উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত পর্বতের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত পর্বত হলো যথাক্রমে ভঙ্গিল বা ভাঁজ পর্বত এবং আগ্নেয় পর্বত। নিচে এ পবর্তদ্বয়ের মধ্যে বৈসাদৃশ্য আলোচনা করা হলো।

বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে যে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। ভূত্বক নানা ধরনের স্তরের সাহায্যে গঠিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত, হিমবাহ, নদী ও বায়ু প্রবাহ প্রভৃতির সাহায্যে ভূপৃষ্ঠস্থ শিলা ক্ষয় হয় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সমুদ্রগর্ভে পলির আকারে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। সামুদ্রিক পাত এবং মহাদেশীয় পাতগুলো পরিচলন স্রোতের মাধ্যমে গতিশীল হয়ে পড়লে প্রবল পার্শ্বচাপের সৃষ্টি হয়। এতে অগভীর সমুদ্রে সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তর কুঞ্চিত হয় এবং ঢেউয়ের আকারে উঁচুনিচু হয়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি করে। এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। এসব পর্বত বিস্তীণ অঞ্চলব্যাপী অবস্থান করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের দুর্বল অংশ ফেটে যায়। ঐ ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ইত্যাদি প্রবলবেগে নির্গত হয়ে ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হয়। এরূপে বার বার ঐসব পদার্থ ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি হয়। আগ্নেয় পদার্থ সঞ্চিত হয়ে এ প্রকার পর্বত গঠিত হয় বলে একে আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত বলা হয়। জাপানের ফুজিয়ামা, ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, হাওয়াই দ্বীপের মোনালোয়া ইত্যাদি সঞ্চয়জাত পর্বতের উদাহরণ। এ ছাড়া ভারতের আন্দামান, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে ব্যারেন, নারকোনদাম দ্বীপে এ ধরনের পর্বত সেখা যায়।
অতএব বলা যায়, দুটি পর্বতের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত ভিন্নতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
79
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
146
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ভূপ্রকৃতিটি হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।

রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পাহাড়ী এলাকাগুলো নিয়ে টারশিয়ারি অঞ্চল গঠিত। সম্ভবত টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় মিয়ানমারের দিক হতে আগত গিরিজনি আলোড়নের ধাক্কায় ভাঁজগ্রস্ত হয়ে এসব পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে। তাই এদের টারশিয়ারি পাহাড় বলা হয়। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মায়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ী অঞ্চলের আয়তন ১০,৩২৪ বর্গ কি.মি.। এ পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। পাহাড়গুলোর গায়ে
ক্ষুদ্র-বৃহৎ বৃক্ষরাজির বন এবং অসংখ্য ঝোপজঙ্গল রয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বিচ্ছিন্ন ছোট-বড় পাহাড় নিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল অবস্থিত। যা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর এ অঞ্চলটি দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
122
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক', 'খ' ও 'গ' ভূপ্রকৃতি হলো যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল। এদের মধ্যে সাম্পতিক কালের প্লাবন সমভূমির ভূপ্রকৃতি সর্বাধিক।টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত। সমুদ্র সমতল থেকে বাকি অঞ্চলগুলো যেমন- দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার এবং নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার। এই অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে আছে। এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওর বলে। এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওরসমূহ বর্ষার পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে হ্রদের আকার ধারণ করে। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভুমি খুবই উর্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
120
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে সুউচ্চ শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
96
উত্তরঃ

ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের স্থানচ্যুতি ঘটে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কখনো নিম্নগামী হয়।
চ্যুতি বরাবর ঊর্ধ্বগামী শিলাস্তূপকে স্তূপ পর্বত বলে। এ ধরনের পর্বতের অন্তত একপাশে উঁচু কোণবিশিষ্ট স্বাভাবিক চ্যুতি থাকে। ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, ভোজ, নীলগিরি ও আন্ন্যামালি এ পর্বতের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
147
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews