উদ্দীপকের 'B' হলো, গুরুমণ্ডল আর 'C' হলো কেন্দ্রমণ্ডল। নিচে গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো।
ভূত্বকের নিচে গুরুমণ্ডল অবস্থিত এবং গুরুমণ্ডলের ঠিক নীচে কেন্দ্রমণ্ডল অবস্থিত। গুরুমণ্ডল সাধারণত ২,৮৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। আর গুরুমণ্ডলের নিচ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত কেন্দ্রমণ্ডল বিস্তৃত। গুরুমণ্ডলে সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ রয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রমণ্ডলে লোহা, নিকেল ও পারদ ও সিসা রয়েছে। তবে এর প্রধান উপাদান হলো নিকেল ও লোহা। গুরুমণ্ডল দুই ভাগে বিভক্ত। যথা- ঊর্ধ্বগুরুমণ্ডল ও নিম্নগুরুমণ্ডল। বহিঃকেন্দ্র ও অন্তঃকেন্দ্র নামে কেন্দ্রমণ্ডলও দু'ভাগে বিভক্ত। গুরুমণ্ডল মাঝে এবং কেন্দ্রমণ্ডল কেন্দ্রে অবস্থিত।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, চিত্রের 'B' ও 'C' চিহ্নিত মণ্ডল অর্থাৎ গুরু ও কেন্দ্রমন্ডলের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।
Related Question
View Allযে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে।
উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।
প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!