উদ্দীপকের 'ক' দেশের সাথে অর্থনীতিতে আলোচ্য কোন তত্ত্বটি সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' দেশের সাথে অর্থনীতিতে আলোচ্য যে তত্ত্বটি সামঞ্জস্যপূর্ণ তা হলো ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

টমাস রবার্ট ম্যালথাস ১৭৯৮ সালে জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদনের মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ক যে বক্তব্য তার জনসংখ্যা বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ 'An Essay on the Principle of Population'-এ প্রদান করেন, তা-ই ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব নামে পরিচিত। ম্যালথাসের তত্ত্বের মূল বক্তব্য হলো অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে (১, ২, ৪, ৮. ১৬, ৩২) বৃদ্ধি পায় এবং জীবনধারণের উপকরণ খাদ্য বৃদ্ধি পায় গাণিতিক হারে (১, ২, ৩, ৪, ৫)। ম্যালথাস মনে করেন, আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে জনসংখ্যা বেশি হলে মানুষের উন্নতি ও সুখ হবে না। সীমিত সম্পদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা অর্থনৈতিক সুখকে নস্যাৎ করে দেয়।

এছাড়াও ম্যালথাস মনে করেন, সময় ব্যবধানে জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদনের মধ্যে ব্যবধান হয় অপরিমেয়। তিনি মনে করেন প্রতিটি দেশেই প্রতি ২৫ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়। কিন্তু জমিতে ক্রমহ্রাসমান উৎপাদন বিধি কার্যকর বলে খাদ্য উৎপাদন বাড়তে পারে না। উদ্দীপকের সারণিতে দেখা যায়, প্রতি ২৫ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়। এভাবে ৫০ বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় ৪ গুণ, কিন্তু খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ৩ গুণ। অনুরূপভাবে ১২৫ বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় ৩২ গুণ, কিন্তু খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ৬ গুণ। এভাবে ২০০০ বছর পর এ ব্যবধান হবে অপরিমেয়। ফলে খাদ্য সংকট তীব্রতর হয়ে মানুষের দুর্দশা বৃদ্ধি করবে।

অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' দেশের সাথে অর্থনীতিতে আলোচ্য ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
47

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাই হলো আত্মকর্মসংস্থান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

একটি দেশের জনসংখ্যার মধ্যে মৃত্যুর শতকরা অংশকে 'মৃত্যুহার বলে। মৃত্যুহার জনসংখ্যাকে হ্রাস করে বলে জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার বেশি হলে জনসংখ্যা হ্রাস পায়। আবার জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার কম হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন কারণে মৃত্যুহার হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
130
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করে গ্রামে এসে মৎস্য খামারের কাজ শুরু করে। বর্তমানে একজন উচ্চশিক্ষিত ছেলে গ্রামে এসে মৎস্য চাষ করবে, এটা কেউ ভাবতেই পারে না। কারণ, এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে কেউ গ্রামে গিয়ে মৎস্য চাষ করতে চায় না। তেমনি অধ্যক্ষ সাহেবও চাননি। কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে চায় নিজের উদ্যোগে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে। যেকোনো চাকরি করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অধীনে কাজ করতে হয়। তাদের কথামতো সব কাজকর্ম করতে হয়। নিজের কোনো স্বাধীনতা থাকে না। কিন্তু যখন নিজের উদ্যোগে কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তখন আর কারও অধীন থাকতে হয় না। নিজের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজ করা যায়।

অতএব বলা যায়, উল্লিখিত কারণেই অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে এমএসসি পাস করেও গ্রামে এসে নিজ উদ্যোগে মৎস্য খামারে কাজ শুরু করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
71
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি হচ্ছে আত্মকর্মসংস্থান। নিচে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করা হলো-

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক ব্যক্তি বেকারত্ব লাঘবে স্বাধীনভাবে কোনো উৎপাদনকর্মে নিয়োজিত হলেই তাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশের মতো জনাধিক্যের দেশের সব শ্রমশক্তিকে প্রচলিত ধারায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া সম্ভম্ব নয়।
বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকারত্বের কারণে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করার মতো মূলধন সরকারের না থাকায় আত্মকর্মসংস্থান সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ কমায়। বেকারত্ব ও দরিদ্রতা সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দেয়, তাই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূর করতে
পারলে সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠী উন্নয়নকাজে অংশগ্রহণ করলে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়।

উপর্যুক্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
77
উত্তরঃ

জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, DP = TPTA যেখানে, DP = জনসংখ্যার ঘনত্ব, TP = মোট জনসংখ্যা, TA = মোট আয়তন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
121
উত্তরঃ

যে জনসংখ্যায় একটি দেশের উৎপাদন ও আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। একটি দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ, মূলধন ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে জনসংখ্যা যে আয়তন/পরিমাণ দ্বারা সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় অর্জিত হয়, সেই জনসংখ্যার আয়তন/পরিমাণকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয়। কাম্য জনসংখ্যায় মোট জনসংখ্যা ও কর্মজীবী জনসংখ্যার অনুপাত স্থির থাকে। তাই উক্ত জনসংখ্যায় পূর্ণ নিয়োগ অবস্থা বর্তমান থাকে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
135
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews