"উদ্দীপকটি 'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' রচনার সমগ্র বিষয়কে উপস্থাপন করেছে।"- মন্তব্যটির সাথে আমি একমত নই। কেননা আলোচ্য রচনায় উদ্দীপকের বিষয় ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের ভূ-বৈচিত্র্য রয়েছে। এর প্রতিটি দৃশ্যই মনোরম ও মায়াময়। সবুজ প্রকৃতির যেমন সৌন্দর্য রয়েছে তেমনই সৌন্দর্য রয়েছে মরুভূমিরও।
উদ্দীপকে পাহাড়ি পরিবেশ বর্ণনা করা হয়েছে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ আর জঙ্গলময় পাহাড়ের দৃশ্য লেখক তুলে ধরেছেন। এই যাত্রাপথের বর্ণনা 'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' রচনায়ও রয়েছে, তবে এটিই রচনার সমগ্র বিষয় নয়। এছাড়াও আলোচ্য রচনাটিতে অন্যান্য বিষয় উপস্থাপিত হয়েছে।
'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' রচনায় মরুভূমি ঘেরা ঐতিহাসিক কায়রো শহর, সপ্তাশ্চর্য পিরামিড, ভুবনবিখ্যাত মসজিদ, সেখানকার লোকজন, খাবার-দাবার প্রভৃতি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যের সাথে আমি একমত নই।
Related Question
View All'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা সৈয়দ মুজতবা আলী।
রাতের বেলা উটের চোখের উপর মোটরের হেডলাইট পড়ায় চোখগুলো সবুজ দেখাচ্ছিল।
লেখক মিশর ভ্রমণকালে রাতের বেলায় মোটরে করে মরুভূমির রাস্তা ধরে চলছিলেন। হঠাৎ সামনে দেখলেন জ্বলজ্বলে দুটি সবুজ আলো। প্রথমে সেটাকে ভূতের চোখ ভাবলেও কাছে গিয়ে দেখতে পান তা ছিল উটের চোখ। কারণ উটের চোখের উপর মোটরের হেডলাইট পড়ায় চোখগুলো সবুজ দেখাচ্ছিল।
ভ্রমণকারীদের যাত্রাপথের সাথে 'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' রচনার লেখকের মিশর ভ্রমণের প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। মানুষের মনের সমস্ত চাওয়া-পাওয়ার খোরাক জোগায় প্রকৃতি। তাই তো প্রকৃতির রূপ দেখার জন্য মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রকৃতির লীলাম্বর্গ সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক দৃশ্যের কথা বর্ণিত হয়েছে। ভ্রমণকারীরা যাত্রাপথের দুই পাশে অপরূপ সৌন্দর্যের মাখামাখি দেখতে পায়। এই যাত্রাপথের প্রাকৃতিক দৃশ্যের সাথে 'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' রচনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। কায়রো ভ্রমণকালে লেখক যাত্রাপথের মরুভূমির দৃশ্য, শহরের পথের দৃশ্য বর্ণনা করেছেন, মরুভূমির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন। এর সাথেই উদ্দীপকের ভ্রমণকারীদের যাত্রাপথের মিল রয়েছে।
"সেন্ট মার্টিন না গেলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি অদেখাই থেকে যেত।"- এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।
আমাদের এই পৃথিবী প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। বিভিন্ন দেশের প্রকৃতিতে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্যের ছোঁয়া। কোথাও রয়েছে সুবিশাল সাগর, কোথাও মরুভূমি, কোথাও পাহাড়, কোথাওবা নদীর অনাবিল সৌন্দর্য।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে বাংলাদেশের সমুদ্রকন্যা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের বর্ণনা। স্বচ্ছ নীল সাগরজলে কোরাল পাথরের ছড়াছড়ি। "সেন্ট মার্টিন না গেলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি অদেখাই থেকে যেত”- ভ্রমণকারীদের এই মন্তব্যের সাথে নীলনদের সৌন্দর্যের সাদৃশ্য রয়েছে।
'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' রচনায় লেখক মিশরের নীলনদের সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। নীলনদের উপর দিয়ে মাঝারি ধরনের মহাজনি নৌকার পাল তুলে পেটুক ছেলের মতো পেট ফুলিয়ে চলা, নীলের স্বচ্ছ জলে মিশরের চাষাবাদ প্রভৃতি মনোমুগ্ধকর দৃশ্য বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনার সাথে উদ্দীপকের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনার সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ' লেখকের 'জলে ডাঙ্গায়' গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে।
এই নীলের জল দিয়ে এ দেশের চাষ হয়- কারণ নীল নদই মিশরের চাষাবাদের জন্য মিষ্টি পানির জোগান দেয়।
নীল নদ মিশরের তথা পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম নদ। এদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে এ নদ প্রবাহিত। মরুময় মিশর দেশে নীলনদের অববাহিকায় চাষাবাদ হয়। এজন্যই লেখক বলেছেন- এই নীলের জল দিয়ে এ দেশের চাষ হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!