উদ্দীপকের সাথে 'বৃষ্টি' কবিতার ভাবগত মিল থাকলেও গঠনগত মিল নেই- উক্তিটি যথার্থ।
প্রকৃতি বৃষ্টির ছোঁয়ায় সজীব হয়ে ওঠে, আবার কখনো নতুনত্বের ছোঁয়া পায়। প্রকৃতির বৈচিত্র্য চারদিকে যেমন নতুন প্রাণ ছড়িয়ে দেয়, তেমনই মানুষের মনেও নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়। প্রকৃতি ও মানুষের মনের সংযোগ অত্যন্ত নিবিড় ও অপ্রতিরোধ্য।
উদ্দীপকে বাদল দিনের মাতাল হাওয়ায় মানুষের মনের ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। বনের আড়ালে ডাহুকীর ডাক শুনে মন উতলা হয়ে উঠেছে। অজানা কোনো ডাক পেতে ইচ্ছে করে মানুষের আর ছুটে যেতে ইচ্ছে করে নাম না-জানা ভুবনে। প্রকৃতির গাছপালা, ময়ূর, বন সবকিছুই নিজের মনের খেয়ালে মেতে উঠলে মানুষও নিজের মনের খেয়ালে মেতে উঠতে চায়। কবিতায় বৃষ্টির দিনের প্রকৃতির নতুন রং ও বৈচিত্র্য ফুটে উঠেছে। মাঠ, ঘাট, বন, আকাশ, গাছপালা এবং মানুষের মন সবকিছুই যেন বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে। প্রতীক্ষিত বৃষ্টি চলে এলে প্রকৃতিতে নতুনত্বের ছোঁয়া লাগে, মানুষের মনও সেই ছোঁয়াতেই ব্যাকুল হয়ে ওঠে। মনের অজান্তে হারিয়ে যায় অতীতের মাঝে।
উদ্দীপকের বাদল দিনের প্রকৃতি এবং মানুষের মনের ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু কবিতায় বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা, তার আগমন, আগমনের পরে প্রকৃতির অবস্থা এবং মানুষের মনের পরিস্থিতি ফুটে উঠেছে। প্রকৃতি ও মানুষের মনের পরিস্থিতির সঙ্গে মিল থাকলেও উদ্দীপকে প্রকৃতি ও মানুষের সার্বিক দিক ফুটে ওঠেনি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে 'বৃষ্টি' কবিতার ভাবগত মিল থাকলেও গঠনগত মিল নেই।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!