উদ্দীপকে উল্লিখিত দৃশ্যপট-২ এ নারী পাচার অপরাধের কথা বলা হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে আইনের প্রেক্ষাপটই যথেষ্ট নয়। এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত।
নারী পাচার সমস্যাটি নারীর প্রতি একটি জঘন্য সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত যা সারা বিশ্বেই ঘটে থাকে। এ সমস্যা সমাধানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক আইন করা হয়েছে। কিন্তু এর সমাধান হচ্ছে না। কারণ শুধু আইন প্রয়োগ করে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২- এ সেন্টু মিয়া একজন নারী পাচারকারী। তার এ অপরাধে সে গ্রেফতার হয়ে প্রচলিত আইনের আওতায় রয়েছে। এ অপরাধে প্রচলিত আইন যথেস্ট। আইনের পাশাপাশি এর জন্য প্রয়োজন নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। পরিবারের ছেলেমেয়ে উভয়কেই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গঠন সম্পর্কিত শিক্ষা দিলে ছেলেরাও যারীর মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন হবে। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মতৎপরতা সম্প্রসারণ করতে হবে। নারীর অধিকার সংশ্লিষ্ট আইনসমূহ বেশি প্রচার করলে জনগণের মধ্যে নারী সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হবে। পারিবারিক ও সামাজিক চাপ প্রয়োগ করে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে উদ্যোগ নিলে নির্যাতনকারী প্রশ্রয় পাবে না। নারীর প্রতি সহিংসতাকারীকে সামাজিকভাবে বয়কট করে একঘরে করে রাখার উদ্যোগ নিলে সে পরবর্তীতে এর পুনরাবৃত্তি করবে না। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনার প্রভাব ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বেশি বেশি প্রচার করলে জনমনে সচেতনতা তৈরি হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শ অনুশীলন করে নারীর মর্যাদার যথাযথ মূল্যায়ন করলে নারীর প্রতি পুরুষ সমাজে শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হবে।
পরিশেষে বলা যায়, নারী পাচার অপরাধ সমস্যাটি সমাধানে আইনের পাশাপাশি উপরিউক্ত বিষয়গুলো অধিকতর কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটিকে আমি সঠিক বলে মনে করি।
Related Question
View Allএইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, যার পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency Virus) ।
এইডস হচ্ছে এমন একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাধি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এইডস রোগটি ছড়ানোর বিভিন্ন উপায় থাকলেও এর অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে যৌন মিলন। অর্থাৎ এইচআইভি সংক্রমিত পুরুষ বা মহিলার সাথে যৌন মিলনে এ রোগ ছড়াতে পারে।
ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হলেন যে, রিমির মা এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস। এ ভাইরাসের পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency virus) সংক্ষেপে এইচ আইভি (HIV)। এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের নিজস্ব, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এ ভাইরাস অনেকদিন পর্যন্ত শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। সাধারণত এর সুপ্তিকাল ৬-৭ মাস। উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পিতার ছয় মাস পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে এইডস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করেন। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। যদি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারও দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায় তবেই তাকে এইচআইভি পজিটিভ বলা হয়। এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। যা ব্যক্তির অনিবার্য পরিণতি অকাল মৃত্যু। তাই বলা যায়, রিমির মায়ের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি এইডস রোগে আক্রান্ত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পরিবারের সমস্যা মোকাবিলায় 'নির্মল হাসি' সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়, মানবিক ও সময়োপযোগী।
এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা অনুচিত। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে 'নির্মল হাসি' উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম প্রশংসনীয়। রিমির বাবা সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতাবোধ করলে দেশে ফিরে আসেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর ছয় মাস পর তার মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্মল হাসি নামক উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার তাকে এইডস রোগে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করলে পরিবারটি বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত হয়। এ সমস্যা প্রতিরোধে নির্মল হাসি সংস্থা পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ায় এবং- নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন- সামাজিক ও মানসিক সমর্থনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রোগীর প্রতি সমাজের অন্যান্যদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থন আদায়ে প্রচেষ্টা চালায়। রোগীর সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে রোগীর মনকে প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করে। রোগীকে সবার কাছ থেকে আলাদা না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপদেশ দেয় এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখে।
তাই বলা যায়, এইডস রোগীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো মোকাবিলায় নির্মল হাসি সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রশংসার দাবিদার।
বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের প্রতিবেদন অনুসারে ২০০১ সালে বাংলাদেশ ৪,০৯১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। গাড়ি চালানোর জন্য যেসব আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না। এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব চালকদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের, যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!