উদ্দীপকে ১ম কক্ষে দেখা বিষয়টি হলো সিটিস্ক্যান এবং ২য় কক্ষে দেখা বিষয় হলো রেডিওথেরাপি।
সিটিস্ক্যান দ্বারা কোনো অস্থি বা পেশির স্থান পরিবর্তন, অস্থি, টিউমার, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরন বা শারীরিক ক্ষতির নিখুঁত অবস্থান জানা যায়। মাথায় আঘাত পেলে মস্তিষ্কে কোনো রক্তক্ষরণ হয়েছে কিনা তা বোঝার সঠিক উপায় হলো সিটিস্ক্যান। সিটিস্ক্যানে তেমন একটা ঝুঁকি নেই। এতে এক্সরে ব্যবহার করা হয় বলে খুব সামান্য তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হয়। এছাড়া কখনো কখনো সিটিস্ক্যানে রং ব্যবহার করা হয় যা কারো ক্ষেত্রে এলার্জির কারণ হতে পারে
রেডিওথেরাপি হলো ক্যান্সার আরোগ্য বা নিরাময় করার একটি কৌশল। এক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ব্যবহার করা হয়। রেডিওথেরাপির বেশ কিছু ঝুঁকি রয়েছে। যেমন-
চুল পড়ে যাওয়া।
– চামড়া ঝুলে যাওয়া।
– মুখের ভেতরের অংশ ও গলা শুকিয়ে যাওয়া।
-বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া বা বদহজম।
– প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অবসাদ।
উপরের আলোচনা দ্বারা আমরা বুঝতে পারি, সিটিস্ক্যান ও রেডিওথেরাপির মধ্যে রেডিওথেরাপি শরীরের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!