তামান্নার বয়সী কিশোরীদের পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
কিশোর কিশোরীদের শারীরিক বর্ধন দ্রুত হয়। এই বর্ধনের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখার জন্য তাদের পর্যাপ্ত কিলোক্যালরি বা শক্তি সমৃদ্ধ ও প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। এই বয়সে শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা, পড়ালেখা, বহিরাঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য জীবনের অন্য সময়ের চেয়ে বেশি শক্তির অর্থাৎ কিলো ক্যালরির প্রয়োজন হয়। এই বর্ধিত শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য কিশোর কিশোরীদের কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য এ বয়সীদের ভিটামিন ও ধাতব লবণ সমৃদ্ধ খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিশোর কিশোরীদের দাঁত ও হাড় গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। এই বয়সে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের লৌহ ও ফলিক এসিড বেশি প্রয়োজন হয়। কারণ মেয়েদের মাসিকের জন্য প্রতি মাসে যে রক্তের অপচয় ঘটে তা পূরণের জন্য অর্থাৎ রক্ত গঠনের জন্য এগুলো প্রয়োজন হয়। এছাড়া কিশোর কিশোরীদের দেহ ত্বকের ও চোখের সুস্থতার জন্য ভিটামিন 'এ', 'বি' ও 'সি' সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। উপরিউক্তি আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, কিশোর কিশোরীদের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করার জন্য সঠিক খাদ্য তালিকা তৈরি করা উচিত। এর ফলে তাদের বিকাশ সুষ্ঠু হবে।
Related Question
View Allবিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে কৈশোরকালের বয়সসীমা ১০-১৯ বছর।
খাদ্যকে শোষণ উপযোগী করে দেহের কাজে লাগাতে হলে পরিপাক প্রয়োজন।
আমরা যেসকল খাদ্য গ্রহণ করি তার অধিকাংশই বড় অণুবিশিষ্ট এবং এদের রাসায়নিক গঠন অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির। এসব খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে দেহের গ্রহণ উপযোগী সরল উপাদানে পরিণত হয়। আর খাদ্যবস্তুকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করার কাজটি পরিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়।
শম্পার খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খাদ্যের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
শম্পা বয়সের তুলনায় খাটো। তার দৈহিক বর্ধন ঠিকমতো হচ্ছে না। এরূপ অবস্থায় তার খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এছাড়া হাড়ের গঠন ঠিক রাখার জন্য ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে। এক্ষেত্রে তার খাবার যেমন হওয়া প্রয়োজন তা নিচে দেওয়া হলো -
i. প্রতি বেলার প্রধান খাবারে অর্থাৎ সকাল, দুপুর, ও রাতের বেলায় মৌলিক খাদ্যগোষ্ঠীর বিভিন্ন শ্রেণির খাদ্য থাকতে হবে।
ii. তার প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কিলোক্যালরির চাহিদা যাতে পূরণ হয় সেই জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে শস্য ও শস্য জাতীয় খাদ্য প্রতিদিনের তালিকাতে থাকতে হবে।
iii. প্রতিদিন উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ উভয় উৎস থেকেই প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে। দিনে অন্তত একবার প্রাণিজ প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে।
iv. শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য দিতে হবে।
V. প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি, রঙিন শাকসবজি ও তাজা টক জাতীয় ফল অবশ্যই থাকতে হবে।
vi. সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি গ্রহণ করতে হবে। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য দৈনিক ৬-৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে।
উপরিউক্ত নিয়মে খাদ্য গ্রহণ করলে শম্পার স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার সমাধান সহজ হবে।
সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে খাদ্য গ্রহণের সুঅভ্যাস গঠন করা অত্যন্ত জরুরি।
লিটু প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর বার্গার, স্যান্ডউইচ, ড্রিংকস ইত্যাদি খায়। ফাস্টফুড, সফট্ ড্রিংকস ইত্যাদি খাবারে বেশি ক্যালরি থাকে। যারা কম পরিশ্রমের কাজ করে তারা এগুলো প্রতিদিন গ্রহণ করলে সহজেই শরীরের ওজন বেড়ে যায় এবং নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি দেখা দেয়। যেমন হৃদরোগ, ওজনাধিক্য, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
লিট দৈনিক ফাস্টফুড জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করায় সে মোটা হয়ে যাচ্ছে। তাই তার মায়ের উচিত তাকে দৈনিক এগুলো খেতে না দিয়ে বাড়িতে তৈরি বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার, মৌসুমি ফল ও শাকসবজি খাওয়ানো। তার খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে মায়ের ভূমিকাই সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মায়ের সাথেই সন্তানের সম্পর্ক সবচেয়ে নিবিড় থাকে।
তাই মায়ের উচিত লিটুকে বাইরের খাবারের কুফল বুঝিয়ে ভালো ও পুষ্টিকর খাবারে অভ্যস্ত করা।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে কৈশোরকালের বয়সসীমা ১০-১৯ বছর।
খাদ্যকে শোষণ উপযোগী করে দেহের কাজে লাগাতে হলে পরিপাক প্রয়োজন।
আমরা যেসকল খাদ্য গ্রহণ করি তার অধিকাংশই বড় অণুবিশিষ্ট এবং এদের রাসায়নিক গঠন অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির। এসব খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে দেহের গ্রহণ উপযোগী সরল উপাদানে পরিণত হয়। আর খাদ্যবস্তুকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করার কাজটি পরিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!