উদ্দীপকের বিষয়টি জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রম 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' বাস্তবায়নের অন্তরায়।
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ উন্নয়ন সম্পর্কিত উদ্যোগ। ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সাল নাগাদ পরিচালিত এ কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে যার একটি হলো জেন্ডার বৈষম্য দূর করা। আর উদ্দীপকটি এ বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছে।
উদ্দীপকে নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে বিরাজমান বেতন বৈষম্যের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। দেশের নারী ক্রিকেটাররা যেখানে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতন পান সেখানে পুরুষ ক্রিকেটারদের সর্বনিম্ন বেতনই হলো লাখের কাছাকাছি। বিষয়টি আমাদের দেশের জেন্ডার বৈষম্যের একটি লক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। এ অবস্থা টেকসই উন্নয়নের বাধাস্বরূপ। কেননা টেকসই উন্নয়ন হলো সামগ্রিক উন্নয়নের কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনা। এতে সমাজের প্রত্যেক শ্রেণির অংশগ্রহণ, সঠিক মূল্যায়ন ও যথার্থ কর্মসুযোগ থাকা বাঞ্ছনীয়। আমাদের সমাজের নারীদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক। এই অর্ধেক জনসংখ্যা যদি পিছিয়ে পড়ে তাহলে সমাজের উন্নয়নও পিছিয়ে পড়বে। আর এ অবস্থা কখনোই টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সফলতা আনতে পারে না। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়টি অর্থাৎ জেন্ডার বৈষম্য জাতিসংঘের এসডিজি অর্জনে বাধাস্বরূপ।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!