এইডস-এর ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে যেসব কারণে এ রোগ বিস্তার লাভ করে সেগুলো থেকে সতর্কতা অবলম্বন করলে সহজেই এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
বিদেশ থেকে কোনো লোক দেশে আগমন করলে তাকে পরীক্ষা করা, সে এইচআইভি বা এইডসে আক্রান্ত কিনা। প্রতিটি নাগরিককে বছরে অন্তত একবার এইচআইভি পরীক্ষা করা। ব্লাড ব্যাংকে রক্ত বিক্রির জন্য নেশাগ্রস্তদের বাধা দেওয়া। প্রাথমিক স্তর থেকে যৌন শিক্ষা চালু করে এইডস-এর ভয়াবহতা সম্পর্কে সকলকে অবগত করা। অন্যের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ব্যবহার না করা। অন্যের ব্যবহৃত ক্ষুর বা ব্লেড দিয়ে দাঁড়ি না কামানো। নিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক বজায় রাখা। এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান না নেওয়া। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার জন্য সকলকে উদ্বুদ্ধ করা, এক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার উৎসাহ প্রদান করা। প্রচার মাধ্যমে বুদ্ধিজীবীদেরকে এইডস এর ভয়াবহতা সম্পর্কে জনমত গড়ে তোলা। এইডস রোগ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে দেশের জনগণকে সচেতন করা।
এইডস রোগের যেহেতু কোনো চিকিৎসা নেই, তাই প্রতিরোধের মাধ্যমে এ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
Related Question
View Allজন্মের পর থেকে ১৪ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুকে নবজাতক বলা হয়।
স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মেনোপজ বলে।
নারীরা সাধারণত ১৫-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে সক্ষম। ৫০-৫৫ বছর বয়সে বা তার আগেই অনেকের মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাকে 'মেনোপজ বলে।
নাঈম HIV ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। প্রাণঘাতী AIDS রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষা না করে শরীরে রক্ত গ্রহণ করা। আর এইডস রোগের লক্ষণ হলো দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগা এবং শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।
নাঈমের রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় পরীক্ষা না করেই এক ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগে। জ্বর ও কাশি না কমায় ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। নাঈমের রোগের লক্ষণগুলো AIDS এর অনুরূপ হওয়ায় বলা যায়, নাঈম AIDS-এ আক্রান্ত হয়েছে।
HIV AIDS যেসব কারণে সংক্রমিত হয় সেগুলোকে HIV AIDS এর ঝুঁকি বলা হয়। HIV AIDS-এর ঝুঁকিগুলো হলো-একই সুঁচ ও সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার, অপরীক্ষিত রক্ত শরীরে গ্রহণ, অপারেশনের সময় অপরিশোধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান গ্রহণ, অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক ও HIV আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করানো।
নাঈম অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করে। সাধারণত অপরীক্ষিত রক্তে HIV ভাইরাস থাকতে পারে। এ রক্ত যে গ্রহণ করবে তার দেহে HIV ছড়াবে। এ কারণেই নাঈম HIV ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
তাই রক্ত গ্রহণের প্রয়োজন হলে আগে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। নয়তো HIV AIDS-আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। সুতরাং নাঈমের অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ যৌক্তিক হয় নি বলে আমি মনে করি।
AIDS প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত করা হয়।
মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা ও স্বাভাবিকতায় যেসব বিষয় প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান বা নির্ধারক বলে।
মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান হিসেবে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক পরিবেশগত অবস্থাকে বিবেচনা করা হয়। মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদানগুলোই মানুষের সামগ্রিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!