উদ্দীপকে 'বৃষ্টি' কবিতার গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপে রুক্ষ প্রকৃতিকে স্নিগ্ধ করতে বৃষ্টির জন্য প্রতীক্ষার দিকটি ফুটে উঠেছে।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপে বাংলাদেশের প্রকৃতিতে যেন উষ্ণতার স্রোত বয়ে যায়। প্রখর রোদের তাপে মাঠ-ঘাট শুকিয়ে চৌচির হয়ে যায়। গনগনে সূর্য যেন ঝলসাতে থাকে সমস্ত আকাশ। এ সময় মাঠ-ঘাট বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে।
উদ্দীপকে বৃষ্টিহীনতায় প্রকৃতির রুক্ষ অবস্থা এবং গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপে জনজীবনের কষ্টকর অবস্থা নির্দেশ করা হয়েছে। সূর্যের প্রচন্ড তাপে মাঠ-ঘাট শুকিয়ে গেছে। বনের গাছপালা, জীবজন্তু জলের অভাবে মারা যাচ্ছে। এমন অবস্থায় সবাই বৃষ্টির প্রত্যাশা করছে। উদ্দীপকের এ বিষয়টি 'বৃষ্টি' কবিতার মূলভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'বৃষ্টি' কবিতায় কবি বৃষ্টির অভাবে প্রকৃতিতে বিরাজমান রুক্ষতা, তৃষ্ণাকাতর হয়ে ওঠা ফসলের মাঠ ও বনের গাছাপালার কথা বলেছেন। আর বৃষ্টির আগমনে কীভাবে প্রকৃতি স্নিগ্ধ, কোমল হয়ে ওঠে তা-দেখিয়েছেন। বৃদ্ধ ভিখারির রগ-ওঠা হাতের মতো চৌচির মাঠ বৃষ্টির পানিতে ভরে ওঠে। তখন ফসল ফলানোর জন্য চাষ দেওয়া সহজ হয়। এ বিষয়টি উদ্দীপকের কৃষকের মাঠে চাষ দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!