উদ্দীপকের জনসংখ্যা সমস্যা শিয়ালদি গ্রামের সামাজিক পরিবর্তনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি।
কোনো গোষ্ঠী বা সমাজের জনসংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি এবং গঠন প্রকৃতির ফলে সমাজের পারিবারিক জীবন, গোষ্ঠী জীবন ও সামাজিক জীবনে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হয়। বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে যেটুকু ভূমি রয়েছে তার তুলনায় দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি, যা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ছিল মাত্র সাত কোটি। এই বাড়তি জনসংখ্যার চাপে সমাজজীবনে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। যেমন এর ফলে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে, আবাদি জমি কমে যাচ্ছে, নগর জীবনে বস্তি সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, অপরাধীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে নিরক্ষরতাও দিন দিন বেড়ে চলেছে। কারণ যে হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সে হারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা কাঠামো তৈরি হচ্ছে না। ফলে অধিকাংশ ছেলেমেয়েরাই নিরক্ষর থেকে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে নগর জীবনে খুন, ডাকাতি, চুরি, রাহাজানি, মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন সমস্যার উদ্ভব হচ্ছে। সর্বোপরি এই বাড়তি জনসংখ্যা পরিবেশের ওপরও চাপ প্রয়োগ করছে। ফলে দিন দিন পরিবেশ তার প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। এ কারণে দেখা যায়, অতিরিক্ত জনসংখ্যার প্রভাবে যে সামাজিক পরিবর্তন সংঘটিত হয় তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমাজকাঠামোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, জনসংখ্যা সমস্যা সামাজিক পরিবর্তনে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!