উচ্চ মাধ্যমিকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সীমান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। প্রথমদিকে ভালো করতে না পারলেও সে চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় সে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ইংরেজি ডালো বলতে না পারার কারণে মঞ্চে তার হাত-পা কাঁপতে শুরু হয়। এ দৃশ্য কিছু শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনে ধারণ করে তা ফেসবুকে দেয়। এতে সে হতাশা প্রকাশ না করে বিতর্ক চর্চা চালিয়ে যায়। সীমান্ত এখন বাংলাদেশের অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি। সে এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে আলো ছড়াচ্ছে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

'পাছে লোক কিছু বলে' কবিতায় সবাই একসঙ্গে মিলে মানুষের কল্যাণে মহৎ উদ্দেশ্য সাধনে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সমালোচনার ভয়ে হৃদয়ের শুভ্র চিন্তা বুদবুদের মতো মিশে যায়।

'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় কবি মানুষকে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভয়, সমালোচনা ইত্যাদি উপেক্ষা করে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে বলেছেন। অনেকের মনে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করার মতো শুভ্র চিন্তার উদয় হয়। কিন্তু ভয় ও লজ্জার কারণে সেসব সংকল্প ও শুভ্র চিন্তা পূর্ণতা পায় না। সেসব শুভ কাজের ইচ্ছা হৃদয়ের মধ্যেই বুদবুদের মতো মিলিয়ে যায়। কবি 'শুভ্র চিন্তা' বলতে জগতের মঙ্গল ও কল্যাণ সাধনের চিন্তাকে বুঝিয়েছেন। মনের মধ্যে সংশয় কাজ করলে এবং সমালোচনার ভয় থাকলে কোনো ইচ্ছা ও স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করা যায় না। তখন হৃদয়ের শুভ্র চিন্তাগুলোর মৃত্যু ঘটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত কিছু শিক্ষার্থী 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় প্রতিফলিত সমালোচক ও নিন্দুকদের প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎসাহ-উদ্দীপনা পেলে মানুষ সাফল্যের দিকে এগিয়ে যায়। আর নেতিবাচক সমালোচনা ও লোকনিন্দার কারণে অনেকে মহৎ কাজ থেকেও সরে আসে। কারণ লোকলজ্জার ভয়ে মানুষ কাজ করতে গিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং কাজ করার স্পৃহা হারিয়ে ফেলে। কর্মশক্তি হারিয়ে গেলে মানুষ কোনো কাজেই আত্মনিয়োগ করতে সাহস করে না।

উদ্দীপকে সমালোচনা, ভয় ইত্যাদি নানা প্রতিকূলতা পার হয়ে সীমান্তর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং একজন দক্ষ বক্তা হয়ে ওঠার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সেই সঙ্গে কিছু শিক্ষার্থীর নেতিবাচক কর্মকান্ডের বিষয় প্রকাশ পেয়েছে। এরা সীমান্তর ইংরেজিতে কথা বলার দুর্বল দিকটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে তা ফেসবুকে দিয়ে তাকে হতাশ করতে চেয়েছে। উদ্দীপকের এই বিষয়টি 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় প্রতিফলিত সমালোচক ও নিন্দুকদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। আলোচ্য কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে সমালোচক ও নিন্দুকরা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মহৎ ও কল্যাণকর কাজে অগ্রসর ব্যক্তিদের থামিয়ে দেয়। তারা সমালোচনার ভয়ে মহৎ কাজ থেকে বিরত থাকে। উদ্দীপকের কিছু শিক্ষার্থীর কর্মকাণ্ডও অনুরূপ। এদিক থেকে তারা 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুক ও সমালোচকদের প্রতিনিধিত্ব করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের সীমান্তই হলো 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার কবির কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সমালোচকের সমালোচনা এবং নিন্দুকের নিন্দার ভয়ে মহৎ কাজ থেকে বিরত থাকলে জগতে কোনো কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব নয়। কাজেই সমালোচক বা নিন্দুকের ভয়ে এবং কে কী বলবে সেই ভাবনায় মহৎ কাজের ইচ্ছা ও মনোভাবকে দমিয়ে রাখা ঠিক নয়। যারা তাদের বাধা ও সমালোচনাকে উপেক্ষা করে নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে এগিয়ে যায় তারাই জীবনে সফল হয়।

উদ্দীপকে সহপাঠী কিছু শিক্ষার্থীর নেতিবাচক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের প্রবল ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সীমান্তর লক্ষ্যে পৌছানোর বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। কোনো নেতিবাচক সমালোচনা তাকে দমাতে পারেনি। সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক করতে গিয়ে আবার নতুন করে কিছু শিক্ষার্থীর নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েও থেমে থাকেনি সে। হতাশ হয়ে, তাদের আচরণে অভিমান করে, কিংবা লোকলজ্জা ভয় ইত্যাদিকে প্রশ্রয় দিয়ে সে তার কাজ থামিয়ে দেয়নি। সে লোকনিন্দা, ভয়, লজ্জা, সংকোচ উপেক্ষা করে অদম্য সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে গেছে এবং সফল হয়েছে। উদ্দীপকের সীমান্তর এই সফলতাই প্রত্যাশা করেছেন 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার কবি। তিনি বলেছেন মানুষের কল্যাণে মহৎ কাজ করতে হলে ভয়ভীতি, লোকলজ্জা, সংকোচ উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে।

'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় কবি সমালোচকের নিন্দা ও সমালোচনা উপেক্ষা করে দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজে অগ্রসর হওয়ার মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রত্যাশা করেছেন। যে কাজ করতে গিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হবে না, নিন্দুকের ভয়ে লক্ষ্যচ্যুত হবে না, কিংবা নীরবে-নিঃশব্দে নিজেকে লুকিয়ে ফেলবে না। উদ্দীপকের সীমান্ত অনুরূপ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি। সে নিন্দুকের ভয়কে উপেক্ষা করেছে। হতাশাগ্রস্ত না হয়ে দৃঢ় মনোবল নিয়ে আপন লক্ষ্যে এগিয়ে গেছে এবং সাফল্য অর্জন করেছে। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
79

 

করিতে পারি না কাজ, 

সদা ভয়, সদা লাজ, 

সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

আড়ালে আড়ালে থাকি, 

নীরবে আপনা ঢাকি, 

সম্মুখে চরণ নাহি চলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

হৃদয়ে বুদবুদ মতো 

উঠে শুভ্র চিন্তা কত, 

মিশে যায় হৃদয়ের তলে 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

কাঁদে প্রাণ যবে, আঁখি 

সযতনে শুষ্ক রাখি 

নির্মল নয়নের জলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

একটি স্নেহের কথা 

প্রশমিতে পারে ব্যথা 

চলে যাই উপেক্ষার ছলে 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

মহৎ উদ্দেশ্যে যবে 

এক সাথে মিলে সবে, 

পারি না মিলিতে সেই দলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

বিধাতা দিছেন প্রাণ

থাকি সদা ম্রিয়মাণ;

শক্তি মরে ভীতির কবলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

"সংশয়ে সংকল্প সদা টলে" বলতে কবি বুঝিয়েছেন কোনো কাজ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে সেই কাজের সংকল্প বা ইচ্ছা নষ্ট হয়।

মনের ভেতরে সংশয় কাজ করলে কোনো ইচ্ছা বা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করা যায় না। কাজ করতে গিয়ে লজ্জার মুখে পড়তে হয় কিনা এ চিন্তা করলে মনের মধ্যে সংশয় দানা বাঁধে। তখন আর কাজটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। মন স্থির না থাকায় সব সময় দ্বিধা কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
417
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্য 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার চতুর্থ স্তবকের বিপরীত ভাব ধারণ করেছে।

ভালো কাজ করতে আগ্রহী মানুষের কাজ কীভাবে প্রতিহত করা যায় নিন্দুকেরা সে চেস্টায় নিয়োজিত থাকে। তারা মানুষের হৃদয়ের শুভচিন্তা ও কল্যাণধর্মী কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে এবং কৌশলে সেগুলো নষ্ট করে দেয়।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকে কবি পরোপকারী মনোভাবসম্পন্ন নিঃস্বার্থ ব্যক্তির কথা বলেছেন। যে লোকটির মানসিকতা 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার চতুর্থ স্তবকের বিপরীত চেতনা প্রকাশ করে। কারণ আলোচ্য রচনার চতুর্থ স্তবকে মানব কল্যাণে কাজ করতে ইচ্ছা পোষণকারীদের সমালোচনার ভয়ে কাজ না করে নিজেদের গুটিয়ে রাখার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে, এক শ্রেণির মানুষ মানুষের দুঃখে প্রাণ কাঁদলেও তারা চোখ শুকনো রাখে। ভাবে সহানুভূতি প্রকাশ করলে লোকে কী বলবে। অন্যদিকে উদ্দীপকের প্রথম অংশে বলা হয়েছে পৃথিবীতে কেউ নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে আসেনি। সকলে সকলের জন্য। মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত মর্যাদা, প্রাপ্তি ও সার্থকতা নিহিত আছে বলে কবি মনে করেছেন। কারণ পৃথিবীতে একে অন্যের কল্যাণ সাধনের মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ লাভ হয়; শুধু নিজেকে নিয়ে বিব্রত থাকায় কোনো আনন্দ নেই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
197
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের নিন্দুক ও 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুকের প্রভাব এক নয়।

জগতের বহু কল্যাণকর শুভচিন্তা আমাদের হৃদয়ে উদয় হয়। অথচ পেছনে কে কী বলে সেই দিক বিবেচনায় আমরা তা ফলপ্রসূ করতে পারি না। ফলে মনের সেই শুভ চিন্তাগুলো সমালোচনার ভয়ে মনেই মরে যায়। বাস্তব জগতে প্রকাশ করে কাজে লাগিয়ে জগতের কল্যাণ সাধন করা আর হয়ে ওঠে না।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশে এবং 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতা উভয় জায়গায় নিন্দুকের কথা প্রকাশ পেয়েছে। তবে উভয় জায়গার নিন্দুক ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব বিস্তার করেছে। উদ্দীপকের নিন্দুক নিন্দা করে ভুল ধরিয়ে দেয়। আর কবিতার যে নিন্দুকের কথা বলা হয়েছে সে সৎচিন্তা, সংকল্প ও মানব কল্যাণের সমস্ত চেষ্টা ও কাজের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। তাদের ভয়ে মানুষ মনের ভাব-ভাবনা ও ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে জগতের কল্যাণ সাধনে ব্রতী হতে পারি না।

উদ্দীপকের নিন্দুককে কবি ভালোবাসতে বলেছেন। কারণ তারা জগতের অহিতকর চিন্তাকে সমালোচনা করে হিতকল্পের উপযোগী করতে সহায়তা করে। তাদের সমালোচনায় একজন তাঁর ভুল সংশোধন করে পরিপূর্ণতা অর্জন করতে পারে। আর 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুক ভুল সংশোধন নয়, মানুষের শুভবোধ ও বুদ্ধির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে জগতে কল্যাণ সাধনকে ব্যাহত করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের নিন্দুক ও আলোচ্য কবিতার নিন্দুকের প্রভাব এক নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
123
উত্তরঃ

'শক্তি মরে ভীতির কবলে, পাছে লোকে কিছু বলে'- বলতে কবি কোনো কাজ করার জন্য উদ্যোগী হয়েও অন্যের সমালোচনার ভয়ে সেই ইচ্ছাশক্তির বিনষ্ট হওয়াকে বুঝিয়েছেন।

অনেক আছে যারা অকারণে ভয় পায়। অন্যের সমালোচনার ভয়ে বিভিন্ন কাজ থেকে পিছিয়ে আসে। সেই ভয় পাওয়ার ফলে তারা অনেক সহজ ও কল্যাণকর কাজও করতে পারে না। কারণ কাজ করার আগ্রহ তাতে কমে যায়। ফলে তার ইচ্ছাশক্তি ও সামর্থ্যও বিনষ্ট হয়। এ কথা ভেবেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
155
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews