উদ্দীপকে উল্লিখিত দুই অঞ্চলের লোকদের জীবনধারায় প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে। এজন্যই মানব সমাজের প্রকৃতি, আচার-আচরণ ও সংস্কৃতির ওপর পরিবেশের প্রভাব স্পষ্ট।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, উভয় অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, উদ্ভিদ প্রাণী, যাতায়াত ব্যবস্থা, সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস, আচার-ব্যবহার, নিয়মকানুন, পোশাক-পরিচ্ছদ, সামাজিক রীতিনীতি, বিশ্বাস ইত্যাদি উভয় অঞ্চলের নিজ নিজ পরিবেশ উপযোগী হয়ে গড়ে উঠেছে। পাহাড়ি এলাকা হচ্ছে দুর্গম। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাতায়াত কষ্টসাধ্য। এজন্য পাহাড়ি এলাকায় জনবসতি কম। অন্যদিকে দিনাজপুর সমভূমি অঞ্চল। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সহজে যাতায়াত করা যায়। কাজের সুযোগ পাহাড়ি এলাকা থেকে সমভূমি অঞ্চলে বেশি এবং পণ্য পরিবহনও সহজে করা যায়। সমভূমি অঞ্চলে ব্যবসায়-বাণিজ্যের যোগাযোগ দ্রুত করা যায়। ভৌগোলিক কারণেই মূলত উল্লিখিত দুই অঞ্চলের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
সুতরাং বলা যায়, দুই অঞ্চলের লোকদের মধ্যে জীবনধারণের মধ্যে পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
Related Question
View Allপোড়াবাড়ি চমচমের জন্য বিখ্যাত।
আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে। সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।
সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হলো পরিবার।.
সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!