উদ্দীপকে টেবিলের 'ক রাষ্ট্র' দিয়ে ভারতের সমাজকর্ম পেশাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
টেবিলে 'ক রাষ্ট্রে' সমাজকর্মের উদ্ভব ও বিকাশ এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যগুলো উঠে এসেছে তা ভারতের সমাজকমের শিক্ষার ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ।১৯৩৬ সালে মার্কিন প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মযাজক ক্লিফোর্ড ম্যানশার্ডের সহায়তায় ভারতে পেশাগত সমাজকর্মের যাত্রা শুরু হয়। তিনি স্যার দোরাবজি টাটা ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে বোম্বেতে 'Sir Dorabji Tata Graduate School of Social Work' প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৪ সালে এ প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে Tata Institute of Social Science' রাখা হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীনতা অর্জনের পর দিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত হয় "Delhi School of Social Work"। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ভারতে সমাজকর্ম শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বর্তমানে ভারতে অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজকর্ম শিক্ষা চালু রয়েছে। ভারতে সমাজকর্ম শিক্ষার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠ্যক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব লক্ষণীয়। বর্তমানে ভারতে বিভিন্ন পর্যায়ে সমাজকর্ম বিষয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এছাড়া উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে ভারতে গ্রামীণ সমাজকর্মের বিকাশ হয়। তবে দেশটিতে উন্নয়ন ইস্যুতে সমাজকর্ম পেশাকে এখনো তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। টেবিলের 'ক রাষ্ট্র'-এর বৈশিষ্ট্যে উল্লিখিত বিষয়গুলোই প্রতিফলিত হয়েছে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো- অদক্ষ জনশক্তি।
দানশীলতা বলতে শর্তহীনভাবে স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যের কল্যাণে কোনো কিছু দান করার রীতিকে বোঝায়।
দানশীলতা মানবপ্রেম থেকে সৃষ্ট একটি কল্যাণমূলক ব্যবস্থা। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত। তবে প্রত্যেক ধর্মই দুস্থ ও অসহায়দের কল্যাণে ধনী বা সম্পদশালীদের দান করার জন্য উৎসাহিত করে। সুতরাং দানশীলতা হলো মানবপ্রেম থেকে সৃষ্ট একটি মহৎ গুণ, যা দুস্থদের কল্যাণকে ত্বরান্বিত করে।
উদ্দীপকে সমাজকর্মের সাথে সমাজসেবার যৌথ সমন্বয় ঘটেছে।
সমাজসেবা ও সমাজকর্মের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধানে তাকে সহায়তা করাই সমাজসেবার মূল লক্ষ্য। বর্তমানে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম সংগঠিত ও পরিকল্পিত উপায়ে পরিচালিত হয়। সমাজের সামগ্রিক কল্যাণে এ দুটি বিষয় পরস্পর নির্ভরশীল। সমাজকর্ম ও সমাজসেবা উভয়ই সুসংগঠিতভাবে সমাজের মানুষের সেবা দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিকল্পনা করে। এ দুটি বিষয়ই ব্যক্তির সামাজিক ভূমিকা পালন ক্ষমতার পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সচেষ্ট এবং কার্যকর মানবীয় সেবা সৃষ্টিতে কাজ করে।
তাই বলা যায়, সমাজকর্মের সাথে সমাজসেবার যৌথ সমন্বয় রয়েছে এবং উভয়ই একে অপরের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল
উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের মাধ্যমে চীনের সমাজকর্ম শিক্ষার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
চীনে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষার সূত্রপাত হয় ১৯২০ সালে। পেশাদার সামাজিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চীনে 'Yanjing University' তে ১৯২২ সালে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম বিভাগ খোলা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৫ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় সমাজসেবা ও সমাজকর্ম সংশ্লিষ্ট কোর্স চালু করে। ১৯৪৯ সাল
থেকে ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে 'Civil Affairs Division' এর মাধ্যমে সরকার নিজেই বিভিন্ন সমাজকর্ম ও সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। কিন্তু সময়ের প্রেক্ষিতে এই Division সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে নতুনভাবে সমাজকর্ম পেশার আবশ্যকতা দেখা দেয়। CCP, The State council এবং Central Government এর যৌথ উদ্যোগে সমাজকর্ম পেশাকে সামাজিক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর সার্বিক লক্ষ্য ছিল একটি কাঙ্ক্ষিত সমাজব্যবস্থা গঠন করা।
তাই বলা যায় যে, চীনের সমাজকর্মের শিক্ষাকে সেদেশের দ্রুত উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইংল্যান্ডকে সমাজকর্মের সূতিকাগার বলা হয়।
যেসব দেশ প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে সেসব দেশই উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত।
উন্নত দেশগুলোতে সাধারণত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হয় এবং এসব দেশের মানুষ উন্নত জীবন যাপনে অভ্যস্ত। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের মধ্যে রয়েছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন প্রভৃতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!