উদ্দীপকের আলোকে সরকারি নোট ও ব্যাংক নোটের পৃথক অস্তিত্ব থাকার প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সরকারি নোট রূপান্তর অযোগ্য এবং ব্যবহার সীমিত হওয়ায় বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যাংক নোট অধিক উপযোগী হওয়ায় সরকারি নোট ও ব্যাংক নোটের পৃথক অস্তিত্ব থাকার প্রয়োজন রয়েছে।

সরকার তার নিজ নিয়ন্ত্রণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে নোট ইস্যু করে তাকে সরকারি নোট বলা হয়। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত নোট হলো ব্যাংক নোট। বাংলাদেশে প্রচলিত ১ ও ২ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। বাকিগুলো ব্যাংক নোট।

উদ্দীপকে মি. কিংকর তার ভাগ্নেকে মোবাইল সিম কেনার জন্য ১,১৫৫ টাকা দেন। সেখানে পাঁচশত টাকা, একশত টাকা, বিশ টাকা, দশ টাকা, পাঁচ টাকা এবং এক টাকার নোট ছিল। এখানে এক টাকার নোটে অর্থ সচিবের এবং বাকি সব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এর স্বাক্ষর রয়েছে।

উদ্দীপকের এক টাকার নোটটি সরকারি নোট। বাকিগুলো সব ব্যাংক নোট। সরকারি নোটের মূল্যমান কম থাকে। তাছাড়া সরকারি নোটের রূপান্তরযোগ্যতা নেই। ফলে এসব নোটের ব্যবহার সীমিত। অন্যদিকে ব্যাংক নোটের মূল্যমান বেশি। এরূপ নোট কোনো কারণে অচল ঘোষণা করা হলে এর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমপরিমাণ মূল্যের নতুন ব্যাংক নোট দিতে বাধ্য থাকবে। তাছাড়া ব্যাংক নোট রূপান্তরযোগ্য। ফলে যেকোনো দেশে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যাংক নোটের ব্যবহার বেশি। তাই বলা যায়, সরকারি নোট ও ব্যাংক নোটের পৃথক অস্তিত্ব থাকার প্রয়োজন রয়েছে।

148

Related Question

View All
উত্তরঃ

চাওয়ামাত্র প্রাপককে অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের এক শাখা, অন্য শাখা বা প্রতিনিধি ব্যাংককে যে লিখিত নির্দেশ দেয় তাকে ব্যাংক ড্রাফট বলে।

405
উত্তরঃ

মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গ্রাহক ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিল পরিশোধের সুযোগ পায়, যা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করেছে।

আধুনিক ব্যাংকিং-এর নতুন সংযোজন হলো মোবাইল ব্যাংকিং। বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংক বিকাশ নামে ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক রকেট নামে এ ধরনের ব্যাংকিং চালু করেছে, যা আমাদের দেশে মোবাইল ব্যাংকিংকে জনপ্রিয় করেছে।

297
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রুবিয়া তার মায়ের নিকট হতে সরকারি নোট পেল।

কোনো দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নোটই হলো সরকারি নোট। সরকারের অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অধীনে এ নোট ছাপা হয়। এ নোটে সরকারের পক্ষে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ্য, বাজারে যাওয়ার সময় রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আবার তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোট দিল। ২ টাকার নোটে সে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা দেখতে পেল। রুবিয়ার এ ২ টাকার নোটগুলোর সাথে সরকারি নোটের মিল রয়েছে। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে সরকার এ ধরনের নোট ইস্যু করে। এ নোটে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার', 'বাংলাদেশ সরকার' শব্দসমূহ লিখা থাকে। এছাড়া, এ নোটের ওপর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোগোও থাকে। যা রুবিয়ার ২ টাকার নোটেও রয়েছে। তাই বলা যায়, রুবিয়া তার মায়ের কাছ থেকে সরকারি নোট পেল।

243
উত্তরঃ

'বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে রুবিয়ার বাবার দেওয়া নোট তার মায়ের দেওয়া নোট থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ'- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।

সরকারের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজি মুদ্রা বা নোট ইস্যু করে তা হলো ব্যাংক নোট। এ নোটে ব্যাংকের গর্ভনরের স্বাক্ষর থাকে।

বাংলাদেশে ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১,০০০ টাকা ব্যাংক নোট হিসেবে প্রচলিত।

উদ্দীপকে রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আর তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোেট দিল। এক্ষেত্রে ৫ ও ১০ টাকার নোট ব্যাংক নোট। অন্যদিকে, ২ টাকার নোেট সরকারি নোট।

১ টাকা ও ২ টাকার সরকারি নোট দিয়ে বড় লেনদেন করা সম্ভব না। উদাহরণস্বরূপ- রুবিয়া মুদি দোকান থেকে পানি কিনে দোকানদারকে ১০০ টাকার একটি নোট দেয়। সে দোকানদারের কাছ থেকে ৫০ টাকার, ২০ টাকার ও ২ টাকার নোটগুলো ফেরত পায়। এক্ষেত্রে দোকানদার সরকারি নোটের মাধ্যমে ফেরত দিতে চাইলে অনেকগুলো সরকারি নোটের প্রয়োজন হতো। আবার রুবিয়ার সরকারি নোটের মাধ্যমে পানি কিনতেও অনেকগুলো নোটের প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু ব্যাংক নোটের মাধ্যমে এ লেনদেন খুব সহজে ও অল্প নোটের মাধ্যমে করা যায়। এছাড়া লেনদেন লক্ষ বা কোটিতে করা হলে সরকারি নোটে তা অসম্ভব ছিলো। তাই বলা যায়, বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যাংক নোটই বেশি উপযোগী।

নোট: ২০১৬ সালের জুন মাস থেকে ৫ টাকার নোট সরকারি নোটের অন্তর্ভূক্ত হয়। পূর্বে ৫ টাকার নোট ব্যাংক নোট ছিল। ৫ টাকার নোটকে ব্যাংক নোট ধরে উত্তর দেওয়া হলো।

246
উত্তরঃ

যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রদত্ত নীতিমালা মেনে চলার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

251
উত্তরঃ

সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।

এই ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এই ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।

485
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews