উদ্দীপকের শিশুটির প্রতিবন্ধিতার কারণ হলো মায়ের অপুষ্টি এবং মায়ের বয়স। শিশু যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, ও গর্ভের পরিবেশ শিশুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। গর্ভাবস্থায় নানা কারণে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে এবং প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
গর্ভবতী মা যদি দীর্ঘদিন যাবত রক্তস্বল্পতায় ভোগেন, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার না খান তবে ভ্রুণের গঠনগত বিকলাঙ্গতা দেখা দেয়, মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত হয়। ফলে শিশু প্রতিবন্ধী হয়। গর্ভধারণের সময় মায়ের বয়স কম বা বেশি দুটিই শিশুর জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অপরিণত বয়সে প্রজনন অঙ্গের বিকাশ সম্পূর্ণ হয় না। তাই অপরিণত বয়সে মা হলে ত্রুটিপূর্ণ শিশু জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার বেশি বয়সে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যাবলি হ্রাস পায়। তাই ৩৫ বছরের পর যেসব মহিলা প্রথম সন্তান জন্ম দেন, সেসব শিশু প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। উদ্দীপকে শিলার বয়স ৩৭ বছর। গর্ভকালীন সময়ে তিনি রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। তিনি পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খাননি। শিলার বেশি বয়স এবং অপুষ্টির কারণে তার শিশুটি প্রতিবন্ধী হয়।
Related Question
View Allমা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
কণার শিশুকে প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে শনাক্ত করা যায়।
কণার শিশুটি কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে না। হাঁটা-চলাতেও তার সমস্যা রয়েছে। এটা মূলত তার রক্তে বিলিরুবিন (Bilirubin) বেড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছে।
রক্তে যদি বিলিরুবিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় তবে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয় এবং শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী হয়। গর্ভকালীন সময়ে কণা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া- দাওয়াও করেনি। অর্থাৎ নিজের প্রতি খেয়াল রাখেনি। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যতটুকু পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন তার ঘাটতি হয়েছে। এ কারণেই কণার শিশুটির হাঁটা-চলার অর্থাৎ অঙ্গ সঞ্চালনমূলক বিকাশ ব্যাহত হয়েছে।
কণার অসচেতনতা তার শিশুর প্রতিবন্ধিতার কারণ বলে আমি মনে করি।
কণার শিশুটি প্রতিবন্ধী। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করত না। সে নিজের প্রতি খেয়াল রাখত না।
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কারণ গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টির ফলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া গর্ভধারণের আগে বিভিন্ন প্রতিষেধক নেওয়াটাও জরুরি। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছে। গর্ভস্থ শিশুর জন্য এ রোগের প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে শিশুর শারীরিক বিকলাঙ্গতার পাশাপাশি মানসিক প্রতিবন্ধিতাও হতে পারে। বর্তমানে কণার সন্তান কোনো কিছুর প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে পারে না। এমনকি সে ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না। এগুলো সবই কণার অসচেতনতার ফল।
মা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
শিশুর শারীরিক গঠন যদি স্বাভাবিক না হয়, হাত অথবা পা না থাকে, কথা বলতে না পারে, চোখে না দেখে অথবা কম দেখে, বুদ্ধিমত্তা কম থাকে, সামাজিক আচরণ ও ভাব বিনিময় ঠিকমতো করতে না পারে, তবে এই ধরনের শিশুদের প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!