উদ্দীপকের হাসানের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতায় প্রকাশিত ক্ষমা ও মহানুভবতার সাদৃশ্য রয়েছে।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি সহানশীলতা, উদারতা ও ক্ষমাশীলতার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। কবি সমাজে বিদ্যমান হানাহানি-হিংসা-বিদ্বেষের বিপরীতে প্রীতিময় পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। কেননা, ভালোবাসাপূর্ণ মানুষই নির্মাণ করতে পারে সুন্দর, নিরাপদ পৃথিবী। কবি অনিষ্টকারীর উপকার করার মাধ্যমে মহানুভবতার শক্তিতে পৃথিবী নির্মল ও সুন্দর করে তুলতে চেয়েছেন। কেননা, অপরের উপকারেই মানবজীবনের সুখ ও সার্থকতা নিহিত। 4
উদ্দীপকে হাসান তাঁর বিষদাতার পরিচয় জেনেও কোনো প্রতিশোধ গ্রহণ করেন না; বরং ভাইকে স্থির থাকতে বলেন। বিষদাতার প্রতি তাঁর মনে কোনো বিদ্বেষ নেই এবং তাকে তিনি ক্ষমা করেছেন বলেও স্পষ্ট জানান। শুধু তাই নয়, প্রতিজ্ঞা করেন তাঁর বিষদাতার জন্য তিনি ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। 'প্রতিদান' কবিতায়ও কবি অনিষ্টকারীর ওপর প্রতিশোধের বীজ বপন না করে তার উপকার করার মাধ্যমেই পৃথিবীতে শান্তি স্থাপন করতে চেয়েছেন। তাই দেখা যায়, ক্ষমাশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্দীপকের হাসানের সঙ্গে 'প্রতিদান' কবিতার মিল পাওয়া যায়। উভয় জায়গায় অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করা ও তার মঙ্গলকামনার বিষয়টি লক্ষ করা যায়।
Related Question
View Allকি
অবিরাম,অনবরত। ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!