উদ্দীপকের 'Z' হলো DNA এবং 'X' হলো রাইবোসোম। রাইবোসোম থেকে সৃষ্ট বস্তু হলো প্রোটিন। এই প্রোটিন থেকে বিভিন্ন এনজাইম তৈরি হয়। আর DNA এর প্রতিরূপ সৃষ্টির প্রক্রিয়া হলো DNA অনুলিপন। DNA অনুলিপন একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া যেখানে বিভিন্ন এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই এনজাইমগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে DNA-এর নির্ভুল অনুলিপন নিশ্চিত করে যেন জিনগত তথ্য সঠিকভাবে পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়।
প্রথমেই হেলিকেজ এনজাইম DNA-এর ডাবল হেলিক্সের হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে দুই স্ট্র্যান্ডকে আলাদা করে। এরপর সিঙ্গেল-ট্র্যান্ডের ডিএনএ বাইন্ডিং প্রোটিন আলাদা হওয়া স্ট্যান্ডগুলোকে স্থিতিশীল রাখে, যাতে সেগুলো আবার জোড়া না লাগে। প্রাইমেজ নামক এনজাইম একটি ছোট RNA প্রাইমার তৈরি করে। এটি নতুন ডিএনএ সংশ্লেষণের সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করে। এরপর ডিএনএ পলিমারেজ নতুন নিউক্লিওটাইড যুক্ত করে মূল স্ট্র্যান্ডের বিপরীতে কমপ্লিমেন্টারি স্ট্যান্ড তৈরি করে। লিডিং স্ট্র্যান্ডের জন্য এটি একটানা কাজ করে কিন্তু ল্যাগিং স্ট্যান্ডের ক্ষেত্রে ওকাজাকি ফ্ল্যাগমেন্ট তৈরি হয়, যা পরে ডিএনএ লাইগেজ একত্রিত করে। এছাড়াও, টপোআইসোমারেজ এনজাইম DNA-এর অতিরিক্ত পাক খোলা রাখে এবং ক্ল্যাম্প প্রোটিন DNA পলিমারেজকে স্থিরভাবে সংযুক্ত রাখে। ফলে এটি কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে। এই সমস্ত প্রোটিনজাত এনজাইম ও প্রোটিনের সমন্বিত ক্রিয়ার ফলে DNA-এর সঠিক অনুলিপন বা প্রতিরোধ তৈরি হয়।
তাই বলা যায়, DNA অনুলিপন বা প্রতিরূপ সৃষ্টি সম্পূর্ণরূপে এনজাইম তথা প্রোটিনের উপর নির্ভরশীল যা রাইবোসোম হতে সৃষ্ট বস্তু।
Related Question
View Allপ্রোটন পাম্পের কারণে কোষের ভেতরের সাথে বাইরের pH ও (+) Ve চার্জের যে তারতম্য হয় তাই প্রোটন মোটিভ ফোর্স।
ক্রোমোপ্লাস্ট নামক এক ধরনের রঙিন বর্ণযুক্ত প্লাস্টিডের কারণে উদ্ভিদের ফুলের পাঁপড়ি তথা পুষ্প রঙিন হয়। সবুজ বর্ণ ব্যতীত অন্যান্য বর্ণের রঙিন প্লাস্টিডগুলোকে বলা হয় ক্রোমোপ্লাস্ট। ক্যারোটিন এবং জ্যান্থোফিল নামক দু'প্রকার রঞ্জক পদার্থ বিভিন্ন অনুপাতে থাকায় এরা হলুদ, কমলা বা লাল বর্ণের হয়। এরা ফুলের পাঁপড়িতে উপস্থিত থেকে ফুল তথা, পুষ্পে বর্ণ বৈচিত্র্যের সৃষ্টি করে। ফুলের বিভিন্ন অঙ্গে অবস্থান করে এরা কীটপতঙ্গসহ উচ্চ শ্রেণির প্রাণীদের আকৃষ্ট করে। ফলে, পরাগায়ন সহজতর হয়।
উদ্দীপকের উদ্ভিদ কোষের প্রথম আবরণ দ্বারা কোষ' প্রাচীরকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে কোষ প্রাচীরের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-
উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। সেলুলোজ হলো একটি পলিস্যাকারাইড যা ৬ কার্বন বিশিষ্ট B-D গ্লুকোজের অসংখ্য অণু নিয়ে গঠিত। ১ হাজার থেকে ৩ হাজার সেলুলোজ অণু নিয়ে একটি সেলুলোজ চেইন গঠিত হয়। প্রায় ১০০টি সেলুলোজ চেইন মিলিতভাবে একটি ক্রিস্টালাইন মাইসেলি গঠন করে। প্রতিটি মাইসেলির ব্যাস ১০০Å I মাইসেলিকে কোষ প্রাচীরের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক ধরা হয়। প্রায় ২০টি মাইসেলি মিলে একটি মাইক্রোফাইব্রিল গঠন করে। এদের ব্যাস ২৫০৪। আবার, ২৫০টি মাইক্রোফাইব্রিল মিলিতভাবে একটি ম্যাক্রোফাইব্রিল গঠন করে। এগুলোর ব্যাস প্রায় 0.8jun। ম্যাক্রোফাইব্রিলের ফাঁকে ফাঁকে মাইক্রোক্যাপিলারিজ অবস্থান করে। অনেকগুলো ম্যাক্রোফাইব্রিল মিলিত হয়ে তন্তু গঠন করে কোষ প্রাচীরে জালের ন্যায় বুনন সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম আবরণটি হলো কোষ প্রাচীর এবং দ্বিতীয় আবরণটি হলো কোষঝিল্লি বা প্লাজমামেমব্রেন। নিচে কোষ প্রাচীর ও কোষঝিল্লির মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
- কোষ প্রাচীর উদ্ভিদকোষ ও ব্যাকটেরিয়ার কোষঝিল্লির বাইরে 'অবস্থান করে, প্রাণিকোষে থাকে না। সকল জীবকোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে কোষঝিল্লি থাকে l
- কোষ প্রাচীর তিনটি স্তরে বিন্যস্ত; যথা- মধ্যপর্দা, প্রাথমিক প্রাচীর ও সেকেন্ডারি প্রাচীর। কোষঝিল্লি প্রোটিন (বাইরে ও ভিতরে দু'স্তর) ও লিপিড (মধ্যাংশে দু'স্তর) এর দুটি স্তর নিয়ে গঠিত।
- কোষ প্রাচীর কখনও ভেদ্য কখনও অভেদ্য। কোষঝিল্লি সর্বদাই বৈষম্যভেদ্য।
- কোষ প্রাচীরে মাইক্রোভিলাই না থাকলেও কোষঝিল্লিতে মাইক্রোভিলাই থাকে।.
- কোষ প্রাচীর পুরু এবং দৃঢ়; প্রধানত সেলুলোজ নির্মিত; তবে পেকটিন, কাইটিন, লিগনিন, ইত্যাদিও থাকতে পারে। অপরদিকে কোষঝিল্লি খুব সূক্ষ্ম, স্থিতিস্থাপক; প্রধানত লিপোপ্রোটিন দিয়ে গঠিত, তবে গ্লাইকোপ্রোটিন, ফসফোলিপিড, গ্লাইকোলিপিড, স্টেরল ইত্যাদি সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে।
- কোনো কোনো কোষের কোষ প্রাচীরে নানারকম অলঙ্করণ- দেখা যায়। কোষঝিল্লিতে কোনোরূপ অলঙ্করণ দেখা যায় না।
উপরের আলোচনা সাপেক্ষে বলা' যায়, কার্যিক ও 'গাঠনিক ভিন্নতার কারণেই দ্বিতীয় আবরণ বা কোষঝিল্লি প্রথমটি অর্থাৎ কোষপ্রাচীর থেকে পৃথক।
খাদ্যভাব দেখা দিলে বা কোষ মৃত্যুমুখে পতিত হলে লাইসোসোম কোষস্থ উপাদান ও অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয় যাকে বলা হয় অটোফ্যাগী।
বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জেনেটিক কোডের কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা হয়েছে। যেমন- জেনেটিক কোড সর্বদা তিন অক্ষরবিশিষ্ট হয় এবং একটি কোড সর্বদা একটি অ্যামিনো অ্যাসিডকে নির্দেশ করে। সকল জীবে নির্দিষ্ট একটি কোডন একই অর্থ বহন করে। একটি . কোডের অক্ষর অন্য কোডে অন্তর্ভুক্ত হয় না এবং শুরু ও সমাপ্তি কোড সুনির্দিষ্ট।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
