বাংলাদেশের নাটোর শহরে অবস্থিত উত্তরা গণভবন। নাটোর শহর থেকে প্রায় ২.৪ কিমি দূরে প্রাসাদটি অবস্থিত। বর্তমানে এটি উত্তরা গণভবন বা উত্তরাঞ্চলের গভর্মেন্ট হাউস নামে পরিচিত। ১৯৭২ সালে দিঘাপতিয়া রাজবাড়ীকে উত্তরা গণভবন নামকরণ করেন।
Related Question
View Allদীঘাপতিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং রামজীবন রায়ের ভূতপূর্ব দেওয়ান দয়ারাম রায় ১৮০২ সালে এই প্রাসাদের গোড়াপত্তন করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে রাজ পরিবার ভারতে চলে গেলে দীর্ঘদিন এটি অরক্ষিত ছিল। পরে দীঘাপতিয়ার মহারাজাদের এই বাসস্থানকে সংস্কার করে ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর আব্দুল মোনায়েম খান। “দীঘাপতিয়া গভর্ণর বাসভবন" হিসেবে উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একে “উত্তরা গণভবন” হিসাবে ঘোষণা দেন। তিনি ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এই ভবনের মূল প্রাসাদের ভিতর মন্ত্রিসভার বৈঠক আহবান করেন, সেই থেকে ভবনটি 'উত্তরা গণভবনের' প্রকৃত মর্যাদা লাভ করে ।
নাটোরের দিঘাপাতিয়া নামক স্থানে উত্তরা গণভবন অবস্থিত। ১৯৬৭ সালে ২৪ জুলাই ইহাকে 'গভর্ণর হাউস' হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
নাটোরে “উত্তরা গণভবন" অবস্থিত।
'উত্তরা গণভবন' অবস্থিত নাটোর
'উত্তরা গণভবন' অবস্থিত নাটোর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!