উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধের সাথে তোমার পঠিত বইয়ের কোন যুদ্ধের মিল রয়েছে তার কারণগুলো ব্যাখ্যা করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধটি ইসলামের প্রথম যুদ্ধ যা বদর যুদ্ধ নামে পরিচিত।

কুরাইশদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর নির্দেশে মহানবি (স) মতা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করলে মুসলমান ও মদিনাবাসীদের ওপর কুরাইশদের ক্ষিপ্রতা আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন কারণে এ শত্রুতা আরো বেড়ে গেলে ৬২৪ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ বদর প্রান্তরে মক্কার কুরাইশ ও মদিনার মুসলমানদের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এই ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ নামে খ্যাত।
উদ্দীপকে দেখা যায়, দুই পরিবারের ঝগড়া বিবাদের জের ধরে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এটি ছিল দুই পরিবারের প্রথমবারের যুদ্ধ। যুদ্ধে অসত্যের ওপর সত্যের, অন্যায়ের ওপর ন্যায়ের জয় হয়। অনুরূপভাবে ইসলামের প্রথম যুদ্ধ্যেও এরূপ জয় লক্ষ করা যায়। কিন্তু এ যুদ্ধের অনেক কারণ ছিল যা এই যুদ্ধের সম্ভাবনাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। মদিনায় হিজরতের পর মুহাম্মদ (স) ইসলামের বাণী চারদিকে ছড়িয়ে দিতে থাকেন। এ সময় মক্কার কুরাইশরা মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করতে ষড়যন্ত্র শুরু করে। অন্য দিকে মদিনায় মুসলমানদের শক্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে মক্কার কুরাইশরা আতঙ্কিত হয় যে সিরিয়া ও পারস্যে তাদের বাণিজ্য পথ অবরুদ্ধ হতে পারে। কেননা মক্কাবাসীদের অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করার জন্য সচেতন হয়ে সিরিয়ার সাথে মক্কার ব্যবসা বন্ধ করার পরিকল্পনা করে। দস্যুবৃত্তি ও লুটতরাজের ফলে মদিনার লোকেরা আতকিকত হয়ে যায়। এছাড়াও আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইয়ের ষড়যন্ত্র, ইহুদিদের ষড়যন্ত্র, আবু সুফিয়ানের মিথ্যা প্রচারণা, নাখলার খন্ড যুদ্ধ এবং মুহাম্মদ (স)-এর ঐশী বাণী লাভ প্রভৃতি এই যুদ্যকে অনিবার্য করে তোলে। যার ফলস্বরূপ মদিনার ৮০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে বদর নামক প্রান্তরে উভয় বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে মহানবি (স)-এর নেতৃত্বে মদিনাবাসী বিজয়ী হন। এ যুদ্ধ ছিল অসত্যের ওপর সত্যের ও অন্যায়ের ওপর ন্যায়ের বিজয়। উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের প্রথম যুদ্য হিসেবে বদর যুদ্ধের অনেক কারণ ছিল যা এই যুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
36

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
164
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
83
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
88
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
365
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews