উদ্দীপকের অঞ্চলটিতে অর্থাৎ পাহাড়ি অঞ্চলে রবার চাষের বিকল্প হিসেবে চা চাষ করা যেতে পারে। কারণ রবার চাষের জন্য যে ধরনের মৃত্তিকা ও জলবায়ু দরকার তা চা চাষের নিয়ামকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। চা চাষের নিয়ামকগুলো নিচে উপস্থাপন করা হলো-
১. চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর প্রয়োজন। ফলে অধিক উত্তাপ ও বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে চায়ের আবাদ ভালো হয়।
২. চা মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের ফসল। এটি চাষের জন্য ২৩০-২৮。・ সেলসিয়াস উত্তাপের প্রয়োজন হয়।
৩. চা চাষের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। সাধারণত ১৭৫ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে চা চাষ হয়।
৪. উচ্চভূমিতে পানি নিষ্কাশন দ্রুত ও সহজে হয় বলে পৃথিবীর অধিকাংশ উৎকৃষ্ট চা বাগান উচ্চ ভূমিতে অবস্থিত। কারণ, চা গাছের গোড়ায় পানি জমলে তা সহজেই মরে যায়। এ কারণে পাহাড়ের ঢালে চায়ের চাষ হয়ে থাকে।
৫. উর্বর লৌহ মিশ্রিত দো-আঁশ মাটি চা চাষের বিশেষ উপযোগী। তবে সেই সঙ্গে পরিমাণমতো নাইট্রোজেন, জিঙ্ক ও পটাশিয়াম সার প্রয়োগ করা দরকার।
উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যের আলোকে বলা যায় যে, চা চাষের জন্য যে নিয়ামক দরকার তা রবার চাষের নিয়ামকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই উত্ত অঞ্চলটিতে বিকল্প অর্থকরী ফসল হিসেবে চা উৎপাদন সম্ভব।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!