অনিষ্টকারীর মঙ্গল কামনা করার প্রেক্ষিতে উদ্দীপকের সাথে 'প্রতিদান' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে দিতে বলেছেন। প্রয়োজন হলে উপকার করে অনিষ্টকারীকে প্রতিদান দিতে বলেছেন।
কারণ কবি হিংসা-বিদ্বেষে বিশ্বাস করেন না। তিনি মনে করেন, ভালোবাসাই পৃথিবীতে চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। প্রতিহিংসা-প্রতিশোধ কখনো মজাল বয়ে আনতে পারে না। তাই ক্ষমা ও দায়িত্বশীল আচরণই মানুষকে একত্রিত করতে পারে।
উদ্দীপকের মতিন মণ্ডলের দুটি কাপ ভেঙে ফেললে বজলুকে অনেক মারধর সহ্য করতে হয়। কিন্তু তবুও বজলু তার মনিবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। সে মনিবের আমানত ফিরিয়ে দিয়েছে। তাই বলা যায়, মনিবের অত্যাচার সহ্য করেও তার প্রতি সৎ ও দায়িত্বণদ থাকার মাধ্যমে বজলুর মাঝে অনিষ্টকারীকে ক্ষমা প্রদর্শন করে, তার মঙ্গলকামনার মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এ দিকটি 'প্রতিদান' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
Related Question
View Allকি
অবিরাম,অনবরত। ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!