উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার মূলভাবের প্রতিনিধিত্ব করছে। মন্তব্যটি যথার্থ।
বর্ষা এলে প্রকৃতির রুক্ষতা দূর হয়। বৃষ্টির স্নেহধারায় শ্যামল প্রকৃতিতে প্রাণস্পন্দন ফিরে আসে। বৃষ্টিধারায় প্রকৃতির জীর্ণতা, রুক্ষতা, মলিনতা ধুয়ে গিয়ে স্নিগ্ধ, শান্ত, পবিত্র রূপ ধরা দেয়। প্রকৃতি হয়ে ওঠে স্নিগ্ধ, কোমল ও প্রাণোচ্ছল। তাই তো বৃষ্টিস্নাত বনবনানীর সঙ্গে মানবমন সুদূরের ভাবনায় হারিয়ে যায়।
'বৃষ্টি' কবিতায় দেখা যায়, প্রকৃতিতে বর্ষা আসে প্রাণস্পন্দন নিয়ে। আর বৃষ্টিই বর্ষার প্রাণ। এ সময় নদীর ধারে প্লাবন দেখা দেয়, দেখা যায় সর্বত্র মৈঘের খেলা। প্রকৃতির সমস্ত রুক্ষতা, জীর্ণতা, মলিনতা ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে ফিরে আসে স্নিগ্ধতা, পবিত্রতা। এমন দিনে সংবেদনশীল মানুষের মন রসসিক্ত হয়ে ওঠে। সুদূরের রহস্যপানে তার মন হারায়, কখনো ফিরে যায় সোনালি অতীতে। কবিতার এসব ভাবের প্রতিনিধিত্ব করছে উদ্দীপকটি।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, গুরু গুরু মেঘের গর্জনে চারদিক ত্রস্ত হয়ে উঠেছে। টুপটাপ বৃষ্টি ঝরে অঝোর ধারায়। এমন দিনে নিজেকে হারিয়ে ফেললে কিছুতেই আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই সব কাজ ফেলে হৃদয়ের জানালা খুলে আপন মনে বিচরণ করতে থাকে দিক থেকে দিগন্তে। এ ভাবটিই 'বৃষ্টি' কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। ভাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!