উচ্চাভিলাষী জমিদার প্রবাল রায়ের অত্যাচার ও কঠোর কর আদায় নীতির কারণে সাধারণ প্রজাগণ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বন্ধ করে দেয়, কৃষক কৃষিকাজ ফেলে পালিয়ে যায়। বিদ্রোহ দমন করতে যেয়ে তার মৃত্যু হয়। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে চাচাত ভাই শ্যামল রায় নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে জমিদারির দায়িত্ব নেন। তিনি জমিদারের প্রতি প্রজাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক জনকল্যাণকর কাজ করেন। তিনি সাধারণ প্রজার বকেয়া কর মাফ করে দেন। আবার ঋণ প্রদান করেন। তবে অধিক হারে ঋণ প্রদান ও বেহিসেবি দান খয়রাতের ফলে রাজকোষে প্রচণ্ড অর্থ ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে জমিদারির দুরবস্থার জন্য তাকে দায়ী করা হয়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

মালিক কাফুর ছিলেন দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খলজির দাক্ষিণাত্য অভিযানের সেনাপতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল বিত্তশালী কৃষকদের বিদ্রোহ দমন করা।

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক কর্তৃক দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধির অন্যতম কারণ ছিল হিন্দু বিদ্রোহ দমন এবং জমিদারদের দর্পচূর্ণ করা। আবার অনেকেই মনে করেন রাজধানী স্থানান্তর, খোরাসান ও কারাচিল অভিযানের ব্যর্থতা এবং প্রতীকী মুদ্রার বিফলতার কারণেই সুলতান দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধি করেন। কর বৃদ্ধির মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে ঐতিহাসিক বারানী বলেন যে, সুলতান দোয়াবে দশ হতে বিশগুণ কর বৃদ্ধি করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত জমিদার শ্যামল রায়ের সাথে সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের সাদৃশ্য রয়েছে।

দিল্লি সালতানাতের তুঘলক বংশের অন্যতম খ্যাতিমান শাসক ছিলেন ফিরোজ শাহ তুঘলক। অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি সালতানাতের ক্ষমতা গ্রহণে বাধ্য হয়েছিলেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মধ্যে এ শাসকেরই প্রতিফলন ঘটেছে।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে, বিদ্রোহ দমন করতে যেয়ে জমিদার প্রবাল রায়ের মৃত্যু হয়। এরপর তার চাচাতো ভাই শ্যামল রায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে জমিদারির দায়িত্ব নেন। তিনি জমিদার হওয়ার পর অনেক জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। অনুরূপভাবে তাকির বিদ্রোহ দমন করত গিয়ে সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক মৃত্যুবরণ করেন। মুহাম্মদ বিন তুঘলকের মৃত্যুর পর তার চাচাতো ভাই ফিরোজ শাহ অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমির ও অভিজাতগণের অনুরোধ এবং সাম্রাজ্যের বাস্তব সংকটজনক অবস্থা বিবেচনা করে সালতানাতের ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ক্ষমতা গ্রহণ করেই তিনি প্রজা কল্যাণে মনোনিবেশ করেন। প্রজাকল্যাণমূলক কার্যাবলির জন্য তিনি ইতিহাসে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার সময়ে দরিদ্র, অনাথ ও বিধবাদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হতো, তিনি পূর্ববর্তী সুলতানের দেওয়া ঋণ মওকুফ করে দেন। কৃষি ও বাণিজ্যের উন্নতির জন্য তিনি বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের সাথে দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের মিল রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের জমিদার শ্যামল রায়ের মতো উক্ত সুলতানকেও অর্থাৎ সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলককেও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী করা যায়।

উদ্দীপকের শ্যামল রায় জমিদারের প্রতি প্রজাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক জনকল্যাণকর কাজ করেন। তিনি প্রজাদের বকেয়া কর মাফ করেন এবং নতুন করে ঋণ প্রদান করেন। তবে অধিক হারে ঋণ প্রদান ও বেহিসেবি দান খয়রাতের ফলে রাজকোষে ব্যাপক অর্থ ঘাটতি দেখা দেয়, যা জমিদারকে দুরবস্থায় ফেলে দেয়। শ্যামল রায়ের মতো দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকও তার বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিলেন।

ফিরোজ শাহ তুঘলকের সংস্কার ও উদারনীতির মধ্যে তুঘলক বংশের পতনের বীজ নিহিত ছিল। তার কোনো কোনো নীতি ও কার্যাবলি শুধু তুঘলক বংশের নয়, দিল্লি সালতানাতের পতনের জন্যও দায়ী ছিল বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। সমাজের বিদ্রোহ বিশৃঙ্খলা দমনে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তার আরেকটি বড় ভুল ছিল জায়গিরদারি প্রথার পুনঃপ্রবর্তন। এর ফলে অভিজাতবর্গ ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে এবং কেন্দ্রীয় শাসনের ক্ষমতা শিথিল হয়ে পড়ে। তিনি সেনাবাহিনীতে বংশানুক্রমিক চাকরির অধিকার প্রদান করে সাম্রাজ্যের স্থায়িত্বের মূলে কুঠারাঘাত করেন। তার সৃষ্ট ক্রীতদাস বাহিনীর ভরণপোষণে রাজকোষের প্রচুর অর্থ অপচয় হয়। ফলে রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে পড়ে। আবার যুদ্ধনীতি পরিহার করায় সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। শাসনকাজে উলামাদের প্রাধান্য দেওয়ায় সুলতান অসুন্নি মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের রোষানলে পতিত হন। তার সময়ে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান রহিত করার ফলে দুর্নীতি বেড়ে যায় এবং দুর্নীতিপরায়ণ কর্মচারীরা সরকারি অর্থ সম্পদ লুট করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর এ সকল কর্মকাণ্ড তুঘলক বংশকে পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়।
পরিশেষে বলা যায় যে, ফিরোজ শাহ তুঘলকের শাসননীতি ও কার্যাবলি তুঘলক বংশের পতন এমনকি সালতানাতের পতনের পথকে সুগম/করেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
27
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলাউদ্দিন খলজির শাসনামলে দিল্লি সালতানাতে প্রায় সাত বার মোঙ্গল আক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। তাই মোঙ্গলদের প্রতিহতকরণে তিনি কতিপয় কার্যকর মোঙ্গলনীতি গ্রহণ করেন।
আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের মোকাবিলায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সাথে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মোঙ্গলদের আক্রমণ পথে তিনি পুরাতন কেল্লা সংস্কার ও নতুন কেল্লা স্থাপন করে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেন। তিনি উন্নতমানের অস্ত্রের জন্য কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিশ্বস্তদের ওপর ন্যস্ত করেন। এছাড়া তিনি মোজঙ্গলদেরকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সৈন্য সংগ্রহ করেন। এভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে তিনি মোঙ্গল আক্রমণ মোকাবিলায় সাফল্য লাভকরেন। তার রাজত্বকালে মোঙ্গলরা আর ভারত আক্রমণে সাহস করেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
156
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে দিল্লির সালতানাতের মহিলা শাসক সুলতান রাজিয়ার সাদৃশ্য রয়েছে।

পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা চিরকালই অবহেলিত হয়ে আসছে। এই অবহেলার মাঝেও নারীরা স্বীয় যোগ্যতাবলে সমাজের উন্নয়নে অংশীদার হয়েছে। নানা বাধার সম্মুখীন হয়েও তারা সফল হয়েছে; সকল সমালোচনার উচিত জবাব দিয়েছে। উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া এমনই দুজন নারী ব্যক্তিত্ব।
শ্রীমাভো বন্দরনায়েক ছিলেন আধুনিক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বিভিন্ন দেশের কিছু অভিজাত শ্রেণির সমালোচনার মুখোমুখি হন। তারা নারী বলে শ্রীমাভো বন্দরনায়েককে শাসনকার্যে অনুপযোগী ও অদক্ষ বলে অভিহিত করেন। কিন্তু নিজ মেধা, তেজস্বিতা আর কর্মদক্ষতার গুণে শ্রীমাভো সকল বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি প্রতিহত করে দেশের উন্নতি সাধন করেন। সুলতান রাজিয়াও একইভাবে ১২৩৬ থেকে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লির সিংহাসনে বসে সুলতানি শাসন পরিচালনা করেন। তার ৪ বছরের রাজত্বকাল মধ্যযুগের ভারতীয় ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে সাম্রাজ্যের বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ প্রতিহত করেন। তিনি উপমহাদেশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা শাসনকর্তা। তার সাহসিকতা, দক্ষতা ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব তুর্কি জাতির সাহসিকতা এবং দূরদর্শিতার পরিচয় বহন করে। তার উদার রাজনৈতিক চিন্তাধারা বস্তুত মুসলিম শাসনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। সুতরাং দেখা যায় উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া শাসন পরিচালনার দিক দিয়ে একে অন্যের প্রতিরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
130
উত্তরঃ

ভারতে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সুলতান রাজিয়া ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম ও একমাত্র মহিলা।

সালতানাতের এক সংকটকালে সুলতান রাজিয়া সিংহাসনে আরোহণ করেন। ঐতিহাসিক মিনহাজ-উস-সিরাজের হিসেব মতে, তিনি ৩ বছর ৬ মাস ৬ দিন রাজত্ব করেন। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং অসাধারণ প্রতিভাশালী একজন নারী। প্রচলিত মুদ্রায় তিনি নিজেকে উমদাদ-উল-নিসওয়ান (নারীদের মধ্যে বিশিষ্ট) বলে উল্লেখ করেন। মিনহাজ-উস-সিরাজ তাকে মহান নৃপতি, বিচক্ষণ, ন্যায়পরায়ণ ও মহানুভব বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন সার্বভৌম নৃপতির প্রয়োজনীয় গুণাবলি ও - যোগ্যতার অধিকারী ছিলেন। এ. বি. এম. হবিবুল্লাহর মতে, সাহসিকতা ও অদম্য দৃঢ়তাই (Courage and unflincing determination) ছিল রাজিয়ার আদর্শ।
চারিত্রিক দৃঢ়তায় সুলতান রাজিয়া নিজেকে পুরুষ অপেক্ষা যোগ্যতর প্রমাণ করেন। ব্যক্তিগত দৃঢ়তা ও যোগ্যতাই তার ক্ষমতা ও অস্তিত্বের চাবিকাঠি ছিল। সুলতান রাজিয়া প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত শক্তি-সামর্থ্য প্রমাণের লক্ষ্যেই মহিলা পোশাক পরিত্যাগ করেন, অশ্বারোহণে জনসমক্ষে বের হন এবং প্রকাশ্যে দরবার পরিচালনা করেন। অধ্যাপক কে. এ. নিজামী যথার্থই বলেছেন, "অস্বীকার করার অবকাশ নেই যে, তিনি ছিলেন ইলতুৎমিশের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যোগ্যতম।"
পরিশেষে বলা যায় যে, সুলতান রাজিয়া ছিলেন অপরিসীম কৃতিত্বের অধিকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
82
উত্তরঃ

তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতা গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (শাসনকাল ১৩২০-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
118
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন এবং মোজাল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের গৃহীত নিষ্ঠুর ও কঠোর পদক্ষেপই 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' (Blood and Iron policy) নামে পরিচিত।
সিংহাসনে আরোহণ করেই বলবন নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল আমির-ওমরাহ ও অভিজাত সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান ঔদ্ধত্য, দ্বন্দ্ব-কলহ ও ষড়যন্ত্রমূলক কার্যকলাপ, দিল্লির সন্নিকটস্থ মেওয়াটি দস্যুদের উপদ্রব, উপর্যুপরি মোঙ্গল আক্রমণ প্রভৃতি। এসব সমস্যা সাম্রাজ্যের ভিতকে হুমকির সম্মুখীন করে তোলে। তাই নিজের ক্ষমতা সুসংহত করে সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি গুপ্তচর প্রথা চালু, বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন, মোঙ্গল নীতি প্রভৃতি বিষয়ে কঠোর ও নিষ্ঠুর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এগুলোই বলবনের 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' হিসেবে স্বীকৃত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
378
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews