উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ শাকিল নিজেই করতে পারে।
শাকিল পড়ালেখায় অমনোযোগী। শ্রেণিতে শিক্ষক কোনো প্রশ্ন করলে তার হাত-পা কাঁপে, জিহবা শুকিয়ে যায়, বুক ধড়ফড় করে। এগুলো নেতিবাচক মানসিক চাপের লক্ষণ। নেতিবাচক মানসিক চাপ থেকে রক্ষার জন্য শাকিল যা যা করতে পারে-
i. যেকোনো বেদনাদায়ক অবস্থায় বা দুর্ঘটনায় মনোবল বজায় রাখতে হবে।
ii. যেকোনো সমস্যায় ধৈর্যধারণ করতে হবে।
iii. পারিবারিক কোনো বিষয় মানসিক চাপের কারণ হলে পরিবারের সবাই আলোচনা করে তা মোকাবেলা করতে হবে।
iv. কারো বৈষম্যমূলক কোনো আচরণে মন খারাপ হলে তার সাথে কথা বলে নিজের মনের অবস্থা বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে।
V. পরীক্ষায় খারাপ করে যাতে হতাশায় পড়তে না হয় সেজন্য সময়মতো ভালোভাবে পড়াশোনা করতে হবে।
vi. সময় পরিকল্পনা বা কর্ম পরিকল্পনা করে চললে সময়মতো সব কাজ শেষ হবে। ফলে মানসিক চাপ সৃষ্টি হবে না এবং জীবনে সফলতা আসবে।
vii. মনে যদি কোনো আতঙ্ক, ভয় বা দুর্ভাবনার সৃষ্টি হয় তা থেকে মুক্তির জন্য বিষয়টি নিয়ে বিশ্বস্ত নির্ভরযোগ্য বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়- স্বজন বা শিক্ষকের সাথে আলাপ করতে হবে।
viii. বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে। ভালো ও সৎ মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে।
ix. কেউ বিরক্ত করলে বা অযৌক্তিক কোনো কথা বললে দৃঢ়তার সাথে তা মোকাবেলা করতে হবে।
উপরিউক্ত উপায়ে শাকিল বর্তমান পরিস্থিতিতি থেকে উত্তরণ করতে পারবে।
Related Question
View Allকোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে।
কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।
ইমন কৈশোরকালে অবস্থান করছে।
ইমন মাঝে মাঝে স্কুল পালায় ও ক্লাসে অমনোযোগী থাকে। তার বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরাও এ বয়সে নানা কারণে অপরাধী হয়ে ওঠে। এর কারণগুলো হলো-
১. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ শিশুদের মনে বিষণ্ণতা তৈরি করে তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলে।
২. পিতামাতার কঠোর শাসন, অতিরিক্ত ভালোবাসা, অযত্ন, অবহেলা, ইত্যাদি।
৩. পড়াশোনায় ব্যর্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, সমবয়সীদের প্রভাব।
৪. পরিবারে নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলার অভাব হলে।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, পিতামাতার সঠিক পদ্ধতিতে সন্তান পরিচালনা, ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক বন্ধনের অভাবই এ বয়সী ছেলেমেয়েদের অপরাধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।
ইমন ১৩ বছর বয়সী কিশোর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় তারা দুজন আলাদা বসবাস করেন। ফলে ইমন বাবা-মায়ের অবহেলায় বেড়ে উঠছে। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে সে স্কুলে অমনোযোগী হয়ে পড়ে এবং কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিম্নলিখিত উপায়ে তার অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-
১. ইমনের সাথে তার মা-বাবার বন্ধন দৃঢ় করে।
২. পরিবারের সবার মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করে।
৩. পরিবারের ভাঙ্গন রোধ করে।
৪. ইমনের বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলে।
৫. ইমনের বাবা-মার ইমনের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে।
৬. তার স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেওয়া ও প্রয়োজনে শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করে।
এ সকল বিষয় ছাড়াও ইমনেরও কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। যেমন- ভালো বন্ধু দল নির্বাচন, নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নেওয়া ইত্যাদি।
কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে।
কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!