উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষজ্ঞদের মতটি সম্পূর্ণ সঠিক।
একটি দেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছানোর জন্য সামগ্রিক উন্নয়নের কথা ভাবা জরুরি। টেকসই উন্নয়ন হলো সামগ্রিক উন্নয়নের কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো জেন্ডার বৈষম্য। সমাজের সব ক্ষেত্রে এই বৈষম্য আমাদের সামগ্রিক উন্নয়নে মোটেও সহায়ক নয়। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়টির প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন।
উদ্দীপকে নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে বিরাজমান বেতন বৈষম্যের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। দেশের নারী ক্রিকেটাররা যেখানে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতন পান সেখানে পুরুষ ক্রিকেটারদের সর্বনিম্ন বেতনই হলো লাখের কাছাকাছি। বিষয়টি আমাদের দেশের
জেন্ডার বৈষম্যের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র। আমাদের দেশের মেয়েরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে তারা কর্মক্ষেত্রে বেতন বৈষম্যের শিকার। একজন পুরুষ ও একজন নারী একই পরিমাণ সময় ও শ্রম দিয়ে পুরুষের তুলনায় প্রায় অর্ধেক বেতন পাচ্ছে। এর ফলে সে নিজে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তার পারিবারিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রের এ বৈষম্য দেখে অনেক নারী পেশা গ্রহণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে সেই সাথে দেশের উন্নয়নও ব্যাহত হচ্ছে। আমাদের সমাজে নারীদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক। এই অর্ধেক জনসংখ্যা যদি পিছিয়ে পড়ে তাহলে সমাজের উন্নয়নও পিছিয়ে পড়বে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষজ্ঞদের মতামতটি যথার্থ।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!