উদ্দীপকে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি অর্থাৎ জিন বিনিময় প্রযুক্তি কৃষি উন্নয়নে যেভাবে ব্যবহৃত হয় তা হলো-
অনুচারা তৈরি: টিস্যুকালচার পদ্ধতিতে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গের ক্ষুদ্র অংশ যেমন- মূল, কাণ্ড, পাতা অঙ্কুরিত চারার বিভিন্ন অংশ ইত্যাদি অঙ্গসমূহ থেকে অসংখ্য রোগমুক্ত অণুচারা উৎপন্ন করা হয়। যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদে পরিণত হয়।
অধিক ফলনশীল জাত সৃষ্টি: কোনো বন্য উদ্ভিদের উৎকৃষ্ট জিন
ফসলি উদ্ভিদে প্রতিস্থাপন করে উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা যাচ্ছে। ফলে একই জমিতে আগের চেয়ে অধিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে।
গুণগত মান উন্নয়ন: জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভিদের গুণগতমান যেমন- বর্ণ, পুষ্টি গুণ, স্বাদ ইত্যাদির উন্নয়ন করা হয়েছে।
সুপার রাইস সৃষ্টি: জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা সুপার রাইস-বা গোল্ডেন রাইস নামক এক ধরনের ধান উদ্ভাবন করেছেন। যা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।για
ভিটামিন সমৃদ্ধ ভুট্টার জাত সৃষ্টি: সম্প্রতি স্পেনের একদল
গবেষক এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুট্টার উন্নত বীজ উদ্ভাবন করেছেন যা ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন ও ফলিক এসিড সমৃদ্ধ।
স্টেরাইল ইনসেক্ট টেকনিক: এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সৃষ্ট শাকসবজি, ফলমূলের কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ: এ প্রযুক্তি প্রয়োগে সৃষ্ট ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ যে কোনো পরিবেশকে মোকাবিলা করতে সক্ষম।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা সুস্পষ্ট যে কৃষির উন্নয়নে উদ্দীপকের প্রযুক্তির অবদান বর্তমান বিশ্বে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!