'A' চিহ্নিত স্তরটি হলো ভূত্বক। ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ থেকে পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রায় ১০০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত হালকা উপাদানে গঠিত হয়েছে অশামণ্ডল। এ মন্ডলের বাইরের আবরণই হলো ভূত্বক।
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায়, তা ভূত্বক। ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূ-ত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম, যা গড়ে ২০ কিলোমিটার। ভূত্বক মহাদেশের তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু। ভূত্বকে সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম অধিক। ভূত্বকের শিলাস্তরগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা হছেয়ে। যথা- সিয়াল বা হালকা শিলাস্তর এবং সিমা বা ভারী শিলাস্তর। সাধারণত মহাদশেীয় ভূত্বকের স্তরকে সিয়াল বলে। আর সিমা হলো ভূত্বকের নিচের অংশ। এটি সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম দিয়ে তৈরি। এ শিলাস্তর সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী। সমুদ্র তলদেশ এ শিলাস্তর দিয়ে তৈরি।
ভূত্বকের উপরের ভাগেই পৃথিবীর বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি। ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে।
Related Question
View Allযে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে।
উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।
প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!