মি. সোহেল রহমানের কারখানাটি উৎপাদনমুখী মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।
এ শিল্পে জমি ও কারখানা ভবন ছাড়াও অন্যান্য স্থায়ী সম্পদের দাম ১০ থেকে ৩০ কোটি টাকা হয়। আর এতে ১০০ থেকে ২৫০ জন শ্রমিক কাজ করে থাকে।
উদ্দীপকের মি. সোহেল রহমান কক্সবাজারে সামুদ্রিক শুকনা মাছ প্রক্রিয়াকরণের একটি কারখানা স্থাপন করেন। এটি একটি উৎপাদনমুখী শিল্প। আবার, কারখানাটি স্থাপনে জমি ও কারখানা ভবন ছাড়াও বিনিয়োগের পরিমাণ ১১ কোটি টাকা। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানটিতে দুই শিফটে ৯৯ + ৯৯ = মোট ১৯৮ জন কাজ করেন। এ বৈশিষ্ট্যগুলো উৎপাদনমুখী মাঝারি শিল্পের সাথে মিলে যায়। সুতরাং, মাছ প্রক্রিয়াকরণ কারখানাটি একটি উৎপাদনমুখী মাঝারি শিল্প।
Related Question
View Allব্যাপক অর্থে শিল্পকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যন্ত্রপাতি কিংবা স্থায়ী সম্পদ বা মেধাসম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে যেসব সেবামূলক কাজ করা হয় তাকে সেবা শিল্প বলে।
সেবা শিল্পকে কুটির, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ এই চারভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া এর বিনিয়োগের পরিমাণ উৎপাদনমুখী শিল্পের তুলনায় কম হয়। মৎস্য আহরণ, নির্মাণ শিল্প ও হাউজিং, অটোমোবাইল সার্ভিসিং, বিনোদন শিল্প, হর্টিকালচার, ফুল চাষ, পর্যটন ও সেবা, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, প্রভৃতি সেবা শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।
বিনিয়োগের মাপকাঠিতে রাশিকের ব্যবসায়টি মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।
স্বল্প মূলধন, স্থানীয় কাঁচামাল, সৃজনশীলতা, পরিবারের সদস্যদের কর্মশক্তির ব্যবহার প্রভৃতির সমন্বয়ে মাঝারি শিল্প গড়ে ওঠে। এ শিল্পের বিনিয়োগের পরিমাণ ১০ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকার মধ্যে। সীমাবদ্ধ।
উদ্দীপকে জনাব রাশিক ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর গ্রামে একটি পাট ও পাটজাত শিল্প স্থাপন করেন। তার শিল্পে বিনিয়োজিত মূলধনের পরিমাণ ১১ কোটি টাকা। বিনিয়োগের মাপকাঠিতে এটি মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত। কারণ মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ ১০ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকা হয়। রাশিকের বিনিয়োগের পরিমাণ উক্ত সীমার মধ্যেই আছে। সুতরাং, মূলধনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে রাশিকের ব্যবসায়কে মাঝারি শিল্প হিসেবে অভিহিত করা যায়।
উদ্দীপকে রাশিকের শিল্প প্রতিষ্ঠানটিতে মুনাফা বেশি হওয়ার কারণ হলো কাঁচামালের সহজলভ্যতা বা প্রাচুর্যতা।
কাঁচামালের সহজলভ্যতার ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমজাতীয় শিল্পগুলো বেশি পরিমাণে গড়ে ওঠে। কারণ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সহজলভ্য হলে কম খরচে বেশি পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
উদ্দীপকে রাশিক পাট চাষের জন্য বিখ্যাত ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর গ্রামে একটি পাট ও পাটজাত শিল্প স্থাপন করেন। ফলে তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করা সহজ হয়। এ কাঁচামালের সহজলভ্যতার কারণে রাশিকের শিল্প প্রতিষ্ঠানটিতে বেশি মুনাফা অর্জিত হয়।
রাশিকের বন্ধু রাফি রাজশাহী অঞ্চলে পাট ও পাটজাত শিল্প স্থাপন করেন। সেখানে আখের উৎপাদন বেশি হয়। ফলে রাফিকে পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করতে বেশি সময় ও পরিবহন ব্যয় করতে হয়। তাছাড়া উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত কাঁচামাল না পাওয়ায় রাফির উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। আর খরচ বেশি হওয়ায় তার মুনাফার পরিমাণও কম হয়। এসব কারণেই রাশিক ময়মনসিংহ অঞ্চলে পাট শিল্প গড়ে তুলেছেন; যা তাকে বেশি মুনাফা অর্জনে সহায়তা করেছে।
বিনিয়োগের মাপকাঠিতে শিল্পকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ছাড়াও স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫ লক্ষ টাকার নিচে এবং পরিবারের সদস্যদের সমন্বয়ে সর্বোচ্চ জনবল ১০ জনের বেশি নয় তাকে কুটির শিল্প বলে।
স্বামী-স্ত্রী, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সহায়তায় কুটির শিল্প পরিচালিত হয়। ছোট জায়গা, স্বল্প মূলধন ও কারিগরি জ্ঞান নিয়ে সহজেই কুটির শিল্প স্থাপন করা যায়। এরূপ শিল্প স্থাপনের ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
