উদ্দীপকে মি. মল্লিক প্রথমত ব্যবস্থাপনার 'কার্য বিভাজন' নীতির কথা ভেবেছিল।
কার্য বিভাজন নীতির মূল কথা হচ্ছে সংগঠনের কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ করে প্রতিটি কাজের দায়িত্ব এক একজন বিশেষজ্ঞ কর্মীর ওপর অর্পিত হয়। এ নীতি অনুসারে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের কাজগুলোকে সম্পর্ক ও প্রকৃতি অনুসারে বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রথমে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় এবং বিভাগীকৃত কাজগুলোকে কর্মদক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কর্মীদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়। এটাই কার্য বা শ্রম বিভাগের নীতির প্রধান শর্ত।
উদ্দীপকে মি. মল্লিক সম্প্রতি বিবিএ পাস করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছে। প্রথম কার্য দিবসে অফিসে গিয়ে মি. মল্লিক দেখতে পায় প্রতিটি কর্মীকেই তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুসারে নির্দিষ্ট বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। সে এরূপ দেখে ভাবল এই শ্রম বিভাজনের নীতিতে সত্যিই কাজের গতি ও মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ কার্যবিভাজনের ফলে কর্মীরা দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করে। এতে উৎপাদনের পরিমাণ ও মান বৃদ্ধি পায়, যা কার্য বিভাজন নীতির বৈশিষ্ট্য। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, উদ্দীপকে মি. মল্লিক প্রথমত ব্যবস্থাপনার কার্য বিভাজনের নীতির কথাই ভেবেছিল।
Related Question
View Allফ্রেডরিক উইনসলো টেলর (Frederick Winslow Taylor)
ফ্রেডরিক উইনসলো টেলর (Frederick Winslow Taylor)
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!