত্তরণের জন্য কী কী পন্থা অবলম্বন করা উচিত বলে তুমি মনে করো- মতামত দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

কৃষিবিদের পর্যবেক্ষিত আলুগাছের রোগটি হলো আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগ। এটি আলুর একটি মারাত্মক রোগ। সময়মতো এ রোগ প্রতিহত করতে না পারলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ আলুক্ষেত আক্রান্ত হতে পারে। নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণের মাধ্যমে এ রোগটি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যেতে পারে-

আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য রোগ লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথেই ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। প্রথমেই ১% বোর্দোমিশ্রণ কপার সালফেট, লাইম ও পানি ছিটিয়ে বা কপার-লাইম ডাস্ট প্রয়োগ করে রোগের বিস্তার রোধ করা যায়। পানি ও পানি প্রবাহ রোগের সেকেন্ডারি বিস্তার ঘটায়। তাই পানি সেচ সীমিত রাখতে হবে। নাইট্রোজেন সারও সীমিত ব্যবহার করা দরকার।
আলু চাষের জন্য সুস্থ ও জীবাণুমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই রোগমুক্ত এলাকা থেকে বীজ আলু সংগ্রহ করতে হবে। কোল্ডস্টোরেজ-
এ রাখা বীজ ব্যবহার অপেক্ষাকৃত উত্তম। মনে রাখতে হবে রোগাক্রান্ত বীজ থেকেই রোগের প্রাথমিক আক্রমণ ঘটে। জমি থেকে ফসল উঠানোর পর সব পরিত্যক্ত আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। একই জমিতে প্রতি বছর আলু চাষ না করে ১/২ বছর পর পর চাষ করলে রোগের বিস্তার কম হতে পারে। ছত্রাক প্রতিরোধক্ষম 'জাত' লাগাতে হবে। আগাম জাত চাষ করলে রোগ আক্রমণের আগেই ফসল তুলে নেয়া যায়। এলাকা ও জমির ধরন অনুযায়ী জাত নির্বাচন করতে হবে। স্থানীয় জাতে ফলন কম হলেও সাধারণত রোগপ্রবণ নয়। পাতা থেকে আলুতে যাতে রোগ সংক্রমণ না হয়, সেজন্য আলু সংগ্রহের পূর্বে সাইনক্স বা অ্যামোনিয়াম থায়োসায়ানেট ওষুধ ছিটিয়ে গাছের পাতা ঝড়িয়ে ফেলতে হয়। যে সব স্থানে এ রোগ হয় সেখানে গাছ ৮-১০ আঙ্গুল বড় হলেই ডায়থেন এম-৪৫ বা বোর্দো মিক্সচার নামক ছত্রাকনাশক ১৫ দিন পরপর ছিটাতে হবে।
এভাবে একটু সচেতন হয়ে উপযুক্ত সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে উদ্দীপকে উল্লিখিত আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগের জীবাণু তথা রোগটি হতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
31

যেসব উদ্ভিদের দেহকে মূল কান্ড ও পাতায় বিবক্ত করা যায় না তাদের সমাঙ্গদেহী বলে।

ক্লোরোফিল এর উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ওপর এদের ২ শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। যথাঃ

১.ক্লোরোফিল যুক্ত শৈবাল 

২.ক্লোরোফিলবিহীন ছত্রাক

Related Question

View All
উত্তরঃ

মিথোজীবিতা হচ্ছে দুটি ভিন্ন জীবের মধ্যে এমন একটি সহবস্থান যেখানে উভয়েই উপকৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
55
উত্তরঃ

বাহ্যিক আকার-আকৃতি ও প্রকৃতিগত সাদৃশ্যপূর্ণ দুটি গ্যামিটের মিলনকে আইসোগ্যামী বলে। এই ধরনের গ্যামিট একই খ্যালাসে অথবা ভিন্ন ভিন্ন থ্যালাসে উৎপন্ন হতে পারে। কখনও কখনও ফিলামেন্ট বিশিষ্ট শৈবালের একই ফিলামেন্টের ভিন্ন ভিন্ন কোষে এগুলো উৎপন্ন হয়।
যেমন- Ulothrix |

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
45
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত এ জীবটি শৈবাল। শৈবালের দৈহিক গঠন বিভিন্ন রকম হতে পারে। নিচে শৈবালের দৈহিক গঠনের পরিসর ব্যাখ্যা করা হলো-শৈবাল এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে। এককোষী শৈবাল সচল (ফ্লাজেলা থাকায়, যেমন- Chlamydomonas) বা নিশ্চল ফ্লাজেলাবিহীন, (যেমন- Chlorella) হতে পারে। অনেক প্রজাতি আছে যাদের অনেকগুলো কোষ একসাথে কলোনি হিসেবে অবস্থা করে (যেমন-Volvox)। বহু শৈবাল প্রজাতি আছে যাদের দেহ ফিলামেন্টাস। ফিলামেন্ট অশাখ হতে পারে (যেমন- Spirogyra, Ulothrix) আবার শাখান্বিত হতে পারে (যেমন- Chaetophora), কোনো কোনো শৈবালে বিশেষ জননাঙ্গ সৃষ্টি হয়। অনেক সামুদ্রিক শৈবালের দেহকে বাহ্যিকভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত দেখায়। যেমন- Sargassum। সমুদ্রে কিছু শৈবাল এতো লম্বা হয় যা স্থলভাগের কোনো কোনো উঁচু বৃক্ষের সমান বা তারও বেশি। কোনো কোনো শৈবাল দেখতে পর্ব-মধ্যপর্ব বিশিষ্ট মনে হয় যেমন- Chara। অনেক শৈবালের দেহ লম্বা পাতার ন্যায়, যেমন- Ulva।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
41
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' ও 'B' দ্বারা যথাক্রমে শৈবাল ও ছত্রাককে নির্দেশ করা হয়েছে। শৈবাল ও ছত্রাকের পাশাপাশি সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় লাইকেন নামক উদ্ভিদের। লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলা হয়। সুতরাং লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক একে অন্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লাইকেন উদ্ভিদে ছত্রাক চারিদিক থেকে শৈবালকে ঘিরে রেখে বাসস্থান প্রদান করে। ছত্রাক পরিবেশ থেকে পানি, খনিজ লবণ ও জলীয় বাষ্প ইত্যাদি শোষণ করে শৈবালকে প্রদান করে। আর শৈবাল মধ্যখানে বসে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে। প্রস্তুতকৃত খাদ্য শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই ভাগ করে গ্রহণ করে। এভাবে শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট লাইকেন উদ্ভিদে তারা উভয়ই একে অপরের দ্বারা উপকৃত হয়।
সুতরাং উদ্দীপকের A ও B দ্বারা গঠিত জীবের পারস্পরিক মিথোজীবিতা একে অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সর্বদাই উপকার করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
42
উত্তরঃ

একটি জীবের এক সেট ক্রোমোসোমে অবস্থিত সকল জিনসহ পূর্ণাজা DNA-ই হলো জিনোম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
41
উত্তরঃ

এক জোড়া সমসংস্থ ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড এর মধ্যে যে অংশের বিনিময় ঘটে, তাকে ক্রসিংওভার বলে। মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো ক্রসিংওভার, যার ফলে জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়। জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
43
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews