"উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে"- উক্তিটি যথার্থ।
গ্রীষ্মকালে প্রচন্ড রোদে মাঠ-ঘাট শুকিয়ে যায়। চারদিকে রুক্ষতা বিরাজ করে। প্রকৃতিতে প্রাণচঞ্চলতা থাকে না। বৃষ্টি এলে মাঠ-ঘাট কানায় কানায় পূর্ণ হয়। প্রকৃতির রুক্ষতা দূর হয়। প্রাণে নতুন স্পন্দন জাগে। তখন মানুষের মন আনন্দে ভরে ওঠে।
'বৃষ্টি' কবিতায় বৃষ্টিকে বর্ষার প্রাণ বলা হয়েছে। বর্ষণহীন দিনে মাঠ-ঘাট শুকিয়ে প্রকৃতি রুক্ষমূর্তি ধারণ করেছে, যেন বৃদ্ধ ভিখারির রগ ওঠা হাত। বৃষ্টি সেই রুক্ষতা দূর করে। বর্ষার ফুল ফোটে। বিদ্যুৎ যেন রূপসী পরির মতো মেঘে মেঘে ঘুরে বেড়ায়। কাজল মেঘে আকাশ ঢাকা থাকে। আর অলস বৃষ্টির দিনে মনে পড়ে সুখময় অতীত দিনের স্মৃতি। অন্যদিকে উদ্দীপকে কেবল গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহের কথা বলা হয়েছে। বৃষ্টির প্রার্থনা বিশেষ কিছু নেই।
'বৃষ্টি' কবিতায় গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতির বর্ণনা যেমন আছে, তেমনই বৃষ্টির পর সজীব প্রকৃতির বর্ণনাও রয়েছে। বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের রূপ, বর্ষার ফুলের কথা, পদ্মা-মেঘনার দুপাশের আবাদি গ্রামের কথা, মানুষের মানসিক অবস্থা ইত্যাদির কথাও বলা হয়েছে। উদ্দীপকে গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহের কথা ও প্রকৃতির সঞ্জীবতার কথা ছাড়া অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত। তাই বলা হয়েছে, উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!