উদ্দীপকে বর্ণিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনাব মহিবুল্লাহ কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যর্থতার কারণ হলো ট্রেডমার্ক নিবন্ধন না করা।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন না করেও তা ব্যবহার করা যায়। ব্যবহারের পরেও এক পর্যায়ে তা নিবন্ধন করা চলে। তবে সমস্যা হলো অনিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘিত হলে আইনত তার প্রতিকার দাবি করা যায় না এবং কেউ একবার ঐ নাম নিবন্ধিত করলে তার প্রতিকার লাভ দুষ্কর হয়ে পড়ে। তাই ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করাই উত্তম।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব মহিববুল্লাহ দীর্ঘ দিন গবেষণা করে এক ধরনের নতুন ধান বীজ উদ্ভাবন করেন। তিনি বিশেষ চিহ্নবিশিষ্ট প্যাকেটে করে উদ্ভাবিত ধান বীজ বাজারে বিক্রি করে থাকেন। আর এ বিশেষ চিহ্ন জনাব মহিববুল্লাহর ধানের বীজকে অন্যান্য বীজ থেকে স্বতন্ত্র করে তোলে এবং পরিচিতি দান করে। একটি অসাধু বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাঁর 'উদ্ভাবিত বীজের অনুরূপ ধানের বীজ নকল করে বাজারজাত করছে। কিন্তু যথাযথ প্রমাণের অভাবে মুহিববুল্লাহ উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন নাই।
সুতরাং উদ্দীপকে বর্ণিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনাব মহিববুল্লাহ কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যর্থতার কারণ হলো ট্রেডমার্ক নিবন্ধন না করা।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!