উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশ্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারাকে সাধারণভাবে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যেমন-
i. প্রাথমিক পর্যায়: সুদূর অতীতকাল থেকে ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময় প্রাথমিক পর্যায়। এই পর্যায়ে পৃথিবীর সকল অংশেই জন্ম ও মৃত্যুহার উভয়ই খুব বেশি ছিল।
ii. মাধ্যমিক অবস্থা: ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে মাধ্যমিক পর্যায় ধরা হয়। এই পর্যায়ে প্রথমে ধীরে এবং পরে দ্রুতগতিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এ সময় কিছু অঞ্চলে মৃত্যুহার হ্রাসের ফলে এবং কিছু অঞ্চলে অভিগমনের ফলে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
iii. সাম্প্রতিক অবস্থা: ১৯৫০ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত
সাম্প্রতিক অবস্থার পর্যায়ভুক্ত। বিগত কয়েক দশকে সমগ্র বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সামগ্রিকভাবে যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক অবস্থাকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১ উন্নত অঞ্চল: এই অঞ্চলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস পেয়েছে ও
জনসংখ্যা স্থিতিশীল। নারী ও পুরুষের শতকরা বৃদ্ধির হারে খুব বেশী পার্থক্য নেই এবং নির্ভরশীল জনসংখ্যার পরিমাণ কম। কর্মক্ষম জনসংখ্যার পরিমাণ অনেক বেশি বলে দেশের অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে যথেষ্ট অবদান রাখে।
২ . উন্নয়নশীল অঞ্চল: বিশ্বের উন্নয়নশীল অঞ্চলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির
হার এখনও যথেষ্ট বেশি। বিগত কয়েক দশকে এ দেশসমূহে যে হারে মৃত্যুহার কমেছে, সে হারে জন্মহার কমেনি। শিশু ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের অনুপাত বেশি, নির্ভরশীল জনসংখ্যা বেশি, কর্মক্ষম জনসংখ্যা কম থাকায় অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এসকল দেশ পিছিয়ে রয়েছে।
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!