ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমিয়ে আনার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। নিম্নে তা তুলে ধরা হলো-
ভূমিকম্প সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ব্যাপক প্রচার প্রয়োজন।
ii. সারাদেশে ভবন নির্মাণে জাতীয় 'বিল্ডিং কোড' এবং কোডের কাঠামোগত অনুসরণ বাধ্যতামূলক করতে হবে।
iii. ঢাকা শহরে রাজউকের ভবন নির্মাণ প্ল্যান অনুমোদনের নীতিমালা যুগোপযোগী করা প্রয়োজন।
iv. সারাদেশে রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে।
V. ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসমূহে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।
vi. দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য নৌবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীতে 'ডগ স্কোয়ার্ড' রাখা।
vii. ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন ও মহড়া অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।
ভূমিকম্প সম্পর্কে আগে থেকে কিছু জানা যায় না বলে দুর্যোগটির ঝুঁকি মোকাবিলায় উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো খুবই কার্যকর।
Related Question
View Allনদীভাঙন এক ধরনের মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
দুর্যোগ ও বিপর্যয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হলেও বিষয় দুটি এক নয়।
তাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন: দুর্যোগ হচ্ছে এমন ঘটনা যা সমাজের বাস্তবিক কাজকর্মে প্রচণ্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। অপরদিকে বিপর্যয় হচ্ছে এমন একটি আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা যা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত করে দুর্যোগের সৃষ্টি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!