উদ্দীপকের ৩নং অঙ্গাণুটি হলো নিউক্লিয়াস। নিচে নিউক্লিয়াসের গঠন বর্ণনা করা হলো-
একটি নিউক্লিয়াস 'প্রধানত (১) নিউক্লিয়ার মেমব্রেন (২) নিউক্লিওপ্লাজম (৩) ক্রোমাটিন তত্ত্ব ও (৪) নিউক্লিওলাস নিয়ে গঠিত। নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এটি নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে। এই আবরণী সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের ভিতরের বস্তুগুলোকে আলাদা করে রাখে। একই সাথে এটি তরল পদার্থের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।
নিউক্লিওপ্লাজম: নিউক্লিয়াসের ভিতরের তরল ও স্বচ্ছ পদার্থটিই নিউক্লিওপ্লাজম। এর মধ্যে ক্রোমাটিন তত্ত্ব ও নিউক্লিওলাস থাকে।

নিউক্লিওলাস: নিউক্লিয়াসের ভিতরে বিন্দুর ন্যায় অতিক্ষুদ্র যে অলাণুটি ক্রোমাটিন তনুর সাথে লেগে থাকে, সেটিই নিউক্লিওলাস।
ক্রোমাটিন তত্ত্ব: নিউক্লিয়াসের ভেতরে সুতার ন্যায় কুন্ডলী বাঁকানো বা খোলা অবস্থায় যে অঙ্গাণুটি রয়েছে তাই ক্রোমাটিন তন্তু।
Related Question
View Allপ্রোটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান গোলাকার ঘন বস্তুটিই নিউক্লিয়াস।
কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি জীব কোষের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। মাইটোকন্ড্রিয়াতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি এসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে। এগুলোর মাধ্যমে কাজ করার শক্তি উৎপন্ন হয়ে থাকে। এ অঙ্গাণু থেকে কোষের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি সরবরাহ হয়ে থাকে বলে একে কোষের 'পাওয়ার হাউজ' বলা হয়।
দীপ্তি বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিভিন্ন বর্ণের গাছপালা দেখতে পায়। নিচে গাছপালার বিভিন্ন বর্ণ ধারণ করার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
উদ্ভিদের বিভিন্ন বর্ণের জন্য দায়ী গ্লাস্টিড। এ অঙ্গাণুটি উদ্ভিদ কোষের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। প্লাস্টিড উদ্ভিদের খাদ্য সংশ্লেষে, বর্ণ গঠনে এবং খাদ্য সঞ্চয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। উদ্ভিদ কোষস্থ প্লাস্টিড তিন প্রকার। ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্ট। এদের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ অংশে থাকে এবং সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে। সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করা এর প্রধান কাজ। ক্রোমোপ্লাস্টের জন্য গাছের সবুজ বাদে অন্য সকল বর্ণ সৃষ্টি হয়। সুতরাং গার্ডেনে বিভিন্ন বর্ণের গাছপালা সৃষ্টি হয়েছে ঐসব উদ্ভিদের কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট ও ক্রোমোপ্লাস্ট জাতীয় প্লাস্টিড উপস্থিত থাকার কারণে।
উদ্দীপকে দীপ্তি বাবার সাথে বোটানিক্যাল গার্ডেনে বেড়াতে এসে উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় ধরনের জীব পর্যবেক্ষণ করেছে। নিচে দীপ্তির দেখা জীবগুলোর কোষীয় বৈশিষ্ট্যের তুলনা উল্লেখ করা হলো-
১. উদ্ভিদ কোষে প্লাজমা পর্দার বাইরে সেলুলোজের তৈরি কোষপ্রাচীর থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে শুধু প্লাজমা পর্দা থাকে, কোষপ্রাচীর থাকে না।
২. পরিণত উদ্ভিদ কোষে বড় গহ্বর থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে গহ্বর থাকে না, থাকলেও ছোট।
৩. উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে প্লাস্টিড থাকে না।
৪. সাধারণত উদ্ভিদ কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে না। কিন্তু প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম
৫. উদ্ভিদ কোষের কেন্দ্রে বড় কোষগহ্বর থাকায় নিউক্লিয়াস কোষপ্রাচীরের কাছে অবস্থান করে। কিন্তু প্রাণীকোষে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে।
যেসব কোষ জীবের প্রজননে অংশ নেয় তাদের জননকোষ বলে। এরা জীবের দেহ গঠনে অংশগ্রহণ করে না। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু হলো জননকোষ। জননকোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। তাই জননকোষকে হ্যাপ্লয়েড কোষ বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
