উদ্দীপকের ন্যায় সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্ব রাজনীতির ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে বিশ্ব দ্বিমেরুবিশিষ্ট রাজনৈতিক পরাশক্তি বলয়ের বিভক্তি থেকে একক পরাশক্তি বলয়ের রাজনৈতিক বিশ্বব্যবস্থায় প্রবেশ করে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলা করার জন্য কোনো আদর্শ, কোনো দেশ বা সংস্থার অস্তিত্ব আর রইল না। পূর্ব ইউরোপে শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তিত হয়ে যায়। NATO-এর প্রভাব প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় এবং সোভিয়েত প্রভাব লুপ্ত হওয়ায় পূর্ব ইউরোপ, বাল্টিক অঞ্চল প্রভৃতি স্থানে মোতায়েনকৃত বিপুল মার্কিন সৈন্য ও সরঞ্জাম সেখান থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পুনঃমোতায়েনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন শক্তিশালী হয়। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলো সংযুক্ত হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোন তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে। অভিন্ন মুদ্রা 'ইউরো' প্রচলন করে শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে বিশ্বে স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে মধ্য এশিয়ায় কতিপয় মুসলিম রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। মস্কো অতীতে তার মধ্য এশীয় মুসলিম দেশগুলোর দ্বারা মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর সাথে ভারসাম্য রক্ষা করে চলত।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে সে ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে মধ্য এশীয় মুসলিম দেশগুলোতে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মহামারির আকারে ছড়িয়ে পড়ে। যার কুফল রাশিয়াকে ব্যাপকভাবেই আক্রান্ত কবে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে রাশিয়া অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হয়। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এবং চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
Related Question
View Allরাজাই হলো রাষ্ট্র" উক্তিটি চতুর্দশ লুইয়ের।
লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার এবং ৫. গ্র্যান্ড ক্রস।
উদ্দীপকের ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বার্লিন প্রাচীর মিল পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ে আলোচিত ঐতিহাসিক বার্লিন প্রাচীরের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত রহিম ও করিম দুই ভাই। বাবার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি ভাগাভাগি করে নেয়। ঝামেলা শুরু হয় ভাইয়ের বিয়ের পর। একপর্যায়ে তারা আলাদা হয়ে যায় এবং তাদের বাড়ির মাঝখান দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে একত্রে বসবাস শুরু করে। অনুরূপ ঘটনা জার্মানির বার্লিন প্রাচীরকে নিয়ে ঘটেছিল। বার্লিন প্রাচীরকে সরকারিভাবে বলা হয় ফ্যাসিবাদবিরোধী দুর্গ। ১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানির জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বার্লিন প্রাচীর হয়ে ওঠে সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বিভেদ চিহ্ন। ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলে আবার পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানির একত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘোষণা করেন, GDR-এর সকল নাগরিক পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি ভ্রমণ করতে পারবে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনতা বার্লিন প্রাচীরের কতকাংশ স্বউদ্যোগে ভেঙে ফেলে। ১৩ জুন ১৯৯০ সাল থেকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী বার্লিন প্রাচীর সরকারিভাবে ভেঙে ফেলতে শুরু করে। ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয় এবং ১৯৯১ সালের শেষ নাগাদ এ প্রাচীর ভাঙার কাজও সমাপ্ত হয়।
সুতরা বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে বার্লিন প্রাচীরের মিল হয়েছে।
এ উক্ত ঘটনা অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির একত্রিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর হয় উক্তিটি যথার্থ।
উক্ত ঘটনা অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির একত্রিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর হয় উক্তিটি যথার্থ।
১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানির জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে। ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলে আবার পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি একত্রিত হওয়ার সিদ্ধান্ত * গ্রহণ করে। বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দুই জার্মানির একত্রীকরণ প্রক্রিয়া। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘোষণা করেন, GDR-এর সকল 'নাগরিক পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি ভ্রমণ করতে পারবে। এর ফলে দলে দলে লোক বার্লিন প্রাচীর টপকে পশ্চিম জার্মানিতে গমন করে। পশ্চিম জার্মানির জনগণ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনতা বার্লিন প্রাচীরের কতকাংশ স্বউদ্যোগে ভেঙে ফেলে। ১৩ জুন ১৯৯০ থেকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী বার্লিন প্রাচীর সরকারিভাবে ভেঙে ফেলতে শুরু করে। ১৯৯১ সালের শেষ নাগাদ এ প্রাচীর ভাঙার কাজও সমাপ্ত হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দু জার্মানির একত্রীকরণ প্রক্রিয়া।
নিকোলাই চসেঙ্কু রোমানিয়া শাসন করতেন।
হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটেছিল পর্যায়ক্রমিকভাবে। হাঙ্গেরির অর্থনৈতিক অধঃপতন কাটিয়ে উঠার কোনো প্রত্যাশিত সমাধান কাদার সরকার দিতে পারেনি। ফলে তার প্রতিপক্ষ ক্যারোলি দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করেন। কিন্তু তারাও এ অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি সাধন করতে পারেনি। ১৮৮৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় গোলটেবিল বৈঠকে ক্ষমতা, হস্তান্তর ও একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার পদ্ধতি কী হবে তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হয়। কিছুদিন পূর্ব থেকেই নতুন শাসনতন্ত্র রচনার কাজ আইন মন্ত্রণালয়ে চলে আসছিল। অবশেষে ২৩ অক্টোবর অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট মার্টিয়াস জুরোস হাঙ্গেরিতে দীর্ঘদিন চলতে থাকা সমাজতন্ত্রের স্থলে শুধু 'প্রজাতন্ত্র' বলে সরকারিভাবে ঘোষণা করেন। এভাবেই হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!