উদ্দীপকে নির্দেশিত নিরক্ষরতা সমস্যাটি যে কোনো জাতি বা দেশের অন্যান্য সামাজিক সমস্যার জন্য দায়ী।
বাংলাদেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরক্ষরতা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। নিরক্ষরতার ফলে মানুষ জীবন ধারণের অন্যতম মৌল চাহিদা পূরণের যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হচ্ছে না। এছাড়াও নিরক্ষর মানুষেরা তাদের ব্যক্তিগত, রাষ্ট্রীয়, সামাজিক পর্যায়ে নিজেদের ভূমিকাকে অর্থবহ করে তুলতে সক্ষম হচ্ছে না। বাংলাদেশে জনসংখ্যাস্ফীতির ক্ষেত্রে নিরক্ষরতার প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। নিরক্ষর জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নয়। নিরক্ষরতার নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাহত করছে। দরিদ্র, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরাধ প্রবণতা, ভিক্ষাবৃত্তি, যৌতুক প্রথা, স্বাস্থ্যহীনতা, পুষ্টিহীনতা প্রভৃতি সমস্যার অন্যতম কারণ। আর তাই নিরক্ষরতাকে অন্যান্য সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে নির্দেশিত নিরক্ষর সমস্যাটি অন্যান্য সমস্যার জন্য দায়ী।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!